পেট্রোলিয়ামওপ্রাকৃতিকগ্যাসমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর সাম্প্রতিক অবস্থা

প্রকাশিত: 18 APR 2026 5:07PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি ১৮ এপ্রিল ২০২৬

 

পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে, ভারত সরকার সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে প্রস্তুতি এবং ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জ্বালানি সরবরাহ, সামুদ্রিক কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তার জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলোর বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:

 

**জ্বালানি সরবরাহ এবং জ্বালানির প্রাপ্যতা**

 

হরমুজ প্রণালী সংশ্লিষ্ট বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক সারা দেশে পেট্রোলিয়াম পণ্য এবং এলপিজি-র নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী:

 

**জনসাধারণের জন্য পরামর্শ এবং সচেতনতা**

 

 * নাগরিকদের পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি আতঙ্কিত হয়ে মজুত না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, কারণ সরকার এগুলোর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

 * গুজবে কান দেবেন না এবং সঠিক তথ্যের জন্য সরকারি সূত্রের ওপর নির্ভর করুন।

 * এলপিজি গ্রাহকদের ডিজিটাল বুকিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার এবং ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে যাওয়া এড়ানোর অনুরোধ করা হচ্ছে।

 * নাগরিকদের পিএনজি (PNG) এবং ইলেকট্রিক বা ইন্ডাকশন কুকটপ-এর মতো বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

 * বর্তমান পরিস্থিতিতে দৈনন্দিন জীবনে শক্তি সংরক্ষণের জন্য সমস্ত নাগরিককে অনুরোধ করা হচ্ছে।

 

**সরকারি প্রস্তুতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা**

 

 * ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও সরকার গার্হস্থ্য এলপিজি, গার্হস্থ্য পিএনজি এবং সিএনজি (পরিবহন) ক্ষেত্রে ১০০% সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।

 * বাণিজ্যিক এলপিজি-র ক্ষেত্রে হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও ফার্মা, ইস্পাত, অটোমোবাইল, বীজ, কৃষি ইত্যাদিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির এফটিএল (FTL) সিলিন্ডারের সরবরাহ মার্চ মাসের শুরুর গড় দৈনিক সরবরাহের তুলনায় দ্বিগুণ করা হয়েছে।

 * সরকার সরবরাহ ও চাহিদা উভয় দিকেই বেশ কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে, যার মধ্যে শোধনাগারের উৎপাদন বৃদ্ধি, শহরাঞ্চলে বুকিংয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে ২৫ দিন এবং গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিন করা এবং সরবরাহের জন্য নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া অন্তর্ভুক্ত।

 * এলপিজি-র ওপর চাপ কমাতে কেরোসিন ও কয়লার মতো বিকল্প জ্বালানি সহজলভ্য করা হয়েছে।

 * কয়লা মন্ত্রক কোল ইন্ডিয়া ও সিঙ্গারেণী কোলিয়ারিজ-কে ক্ষুদ্র ও মাঝারি গ্রাহকদের জন্য অতিরিক্ত কয়লা সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে।

 * রাজ্যগুলোকে গার্হস্থ্য ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের জন্য নতুন পিএনজি সংযোগ সহজতর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

**রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার সাথে সমন্বিত প্রচেষ্টা**

 

 * অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন ১৯৫৫ এবং এলপিজি নিয়ন্ত্রণ আদেশ ২০০০-এর অধীনে রাজ্য সরকারগুলো সরবরাহ তদারকি এবং মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে ব্যবস্থা নিতে ক্ষমতা প্রাপ্ত।

 * পেট্রোল, ডিজেল ও এলপিজি-সহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও তদারকিতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোকে প্রাথমিক ভূমিকা পালন করতে হবে। ভারত সরকার একাধিক চিঠি এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই বিষয়টি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।

 * ভারত সরকার ২৭.০৩.২০২৬ এবং ০২.০৪.২০২৬ তারিখের চিঠির মাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানি সম্পর্কে নাগরিকদের আশ্বস্ত করতে সক্রিয় প্রচারের ওপর জোর দিয়েছে। ২ এবং ৬ এপ্রিলের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোতে জোর দেওয়া হয়েছে:

