কৃষিমন্ত্রক
শিবরাজ সিং চৌহান ১৮ অগাস্ট পুসায় ‘সপ্ত ধারা অফ শক্তি’ শপথ গ্রহণে নেতৃত্ব দেবেন
প্রকাশিত:
17 AUG 2026 3:22PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ১৭ অগাস্ট, ২০২৬
কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ এবং গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান ১৮ অগাস্ট নতুন দিল্লির পুসা ক্যাম্পাসে দুই মন্ত্রকের আধিকারিকদেরই শপথ বাক্য পাঠ করাবেন ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর বলা ‘সপ্ত ধারা অফ শক্তি’ অনুসরণে।
এই কর্মসূচিতে আলোকপাত করা হবে বিভিন্ন দফতরের পথ নির্দেশ, লাখপতি দিদির কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং কৃষক ও গ্রামীণ সমাজের স্বার্থ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ওপর। এই বৈঠকের লক্ষ্য ২০৪৭-এর মধ্যে বিকশিত ভারতের দর্শনকে কৃষি এবং গ্রামোন্নয়নের জন্য পরিষ্কার, কার্যকর পথ মানচিত্রে পরিবর্তন করা। প্রগতিশীল কৃষক, লাখপতি দিদি, কৃষি রপ্তানিকারক এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণকারীরা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
শ্রী চৌহান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর বলা ‘সপ্ত ধারা অফ শক্তি’ কৃষি এবং গ্রামীণ ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশ। তিনি বলেছেন সরকার, এই ভাবনাকে কাজে পরিণত করতে কাজ করবে মানবকেন্দ্রিক কর্মসূচি, স্বচ্ছ তদারকি এবং কার্যকর রূপায়ণের মাধ্যমে।
শ্রী চৌহান বলেছেন, “আমাদের লক্ষ্য কৃষক এবং গ্রামের মহিলারা যাতে সরাসরি উপকৃত হয়, তা নিশ্চিত করা এবং ২০৪৭-এর মধ্যে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যপূরণে আমাদের অবদান রাখা। এই লক্ষ্যে আমরা দফতরগুলির পথমানচিত্রগুলির সমীক্ষা করব এবং রূপায়ণে গতি আনতে কাজ করব।”
লালকেল্লা থেকে স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ‘সপ্ত ধারা অফ শক্তি’ –র কথা বলেছিলেন। কৃষি এবং খাদ্য উৎপাদনকে শক্তিশালী করা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের প্রসার এবং বিশ্ববাজারে প্রবেশের সুযোগ, যেগুলিকে বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী পুনর্বার এও বলেছিলেন, বিশ্ব সংকট এবং অনিশ্চয়তার মধ্যেও কৃষকদের ভর্তুকিতে সার দিতে সরকারের দায়বদ্ধতার কথা। তিনি তুলে ধরেছিলেন নতুন বিশ্ব বাজার তৈরি এবং কৃষকদের জন্য সুযোগ করে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বিশেষ করে, কৃষি এবং সামুদ্রিক পণ্য। প্রধানমন্ত্রী গত একদশকে দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা তুলে ধরেছিলেন, যে পদক্ষেপ নিশ্চিত করবে বিশ্ব অনিশ্চয়তার মধ্যে সার এবং জ্বালানির ক্ষেত্রে ভারতকে আত্মনির্ভর হয়ে উঠতে।
১৮ অগাস্টের বৈঠকে গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের লাখপতি দিদি কর্মসূচি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। তিন কোটি গ্রামীণ মহিলা ইতিমধ্যেই লাখপতি দিদি হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এই সংখ্যাকে ৬ কোটিতে নিয়ে যাওয়ার নতুন লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন। এই কর্মসূচির সম্প্রসারণ ও লক্ষ্যমাত্রা পূরণের পথমানচিত্রের রূপায়ণ নিয়ে আলোচনা করবেন শ্রী চৌহান। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের সাহায্য করা হয় আর্থিকভাবে এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করে। সরকার মনে করে গ্রামোন্নয়নে মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা বিশেষ প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীও নাগরিকদের মহিলাদের ক্ষমতাকে স্বীকৃতি দিতে, সম্মান জানাতে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের আরও বেশি সংখ্যায় অংশগ্রহণে সাহায্য করতে আহ্বান জানিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় বাজেটে শি-মার্টসের মতো উদ্যোগগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে মহিলা পরিচালিত সংস্থাগুলিকে বাজারের সুবিধা দিতে। শি-মার্টস এবং ব্র্যান্ডিং-এর মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রামীণ সংস্থাগুলিকে দেশে এবং দেশের বাইরের বাজারের সঙ্গে আরও বেশি করে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। মহিলাদের নেতৃত্বে গ্রামোন্নয়নে পরবর্তী পর্যায়ের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। তাই গ্রামীণ মহিলাদের তৈরি পণ্যের জন্য আরও বেশি করে বাজারের সুবিধা দেওয়া সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার।
SC/AP/SG..
(রিলিজ আইডি: 2300530)
ভিজিটরের কাউন্টার : 3