কৃষিমন্ত্রক
এল নিনো নিয়ে সতর্ক কেন্দ্র; কৃষকদের স্বার্থ যে কোনো মূল্যে সুরক্ষিত রাখা হবে : শিবরাজ সিং চৌহান
प्रविष्टि तिथि:
02 JUN 2026 8:46PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ২ জুন, ২০২৬
কেন্দ্রীয় কৃষি, কৃষককল্যাণ ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী শিবরাজ সিং চৌহান দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু, এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব, জলের প্রাপ্যতা, বীজের ব্যবস্থাপনা, ফসল কৌশল এবং বিভিন্ন রাজ্যের প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন দিল্লিতে এক সর্বাত্মক পর্যালোচনা বৈঠক করেন। এই উচ্চস্তরীয় বৈঠকে শ্রী চৌহান সংশ্লিষ্ট সমস্ত কেন্দ্রীয় দপ্তর ও রাজ্য সরকারগুলিকে স্পষ্ট নির্দেশিকা দিয়েছেন যে অগ্রিম পরিকল্পনা এবং উন্নত সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। যে কোনরকম বিরূপ জলবায়ু পরিস্থিতিতে কৃষকরা যাতে সময়মতো পরামর্শ, উপযুক্ত বীজ, বিকল্প ফসলের সংস্থান এবং জল ব্যবস্থাপনার সহায়তা পেতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন যে কৃষকদের উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। সরকার সতর্ক থেকে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল, কৃষক এবং কৃষিকাজের ওপর জলবায়ুগত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করা।
নতুন দিল্লির কৃষি ভবনে কৃষি এবং কৃষককল্যাণ দপ্তর পরিচালিত এই পর্যালোচনা বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সমস্ত দপ্তরের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন যে, কৃষক স্বার্থ সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। এল নিনো-র সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় অগ্রিম যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে হবে।
বৈঠকে আরও জানানো হয় যে, জলবায়ু দপ্তর বলেছে ২০২৬-এ স্বাভাবিকের থেকে ১০ শতাংশ কম বৃষ্টি হবে। ফলে কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত রাজ্যগুলিকে অগ্রিম প্রস্তুতি নিতে এবং সতর্ক থাকতে বলেছে। কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে উন্নত জল ব্যবস্থাপনা, সেচের সুযোগ প্রসারে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং জলবায়ু সহিষ্ণু কৃষি পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে যাতে বৃহত্তর ক্ষেত্রে এই সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যায়।
শ্রী চৌহান বলেন যে, বর্তমানে দেশের জলাধারগুলিতে জলস্তর সন্তোষজনক রয়েছে যা খরিফ মরশুমে সেচের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম। তিনি বলেন, বৃষ্টিপাত কম হলে রাজ্যগুলিকে অগ্রিম সতর্কতা গ্রহণ করতে হবে। ভূগর্ভস্থ জলস্তরের বিষয়টিতেও নজরদারি রাখতে হবে। মন্ত্রী বলেন, কেবলমাত্র কম বৃষ্টিই নয়, এল নিনো-র দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবেরও পর্যালোচনা করা জরুরি। তিনি এলাকা-ভিত্তিক ও ফসল-ভিত্তিক কৌশল গ্রহণের ওপরও জোর দিয়েছেন। কম বৃষ্টিতে যে সমস্ত ফসল হয়, সেগুলি উৎপাদনে জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
খরিফ ও রবি মরশুমের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ বীজ রয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন যে বীজ নিম্নমানের হলে তাতে নেতিবাচক ফল পড়তে পারে। জলাধারগুলি থেকে জল ব্যবহার বিজ্ঞানসম্মতভাবে এবং অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে করতে হবে। সীমিত জলেও যাতে বেশি সংখ্যক ফসল চাষ করা সম্ভব হয় এবং কৃষকরা উপকৃত হন, তার ব্যবস্থা নিতে হবে।
বিরূপ জলবায়ু পরিস্থিতিতে রোগ এবং কীটের প্রভাব বাড়তে পারে। সে ব্যাপারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। উপযুক্ত নজরদারি প্রয়োজন। সমস্ত দপ্তরগুলিকে তথ্য ভাগাভাগি করে নিয়ে যৌথ সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করার ওপর জোর দিয়েছে তিনি।
শ্রী চৌহান বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য কেবলমাত্র সম্ভাব্য ঝুঁকির মূল্যায়নই নয়, বরং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ যাতে কৃষকদের মধ্যে আস্থার মনোভাব অটুট থাকে এবং কৃষিকাজ খরিফ মরশুমে কোনরকমভাবে ব্যাহত না হয়। সমস্ত অংশীদারদের মধ্যে দৃঢ় সমন্বয়ের ভিত্তিতে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করার ওপর বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
SC/AB/DM
(रिलीज़ आईडी: 2268308)
आगंतुक पटल : 4