স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক
চান্দীপুরা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মোকাবিলায় যৌথ অনুসন্ধান দল
प्रविष्टि तिथि:
05 AUG 2026 12:07PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ৫ অগাস্ট ২০২৬
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক গুজরাট ও রাজস্থানে চান্দীপুরা ভাইরাসজনিত রোগের মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপগুলিকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে একটি 'ন্যাশনাল জয়েন্ট আউটব্রেক রেসপন্স টিম' পাঠিয়েছে। শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির দেশব্যাপী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ধারাবাহিক ও নিবিড় বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং 'ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল' (এনসিডিসি)-এর তত্ত্বাবধানে ও রাজ্যগুলির নজরদারি ইউনিটের সহযোগিতায় 'ইন্টিগ্রেটেড ডিজিজ সার্ভেইল্যান্স প্রোগ্রাম' (আইডিএসপি)-এর আওতায় রোগের নজরদারি জোরদার করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল, ভাইরাসটি সম্পর্কে আরও বিশদ জ্ঞান অর্জন করা, যেমন, এর সংক্রমণের ধরন, রোগের লক্ষণ ও প্রকৃতি (ক্লিনিক্যাল স্পেকট্রাম), মহামারী-সংক্রান্ত বৈশিষ্ট্য ও সম্ভাব্য চিকিৎসা পদ্ধতি এবং একই সঙ্গে তথ্য-প্রমাণ-ভিত্তিক জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়তা করা।
ন্যাশনাল জয়েন্ট আউটব্রেক রেসপন্স টিম এনসিডিসি
'ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ' এবং 'ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যানিমেল হাসব্যান্ড্রি অ্যান্ড ডেয়ারিং'-এর বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন। এই দলটি প্রাদুর্ভাবের কারণ অনুসন্ধান, মহামারী-সংক্রান্ত মূল্যায়ন, রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, গবেষণাগারের কাজের সমন্বয়, রোগের বাহক বা ভেক্টরের ওপর নজরদারি এবং জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দুই রাজ্য সরকারের প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে চান্দীপুরা ভাইরাসের বিষয়ে ব্যাপক বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের অংশ হিসেবেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই প্রাদুর্ভাবের কারণ ও প্রকৃতি অনুসন্ধানে গুজরাটের স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে নিবিড় সমন্বয় রেখে কাজ করছেন চেন্নাইয়ের আইসিএমআর-ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ এপিডেমিওলজি, পুদুচেরির আইসিএমআর-ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভেক্টর কন্ট্রোল রিসার্চ, পুনের আইসিএমআর-ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি, হায়দরাবাদের আইসিএমআর-ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর প্রি-ক্লিনিক্যাল রিসার্চ এবং বেঙ্গালুরুর আইসিএআর-ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভেটেরিনারি এপিডেমিওলজি অ্যান্ড ডিজিজ ইনফরমেটিক্স-এর বিশেষজ্ঞরা।
তাঁদের লক্ষ্য হল, চান্দীপুরা ভাইরাস সংক্রমণের শারীরিক লক্ষণ, অর্থাৎ মৃদু জ্বর থেকে শুরু করে অ্যাকিউট এনসেফালাইটিস সিনড্রোম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা এবং জনস্বাস্থ্য বিষয়ক পদক্ষেপগুলিকে আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা।
এই অনুসন্ধানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল, ভাইরাসটির সংক্রমণের চক্র উন্মোচন করা। যদিও স্যান্ডফ্লাই বা বালু-মাছি চান্দীপুরা ভাইরাসের সুপ্রতিষ্ঠিত বাহক হিসেবে পরিচিত। তবুও
মশা, এবং অতি ক্ষুদ্র পোকার মতো সন্ধিপদী প্রাণীরও এই সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষেত্রে কোনও ভূমিকা থাকছে কি না, তা বিজ্ঞানীরা খতিয়ে দেখছেন।
আক্রান্ত এলাকাগুলি থেকে সংগৃহীত বিপুল সংখ্যক বাহক-কীটপতঙ্গের নমুনা বর্তমানে ল্যাবরেটরিতে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
গৃহপালিত প্রাণীদের মধ্যে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ছে কি না, তা যাচাই করার জন্য প্রাণীদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পরীক্ষার জন্য গবাদি পশু (গরু, মোষ ও ছাগল)-এর রক্ত ও দুধের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এই পর্যন্ত প্রায় ৭০টি প্রাণীর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সেগুলিতে চান্দীপুরা ভাইরাস ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট রোগজীবাণু রয়েছে কি না, তা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
গুজরাটে ২০২৪ সালে চান্দীপুরা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষাকেও কাজে লাগানো হচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা ভাইরাসটির কোনও জিনগত পরিবর্তন হয়েছে কি না, তাও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। বর্তমান প্রাদুর্ভাব থেকে প্রাপ্ত ভাইরাসের নমুনার ‘জিনোম সিকোয়েন্সিং’-এর কাজ গান্ধীনগরের গুজরাট বায়োটেকনোলজি রিসার্চ সেন্টারে করা হচ্ছে। প্রাথমিক বিশ্লেষণে সামান্য কিছু জিনগত বৈচিত্র্য শনাক্ত করা গেছে; তবে বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি আগের প্রাদুর্ভাবের সময়কার স্ট্রেইন বা ধরন থেকে বিবর্তিত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে বিশদ তুলনামূলক জিনোমিক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
SC/MP/NS…
(रिलीज़ आईडी: 2294835)
आगंतुक पटल : 9