   * প্রতিদিন প্রেস ব্রিফিং এবং নিয়মিত গণ-পরামর্শ প্রদান করা।

   * সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া খবর বা অপপ্রচার সক্রিয়ভাবে মোকাবিলা করা।

   * জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এনফোর্সমেন্ট ড্রাইভ জোরদার করা এবং তেল বিপণন সংস্থাগুলোর (OMCs) সাথে সমন্বয়ে তল্লাশি ও পরিদর্শন অব্যাহত রাখা।

   * রাজ্যগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক এলপিজি এবং অতিরিক্ত কেরোসিন (SKO) বরাদ্দের আদেশ জারি করা।

   * পিএনজি এবং বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার উৎসাহিত করা।

   * সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডারের লক্ষ্যভিত্তিক বিতরণের ব্যবস্থা করা।

 * সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে কন্ট্রোল রুম এবং জেলা মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে।

 * অনেক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং করছে।

 

**এনফোর্সমেন্ট এবং মনিটরিং কার্যক্রম**

 

 * এলপিজি মজুতদারি ও কালোবাজারি রুখতে ১৭.০৪.২০২৬ তারিখে দেশজুড়ে ২,৫০০-এর বেশি তল্লাশি চালানো হয়েছে, যেখানে ৭৫০-এর বেশি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

 * রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলো আকস্মিক পরিদর্শন জোরদার করেছে এবং গতকাল পর্যন্ত ২৬৩টি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরশিপের ওপর জরিমানা আরোপ করেছে এবং ৬৭টি ডিস্ট্রিবিউটরশিপ স্থগিত করেছে।

 

**এলপিজি সরবরাহ**

 

**গার্হস্থ্য এলপিজি সরবরাহের অবস্থা:**

 

 * বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এলপিজি সরবরাহ প্রভাবিত হচ্ছে।

 * সাধারণ পরিবারগুলোতে এলপিজি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

 * কোনো ডিস্ট্রিবিউটরশিপে 'ড্রাই-আউট' (মজুত শূন্য হওয়া) রিপোর্ট করা হয়নি।

 * গতকাল পর্যন্ত অনলাইন এলপিজি বুকিং শিল্পজুড়ে প্রায় ৯৮% পর্যন্ত ছিল।

 * পাচার রোধে ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড (DAC) ভিত্তিক সরবরাহ ৯৩%-এর বেশি বজায় রাখা হয়েছে।

 * বুকিংয়ের বিপরীতে গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

 * ১৭.০৪.২০২৬ তারিখে ৫২ লক্ষেরও বেশি গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে।

**বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ এবং বরাদ্দ ব্যবস্থা:**

 * মোট বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ সংকট-পূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় ৭০% পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, যার মধ্যে ১০% সংস্কার-সংযুক্ত বরাদ্দ অন্তর্ভুক্ত।

 * পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডারের দৈনিক সরবরাহ দ্বিগুণ করা হয়েছে।

 * ৩রা এপ্রিল ২০২৬ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলো ৫ কেজি সিলিন্ডারের জন্য ৬,৪৫০-এর বেশি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করেছে, যেখানে ৯০,০০০-এর বেশি সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে। গতকালই ৩০০-র বেশি শিবিরের মাধ্যমে ১০,১৫৬টি ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।

 * গত ১৭ই এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রাজস্থানের আলওয়ারের ভিওয়াড়িতে আইওসিএল (IOCL) আয়োজিত একটি সচেতনতা শিবিরে ৬০০-র বেশি সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।

 * ২৩ মার্চ ২০২৬ থেকে এখন পর্যন্ত ১৭.২৫ লক্ষেরও বেশি ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি করা হয়েছে।

 * আইওসিএল, এইচপিসিএল এবং বিপিসিএল-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টরদের নিয়ে গঠিত একটি তিন সদস্যের কমিটি বাণিজ্যিক এলপিজি বিতরণের পরিকল্পনা করছে।

 * ১৭.০৪.২০২৬ তারিখে ৮,২১৬ মেট্রিক টন (যা ৪.৩২ লক্ষেরও বেশি ১৯ কেজি সিলিন্ডারের সমান) বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে।

 * ১৪ মার্চ ২০২৬ থেকে মোট ১,৫৮,৫৮৩ মেট্রিক টন (যা ৮৩.৪৬ লক্ষেরও বেশি ১৯ কেজি সিলিন্ডারের সমান) বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ৯,২০০ মেট্রিক টনের বেশি অটো এলপিজি রয়েছে।

