নির্বাচনকমিশন
সাধারণ নির্বাচন ও উপনির্বাচন, ২০২৬
তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গে (প্রথম পর্যায়) ফর্ম ১৭এ-এর স্ক্রুটিনি সম্পন্ন
প্রকাশিত:
25 APR 2026 11:56AM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
• ভোটকেন্দ্রে কোনও অনিয়ম বা কারচুপির ঘটনা ঘটলে, তা শনাক্ত করতে এবং প্রয়োজনে পুনরায় ভোটের সুপারিশ করতে - ফর্ম ১৭এ (ভোটারদের রেজিস্টার), ভোটের দিনের অন্যান্য নথিপত্র ও রেকর্ডসমূহের ভোট-পরবর্তী স্ক্রুটিনির বিষয়ে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে।
• সেই অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের (প্রথম দফা) যে ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে (এসি) ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল, সেগুলির সবকটিতেই নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজটি ২৪ এপ্রিল অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই যাচাই-বাছাইয়ের কাজটি রিটার্নিং অফিসাররা (আরও) পরিচালনা করেন এবং এ সময় সাধারণ পর্যবেক্ষক (জিও) এবং ৬০০-এরও বেশি প্রার্থী বা তাঁদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
• পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ নির্বাচনের প্রথম দফায় স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুবিধার্থে ১,৪৭৮ জন প্রার্থীকেই স্ক্রুটিনির তারিখ, সময় এবং স্থান সম্পর্কে আগেই অবহিত করা হয়েছিল। ২০২৬ সালের ২৩ এপ্রিল যে ৪৪,৩৭৬টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছিল, সেগুলির কোনওটিতেই পুনরায় ভোটের সুপারিশ করা হয়নি।
• একইভাবে, তামিলনাড়ুর যে ২৩৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে (এসি) ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল, সেগুলির সবকটিতেই নথিপত্র যাচাইয়ের কাজটি ২৪ এপ্রিল অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই যাচাই-বাছাইয়ের কাজটি রিটার্নিং অফিসাররা (আরও) পরিচালনা করেন এবং এ সময় সাধারণ পর্যবেক্ষক (জিও) এবং ১,৮২৫ জন প্রার্থী বা তাঁদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
• তামিলনাড়ুর সাধারণ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুবিধার্থে ৪,০২৩ জন প্রার্থীকেই যাচাই-বাছাইয়ের তারিখ, সময় এবং স্থান সম্পর্কে আগেই অবহিত করা হয়েছিল। ২৩ এপ্রিল যে ৭৫,০৬৪টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল, সেগুলির কোনওটিতেই পুনরায় ভোটের সুপারিশ করা হয়নি।
• উভয় রাজ্যের ক্ষেত্রেই এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটির ভিডিও রেকর্ডিং করা হয়েছে।
• ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট মেশিনগুলি 'স্ট্রং রুম'-এ অত্যন্ত সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
• ইভিএম স্ট্রং রুমগুলির জন্য ব্যাপক সুরক্ষার আয়োজন করা হয়েছে; এর মধ্যে রয়েছে দুটি-তালা ব্যবস্থা, দিনরাত ২৪ ঘণ্টা দ্বিস্তরীয় নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন এবং স্ট্রং রুমগুলির দরজা ও করিডোর সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখা।
• রিটার্নিং অফিসারদের (আরও) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা যেন দিনে দুবার স্ট্রং রুমগুলি পরিদর্শন করেন এবং সেখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাচাই করে দেখেন; অন্যদিকে, জেলা নির্বাচন অফিসাররা (ডিইও) সদর দপ্তরে অবস্থিত স্ট্রং রুমগুলি দিনে একবার এবং সদর দপ্তরের বাইরে অবস্থিত স্ট্রং রুমগুলি প্রতি ৩-৪ দিনে একবার পরিদর্শন করবেন।
• প্রার্থীদের প্রতিনিধিদেরও স্ট্রং রুমগুলির ওপর নজরদারি রাখার সুবিধার্থে স্ট্রং রুম যে ভবনে অবস্থিত, তার প্রাঙ্গণে শিবির স্থাপন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
SC/MP/AS
(রিলিজ আইডি: 2255540)
ভিজিটরের কাউন্টার : 8