মন্ত্রীসভার অর্থনীতি বিষয়ক সংক্রান্ত কমিটি (সিসিইএ)
উত্তরপ্রদেশে বিওটি (টোল) মডেলে ৭,১৪৫.১৪ কোটি টাকা মূলধনী ব্যয়ে জাতীয় মহাসড়ক ৩৪ -এর কানপুর-কাবরাই অংশে ৪/৬ লেনের ‘প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রিত’ সড়ক নির্মাণের অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার
प्रविष्टि तिथि:
01 JUL 2026 3:09PM by PIB Agartala
নয়াদিল্লি, ০১ জুলাই, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরোহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি আজ ১১৭.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ কানপুর-কাবরাই 'প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রিত গ্রিনফিল্ড হাইওয়ে' নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে। এটি একটি চার-লেন বিশিষ্ট 'প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রিত' করিডর, ভবিষ্যতে এটিকে ছয়-লেনে উন্নীত করার মতো পরিকাঠামো রাখা হয়েছে। এটি 'ন্যাশনাল হাইওয়েজ (ও) প্রোগ্রাম'-এর আওতায় ভোপাল-কানপুর অর্থনৈতিক করিডরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ আনুমানিক ৭,১৪৫.১৪ কোটি টাকা মূলধনী ব্যয়ের এই প্রকল্পটি বিওটি (টোল) মডেলে বাস্তবায়িত করবে; এর পাশাপাশি জাতীয় মহাসড়ক-৩৪-এর কানপুর-কাবরাই অংশের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও এর অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এই প্রকল্পটি কানপুর ও কাবরাইয়ের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন ও দ্রুতগতির যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে এবং একইসঙ্গে সাগর, ভোপাল ও মধ্যপ্রদেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে সংযোগ আরও শক্তিশালী করবে। এর ফলে উত্তরপ্রদেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোর সাথে মধ্যপ্রদেশের খনিজ-সমৃদ্ধ ও কৃষিপ্রধান অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি আধুনিক 'প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রিত' অর্থনৈতিক করিডর তৈরি হবে।
ঘণ্টায় ৮০-১০০ কিলোমিটার গতিতে যান চলাচলের উপযোগী পরিকল্পিত এই করিডরটি কানপুর ও কাবরাইয়ের মধ্যে যাতায়াতের সময় ৩.৫ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ১.৫ ঘণ্টায় নামিয়ে আনবে। পাশাপাশি এটি সড়ক নিরাপত্তা বাড়াবে, যানবাহনের পরিচালন ব্যয় কমাবে এবং যাত্রী ও পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে গতিশীলতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করবে। প্রকল্পটি জাতীয় মহাসড়ক-৩৪, জাতীয় মহাসড়ক-৩৫, বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়ে, কানপুর রিং রোড এবং রাজ্য মহাসড়ক-৪৬, রাজ্য মহাসড়ক-৯১, রাজ্য মহাসড়ক-১০বি ও রাজ্য মহাসড়ক-৪২-এর সঙ্গে কৌশলগত সংযোগ স্থাপন করবে, এতে আঞ্চলিক মহাসড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে সমন্বয় আরও শক্তিশালী হবে। এছাড়া, এই করিডরটি কাবরাই খনিজ অঞ্চল পর্যন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা জোরদার করবে, যার ফলে খনিজ সম্পদ, শিল্পপণ্য, নির্মাণ সামগ্রী ও কৃষিপণ্যের পরিবহণ সহজতর হবে এবং লজিস্টিকস দক্ষতা, সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিস্থাপকতা ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন বৃদ্ধি পাবে। 'পিএম গতিশক্তি ন্যাশনাল মাস্টার প্ল্যান'-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, এই প্রকল্পটি উন্নাও, বানথার, পাংখি, রানিয়া, জৈনপুর, রুমা, চকেরি, সুমেরপুর ও ভুরাগড় শিল্প এলাকা, ট্রান্স গঙ্গা ইন্টিগ্রেটেড টাউনশিপ, গ্রোথ সেন্টার জয়পুর, কানপুর নগর নোড এবং বেঙ্গল কেমিক্যালস অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের মতো ১৬টি অর্থনৈতিক কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করবে। এছাড়া এটি ফতেহপুর, মহোবা, কানপুর চিড়িয়াখানা, বুদ্ধ পার্ক, জে.কে. মন্দির ও উদ্যান, রাধাকৃষ্ণ মন্দির, সিদ্ধেশ্বর মহাদেব মন্দির, গোপেশ্বর মন্দির ও মহোবা পর্যটন কেন্দ্রের মতো ৯টি সামাজিক কেন্দ্র এবং কানপুর, ঘাটামপুর, হামিরপুর, মহোবা, কাবরাই, ভারওয়া সুমেরপুর ও বান্দা রেলওয়ে স্টেশনের মতো ১০টি লজিস্টিকস কেন্দ্রের সঙ্গেও যোগাযোগ ব্যবস্থা জোরদার করবে।
সামগ্রিকভাবে, এই প্রকল্পটি 'পিএম গতিশক্তি'-র সঙ্গে সাযুজ্য রেখে বুন্দেলখণ্ড এবং উত্তর প্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশের সংলগ্ন অঞ্চলগুলোতে লজিস্টিকস সংক্রান্ত সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পোন্নয়ন ও অর্থনৈতিক বিকাশ ত্বরান্বিত করবে।
কর্মসংস্থানের দিক থেকে নির্মাণকাজ চলাকালীন এই প্রকল্পটি প্রতি কিলোমিটারের প্রতি লেনের জন্য প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ১১,১৮৮ শ্রমদিবস এবং পরোক্ষভাবে ১৩,৯৮৫ শ্রমদিবস সৃষ্টি করবে। এছাড়া ২০২৮ অর্থবছর নাগাদ এখানে দৈনিক গড়ে প্রায় ১৮,০৬৯টি 'প্যাসেঞ্জার কার ইউনিট' (PCU) বা সমতুল্য যানবাহন চলাচলের (AADT) পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা এর দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক, লজিস্টিকস ও পরিবহণ সংক্রান্ত গুরুত্বকে তুলে ধরে। এভাবেই প্রস্তাবিত প্রকল্পটি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১.২ কোটি শ্রমদিবস সৃষ্টি করবে বলে মনে করা হছে।
*****
PS/Agt
(रिलीज़ आईडी: 2279946)
आगंतुक पटल : 9
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें:
Urdu
,
Odia
,
English
,
Marathi
,
हिन्दी
,
Bengali
,
Assamese
,
Manipuri
,
Punjabi
,
Gujarati
,
Tamil
,
Telugu
,
Kannada
,
Malayalam