অর্থমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

ব্যাঙ্কিং পরিষেবা বিঘ্নহীন রাখতে রাষ্ট্রায়ত্ব এবং আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কের কর্মীদের কাছে আবেদন

প্রকাশিত: 21 SEP 2026 7:50PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি,  ২১ সেপ্টেম্বর  ২০২৬

 

প্রতি সপ্তাহে ৫টি কাজের দিন এবং কর্মসম্পাদন ভিত্তিক উৎসাহদান প্রকল্প (পারফর্মেন্স লিঙ্কড ইনসেনটিভ-পিএলআই)-এর প্রত্যাহার; মূলত এই দুটি দাবিতে ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন্স এবং রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কের অন্য বিভিন্ন কর্মী সংগঠন (আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলির কর্মীদের সমর্থনও রয়েছে তাঁদের দিকে) একাধিকবার ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। তাঁদের দাবি অনুযায়ী সরকার পিএলআই প্রকল্প আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে কর্মী সংগঠনগুলির মূল দাবির একটি ইতিমধ্যেই পূরণ হয়েছে। 

এর পরেও সরকার একাধিকবার অন্য দাবিদাওয়া নিয়ে ওইসব সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তা সত্ত্বেও ১১.০৯.২০২৬ তারিখে একদিনের ব্যাঙ্ক ধর্মঘট হয়। ২৮.০৯.২০২৬ থেকে ৩০.০৯.২০২৬ পর্যন্ত তিন দিনের ব্যাঙ্ক ধর্মঘট হবে বলে জানানো হয়েছে কর্মী সংগঠনগুলির তরফে। প্রতি সপ্তাহে ৫টি কাজের দিন- এই একটি দাবিতে অনড় থেকে ২৬.১০.২০২৬ থেকে অনির্দিষ্টকালীন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। 

দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিকাশে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই ব্যাঙ্কগুলি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং, আর্থিক স্বাক্ষরতা এবং প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় ব্যাঙ্কিং পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে মূল চালিকাশক্তি। ব্যাঙ্ক কর্মীদের কাজের পরিবেশ, কর্মপ্রণালীর স্বচ্ছতা ও কল্যাণের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধ থেকে সরকার একের পর এক পদক্ষেপ নিয়েছে। 

    তাঁদের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি হয়েছে।
    গড়ে তোলা হয়েছে স্টাফ ওয়েলফেয়ার ফান্ড।
    এক্সিকিউটিভ পোস্টের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
    ব্যাঙ্ক কর্মীদের নিয়োগ বেড়েছে ; ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬ সময়কালে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কগুলিতে নিযুক্ত হয়েছেন ৪,৮২,৮০০ কর্মী, বিগত ৩ বছরে নিযুক্তি বেড়েছে দ্বিগুণ। 
    ব্যাঙ্ক কর্মীদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এসেছে।
    সময় মতো তাঁদের পদোন্নতি হচ্ছে।
    বদলির ক্ষেত্রে অনলাইন মঞ্চে নিজেদের পছন্দ ও অসুবিধার কথা জানাতে পারেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।
    ঋতুকালীন সময়ে বা এই ধরনের অন্য জরুরি নানা প্রয়োজনে মহিলা ব্যাঙ্ক কর্মীদের জন্য বিশেষ ছুটির ব্যবস্থা হয়েছে।
    ব্যাঙ্ক কর্মীদের পারিবারিক পেনশন প্রণালী পুনর্মাজিত হয়েছে। 
    চিকিৎসা বিমার বিশেষ ব্যবস্থা হয়েছে।
    ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যাঙ্ক কর্মীদের যাতায়াতের জন্য বিশেষ ভাতা দেওয়া হচ্ছে।

২০১৫ সালেই মাসের দ্বিতীয় এবং চতুর্থ শনিবার রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক কর্মীরা ছুটি পাবেন বলে সরকার ঘোষণা করেছে। 

২৮-৩০ সেপ্টেম্বর প্রস্তাবিত ৩ দিনের ধর্মঘটের মধ্যেই পড়ে যাচ্ছে ৩০ সেপ্টেম্বর দিনটি- যেদিন সান্মাষিক ভিত্তিতে ব্যাঙ্কের ক্লোজিং ডে। ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে হিসেব-নিকেশ যথাযথ রাখতে এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। এর আগে আবার চতুর্থ শনিবার ও রবিবার পড়ায় টানা ৫ দিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকার আশঙ্কা। এর ফলে চরম অসুবিধায় পড়বেন গ্রাহকরা। শুধু তাই নয়, সরকারের লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক স্তরের লেনদেন ও কাজকর্মেও অত্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় এবং কর্মীদের সহযোগিতার সুবাদে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কগুলি এখন দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। 

ব্যাঙ্ক কর্মচারী ইউনিয়নগুলির বেশিরভাগ দাবিই মেনে নেওয়া হয়েছে। বাকি দাবি নিয়েও সরকার চিন্তাভাবনা করছে। এই প্রেক্ষিতে ধর্মঘটের পথ থেকে সরে এসে আলোচনার মাধ্যমে যাবতীয় সমস্যার সমাধান করা এবং ব্যাঙ্কিং পরিষেবা বিঘ্নহীন রাখার জন্য ব্যাঙ্ক কর্মীদের প্রতি আবেদন রাখছে সরকার। 


SC/AC/NS…


(রিলিজ আইডি: 2313368) ভিজিটরের কাউন্টার : 5
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Urdu , Marathi , हिन्दी , Tamil , Malayalam