 * এপ্রিল মাসে অটো এলপিজি বিক্রির দৈনিক গড় ৩০১ মেট্রিক টন, যা ফেব্রুয়ারি মাসের (১৭৭ মেট্রিক টন) তুলনায় অনেক বেশি।

 * অটো এলপিজি বিক্রয় বেসরকারি থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলোর দিকে ঝুঁকেছে এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলোর বিক্রি ৭০% বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, রাজস্থান এবং পশ্চিমবঙ্গে এই বৃদ্ধি বেশি দেখা গেছে।

 

**প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ এবং পিএনজি সম্প্রসারণ উদ্যোগ**

 

 * গার্হস্থ্য পিএনজি এবং সিএনজি (পরিবহন) ক্ষেত্রে ১০০% সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

 * সার কারখানাগুলোতে গ্যাসের বরাদ্দ বাড়িয়ে প্রায় ৯৫% করা হয়েছে।

 * অন্যান্য শিল্প ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে সরবরাহ ৮০% পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

 * সিজিডি (CGD) সংস্থাগুলোকে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও ক্যান্টিনগুলোতে পিএনজি সংযোগে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।

 * আইজিএল (IGL), এমজিএল (MGL), গেইল গ্যাস (GAIL Gas) এবং বিপিসিএল পিএনজি সংযোগের জন্য ইনসেনটিভ দিচ্ছে।

 * রাজ্য ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলোকে সিজিডি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন দ্রুত দিতে বলা হয়েছে।

 * বর্তমানে ২২টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পিএনজি সম্প্রসারণ সংস্কারের সাথে যুক্ত অতিরিক্ত বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ পাচ্ছে।

 * সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রক সিজিডি অবকাঠামোর অনুমোদনের সময়সীমা কমিয়ে ৩ মাসের জন্য বিশেষ ফ্রেমওয়ার্ক গ্রহণ করেছে।

 * ভারত সরকার ২৪.০৩.২০২৬ তারিখে 'প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বিতরণ আদেশ ২০২৬' বিজ্ঞপ্তিভুক্ত করেছে, যা পাইপলাইন স্থাপনের অনুমোদন দ্রুত করবে।

 * পিএনজিআরবি (PNGRB) 'ন্যাশনাল পিএনজি ড্রাইভ ২.০' ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত বাড়িয়েছে।

 * শক্তি নিরাপত্তা জোরদার করতে সরকার একটি মডেল ড্রাফট 'স্টেট সিবিজি (CBG) পলিসি' তৈরি করেছে।

 * পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক সিজিডি অবকাঠামোর জন্য ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি (Consent) প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে।

 * কিছু তেল ও গ্যাস পরিবহনের পাইপলাইনকে 'গ্রিন' ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 * মার্চ ২০২৬ থেকে ৪.৭৬ লক্ষেরও বেশি পিএনজি সংযোগে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে এবং ৫.৩৩ লক্ষ অতিরিক্ত গ্রাহক নতুন সংযোগের জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন।

 * ১৭.০৪.২০২৬ পর্যন্ত ৩৭,৫০০-এর বেশি গ্রাহক MYPNGD.in ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের এলপিজি সংযোগ সমর্পণ করে পিএনজি গ্রহণ করেছেন।

 

**অপরিশোধিত তেলের অবস্থা এবং শোধনাগার কার্যক্রম**

 

 * সমস্ত শোধনাগার পর্যাপ্ত মজুত নিয়ে উচ্চ ক্ষমতায় কাজ করছে এবং পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখা হয়েছে।

 * অভ্যন্তরীণ ব্যবহার মেটাতে শোধনাগার থেকে এলপিজি উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে।

 * অভ্যন্তরীণ বাজারের জন্য পেট্রোকেমিক্যাল ফিডস্টক সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি আন্তঃমন্ত্রক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ (JWG) গঠন করা হয়েছে।

 * ফার্মা ও রাসায়নিক ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর জন্য এলপিজি পুল থেকে দৈনিক ১০০০ মেট্রিক টন সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৯ এপ্রিল থেকে প্রায় ৩২০০ মেট্রিক টন প্রোপিলিন বিক্রি হয়েছে।

