তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক"
আইআইএস কর্মকর্তারা শাসনব্যবস্থা ও নাগরিকদের প্রত্যাশার এক গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধকঃ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিব
‘ডিমড ইউনিভার্সিটি’ হিসেবে ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করে আইআইএস প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাদের প্রথমবারের মতো স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করল আইআইএমসি
পোস্ট করার দিনক্ষণ:
01 SEP 2026 3:29PM by PIB Agartala
নতুন দিল্লি, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ মাস কমিউনিকেশন (আইআইএমসি) আজ ইন্ডিয়ান ইনফরমেশন সার্ভিস (আইআইএস)-এর ২০০৯, ২০২৩ এবং ২০২৪ ব্যাচের ‘গ্রুপ এ’ অফিসার ট্রেইনিদের জন্য সমাপনী ও সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
এই অনুষ্ঠানটি আইআইএমসি এবং আইআইএস-এর জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে রইল; কারণ ‘ডিমড টু বি ইউনিভার্সিটি’-র মর্যাদা লাভের পর এই প্রথম আইআইএমসি কোনো আইআইএস অফিসার ট্রেইনিকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করল।
নির্ধারিত শিক্ষাগত ও পেশাগত শর্তাবলী সফলভাবে পূরণ করার পর অফিসার ট্রেইনিদের ‘পাবলিক কমিউনিকেশন অ্যান্ড গভর্নেন্স’-এ এমএ (এমএ) ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এই এমএ কর্মসূচি চালু করার বিষয়টি আইআইএস-এর পেশাগত প্রশিক্ষণের শিক্ষাগত দিকটিকে আরও শক্তিশালী করার এবং জনযোগাযোগ, গণমাধ্যম ও শাসনব্যবস্থা (গভর্নেন্স)-সংক্রান্ত অধ্যয়নকে সমন্বিত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
সমাপনী অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিব শ্রী চঞ্চল কুমার বলেন, জনযোগাযোগ হলো শাসনব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি ও প্ল্যাটফর্মের সাথে তাল মিলিয়ে এর বিবর্তন ঘটা আবশ্যক। তিনি উল্লেখ করেন যে, অফিসারদের উদীয়মান প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে; বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই -এর মতো প্রযুক্তি যেখানে পরিস্থিতি বদলে দিচ্ছে, গেম-চেঞ্জার হয়ে উঠছে, সেখানে ভুল তথ্য, ডিপফেক এবং কৃত্রিমভাবে তৈরি বিষয়বস্তু নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, যোগাযোগ হতে হবে একটি দ্বিমুখী প্রক্রিয়া, যেখানে নাগরিকদের মতামত নীতি ও তার বাস্তবায়নের মানোন্নয়নে সহায়তা করবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, কাজের গতি গুরুত্বপূর্ণ হলেও নির্ভুলতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার ক্ষেত্রে কোনো আপস করা চলবে না, কারণ প্রতিটি যোগাযোগের মাধ্যমেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ও কর্তৃত্ব প্রতিফলিত হয়।
তিনি আরও বলেন, কর্মকর্তাদের প্রতিনিয়ত নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতির সাথে সংযোগ বজায় রাখতে হবে। পাশাপাশি, যোগাযোগের বাইরেও যখন তাঁদের ওপর প্রশাসনের অন্য কোনো দায়িত্ব অর্পণ করা হবে, তখন সেসব বিষয় বুঝে নিয়ে তা পালনের জন্য তাঁদের প্রস্তুত থাকতে হবে। সর্বোপরি, তিনি বলেন, নাগরিকরাই হবেন সব কাজের কেন্দ্রবিন্দু৷ কর্মকর্তাদের সর্বদা বিবেচনা করতে হবে যে তাঁদের কার্যক্রম মানুষের- বিশেষ করে সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কোনো উপকারে আসছে কি না। যদি তা না হয়, তবে তাঁদের নতুন করে চিন্তা ও পরিকল্পনা করতে হবে এবং সর্বদা সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মানুষের সমস্যা ও উদ্বেগের বিষয়গুলো বিবেচনা করে তাদের সহায়তায় কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আইআইএমসি -এর উপাচার্য ড. প্রজ্ঞা পালিওয়াল গৌর বলেন, এই প্রশিক্ষণরত আধিকারিকরাই হলেন এই স্নাতকোত্তর (পিজি) ডিগ্রির প্রথম প্রাপক৷ এটি আইআইএমসি-র প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিকার শক্তিশালীকরণ এবং যোগাযোগ বিষয়ক পেশাগত প্রশিক্ষণের সাথে এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কেরই প্রতিফলন। তিনি বলেন, যোগাযোগ মানে কেবল তথ্য আদান-প্রদান নয়, বরং পারস্পরিক বোঝাপড়া গড়ে তোলা৷ তাই প্রশিক্ষণরত আধিকারিকদের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সংবেদনশীলতার সাথে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল এই ক্ষেত্রে নিরন্তর শেখার গুরুত্বের কথা এই এমএ ডিগ্রিটি মনে করিয়ে দেয়।

অনুষ্ঠানটিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব শ্রী প্রভাত; তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব শ্রী কে. কে. নিরালা; প্রশিক্ষণ বিভাগের মহানির্দেশক শ্রী এল. মধু নাগ; এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অনুষদ সদস্য ও প্রশিক্ষণরত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
*****
PS/DM/KMD
(প্রেস বিজ্ঞপ্তির আইডি: 2305577)
ভিজিটরদের কাউন্টার : 7
এই বিজ্ঞপ্তিটি পড়ুন এভাবে:
Gujarati
,
English
,
Urdu
,
हिन्दी
,
Assamese
,
Bengali
,
Odia
,
Tamil
,
Telugu
,
Kannada
,
Malayalam