পঞ্চায়েতিরাজমন্ত্রক
জাতীয় পঞ্চায়েতি রাজ দিবসে জনপ্রতিনিধিদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর
প্রকাশিত:
24 APR 2026 7:19PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রক আজ নতুন দিল্লিতে 'জাতীয় পঞ্চায়েতি রাজ দিবস' উদযাপন উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের সরকারি আধিকারিকরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী পঞ্চায়েতি রাজ দিবস উপলক্ষে সারা দেশের জন প্রতিনিধিদের শুভেচ্ছা জানান। শ্রী মোদী বলেন, "জনসেবা এবং দেশসেবার প্রতি আপনাদের নিষ্ঠা সত্যিই সবার কাছে প্রেরণাদায়ক।" প্রধানমন্ত্রীর লিখিত বার্তাটি এই জাতীয় অনুষ্ঠানে পাঠ করে শোনানো হয় এবং দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ স্থানীয় সংস্থাগুলির নির্বাচিত প্রতিনিধি ও পদাধিকারীদের মধ্যে বিলি করা হয়।
পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকের কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক এস. পি. সিং বাঘেল অনুষ্ঠানে বলেন, ভারতের গ্রামীণ এলাকার সুস্থায়ী উন্নয়নের ক্ষেত্রে পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠানগুলি মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পঞ্চায়েতগুলির ক্ষমতায়ন করা হলো 'বিকশিত ভারত'-এর স্বপ্নের বাস্তবায়নের মূল চাবিকাঠি – যে স্বপ্ন মূলত গ্রাম, কৃষক এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উন্নয়নের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাবের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন যে, এই উদ্যোগের ফলে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের - বিশেষ করে নারীদের - নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। তৃণমূল স্তরে পরিষেবা প্রদানের ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে স্বচ্ছ শাসনব্যবস্থা এবং সরাসরি সুবিধা হস্তান্তরের ভূমিকারও তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেন।
পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রকের সচিব শ্রী বিবেক ভরদ্বাজ ষোড়শ অর্থ কমিশনের সুপারিশের মাধ্যমে গ্রামীণ স্থানীয় সংস্থাগুলির উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষমতায়নের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন যে, প্রস্তাবিত এই অনুদানটি পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের বরাদ্দকৃত অর্থের তুলনায় প্রায় ৮৪ শতাংশ বেশি, যা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর এক সুদৃঢ় অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।
তিনি ষোড়শ অর্থ কমিশনের প্রস্তাব করা 'কর্মদক্ষতা-ভিত্তিক অনুদান'-এর বিধানটির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, যা মূলত পঞ্চায়েতগুলির নিজস্ব উৎস থেকে রাজস্ব সংগ্রহের সক্ষমতার সাথে যুক্ত। একইসাথে তিনি পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠানগুলিকে এই 'কর্মদক্ষতা-ভিত্তিক অনুদান' পাওয়ার লক্ষ্যে নিজস্ব রাজস্বের উৎসগুলি চিহ্নিত ও বৃদ্ধি করার জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
এই বিশেষ অনুষ্ঠানে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য 'পঞ্চায়েত অগ্রগতি সূচক ২.০' প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। পিএআই ২.০-এর আওতায় মূল্যায়নের সূচক সংখ্যা ৫১৬টি থেকে কমিয়ে ১৫০টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে। এই মূল্যায়নে দেশের ৩৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৯৭.৩০ শতাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত অংশগ্রহণ করেছে।
অনুষ্ঠানে ‘পঞ্চায়েত ধরোহর উদ্যোগ’-এর আওতায় তিনটি সচিত্র পুস্তক প্রকাশ করা হয়; এগুলির মধ্যে ছিল - ত্রিপুরার গ্রামীণ ঐতিহ্য বিষয়ক একটি মনোগ্রাফ, তিরুপতির গ্রামীণ ঐতিহ্য বিষয়ক একটি মনোগ্রাফ এবং ‘উত্তরকাশী: সৌম্য কাশী: হিমালয় ঐতিহ্যের প্রাণসত্তা’ শীর্ষক একটি প্রকাশনা। পঞ্চায়েতি রাজ দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে রাজ্য, জেলা, ব্লক এবং গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে ‘গ্রাম সভা’-র আয়োজন করা হয়।
SC/MP/AS
(রিলিজ আইডি: 2255482)
ভিজিটরের কাউন্টার : 5