 

**খুচরা জ্বালানি প্রাপ্যতা এবং মূল্য ব্যবস্থা**

 

 * সারা দেশে রিটেইল আউটলেটগুলো স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।

 * গ্রাহকদের সুরক্ষায় ভারত সরকার পেট্রোল ও ডিজেলে লিটার প্রতি ১০ টাকা অন্তঃশুল্ক কমিয়েছে।

 * ১১.০৪.২০২৬ তারিখের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ডিজেল ও এটিএফ-এর ওপর রপ্তানি শুল্ক বাড়ানো হয়েছে যাতে অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রাপ্যতা নিশ্চিত হয়।

 * রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলোর খুচরা দোকানে পেট্রোল ও ডিজেলের দামে কোনো বৃদ্ধি করা হয়নি।

 

**কেরোসিনের প্রাপ্যতা এবং বিতরণ ব্যবস্থা**

 

 * নিয়মিত বরাদ্দের অতিরিক্ত ৪৮,০০০ কিলো লিটার কেরোসিন প্রদান করা হয়েছে। ১৮টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ইতিমধ্যে বিতরণের আদেশ জারি করেছে।

 

**সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং জাহাজ চলাচল**

 

 * বন্দর, জাহাজ চলাচল এবং জলপথ মন্ত্রক ভারতীয় জাহাজ ও নাবিকদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।

 * অঞ্চলে থাকা সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদ এবং গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো ভারতীয় জাহাজের দুর্ঘটনার খবর নেই।

 * শিপিং কন্ট্রোল রুম সক্রিয় হওয়ার পর থেকে ৬,৮২৭টি কল এবং ১৪,২৬৬টির বেশি যোগাযোগ পরিচালনা করেছে।

 * এখন পর্যন্ত ২,৪৮৭ জন ভারতীয় নাবিককে নিরাপদে স্বদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ জন রয়েছেন।

 * ভারতজুড়ে বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো জট নেই।

 

**অঞ্চলে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা**

 

 * বিদেশ মন্ত্রক উপসাগরীয় ও পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং ভারতীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

 * ভারতীয় মিশন এবং পোস্টগুলো চব্বিশ ঘণ্টা হেল্পলাইন পরিচালনা করছে এবং নাগরিকদের সহায়তা দিচ্ছে। তারা স্থানীয় সরকারগুলোর সাথে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে।

 * নিয়মিতভাবে হালনাগাদ করা পরামর্শ (advisories) জারি করা হচ্ছে।

 * মিশনগুলো অঞ্চলে থাকা ভারতীয় নাবিকদের সবরকম সহায়তা দিচ্ছে এবং প্রয়োজনে ভারতে ফেরার ব্যবস্থা করছে।

 * যে সব দেশের আকাশপথ খোলা রয়েছে সেখান থেকে ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত আছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় ১০,৬৮,০০০ যাত্রী ওই অঞ্চল থেকে ভারতে ফিরেছেন।

 * সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ভারতে আজ প্রায় ১১০টি ফ্লাইট প্রত্যাশিত।

 * কাতারের আকাশপথ আংশিক খোলা থাকায় আজ প্রায় ১০ থেকে ১১টি ফ্লাইট প্রত্যাশিত।

 * কুয়েত এবং বাহরিনের আকাশপথের পরিস্থিতি অনুযায়ী সৌদি আরবের দাম্মাম বিমানবন্দরের মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকদের যাতায়াত সহজতর করা হচ্ছে।

 * তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এখন পর্যন্ত ২,৩৭৩ জন ভারতীয় নাগরিককে (যার মধ্যে ১০৪১ জন ছাত্র এবং ৬৫৭ জন মৎস্যজীবী) ইরান থেকে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মাধ্যমে ভারতে পাঠাতে সহায়তা করেছে।

 * ইজরায়েলের আকাশপথ আংশিকভাবে খোলা; জর্ডান ও মিশরের মাধ্যমে নাগরিকদের যাতায়াত সহজতর করা হচ্ছে।

 

SC/PK


(রিলিজ আইডি: 2253363) ভিজিটরের কাউন্টার : 9
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Urdu , Marathi , हिन्दी , Assamese , Gujarati , Tamil , Kannada , Malayalam