আয়ুষ
azadi ka amrit mahotsav

বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ২-দিনব্যাপী মতবিনিময় সভার উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী প্রতাপরাও যাদব

প্রকাশিত: 09 APR 2026 11:39AM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ৯ এপ্রিল ২০২৬

 

আয়ুষ মন্ত্রক আগামী ১০ই এপ্রিল বিজ্ঞান ভবনে বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস ২০২৬ উদযাপন করবে। এই উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী একটি আলোচনা সভারও আয়োজন করা হবে। এই আলোচনা সভায় শীর্ষস্থানীয় নীতি নির্ধারক, গবেষক, চিকিৎসক এবং প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে টেকসই স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির ক্রমউন্নয়নমূলক ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন।

 

“টেকসই স্বাস্থ্যের জন্য হোমিওপ্যাথি” এই বিষয়কে কেন্দ্র করে এবারের আলোচনায় কীভাবে হোমিওপ্যাথি স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি সামগ্রিক, সাশ্রয়ী এবং পরিবেশগতভাবে দায়িত্বশীল পন্থা প্রদান করে তুলে ধরা হবে। এটি সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং রাষ্ট্রসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মতো আন্তর্জাতিক অগ্রাধিকারমূলক বিষয় বিশেষত সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ বিষয়ক এসডিজি ৩-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

 

এই অনুষ্ঠানে থাকবেন আয়ুষ মন্ত্রকের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শ্রী প্রতাপরাও যাদব ও আয়ুষ মন্ত্রকের সচিব বৈদ্য রাজেশ কোটেচা। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঊর্ধ্বতন সরকারি আধিকারিক এবং বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত থাকবেন।

 

সেন্ট্রাল কাউন্সিল ফর রিসার্চ ইন হোমিওপ্যাথি (সিসিআরএইচ) কর্তৃক আয়োজিত এই কর্মসূচিতে হোমিওপ্যাথি ক্ষেত্রের প্রধান গবেষণা অগ্রগতি, জনস্বাস্থ্য উদ্যোগ এবং নীতিগত উন্নয়ন তুলে ধরা হবে। 

 

ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যসেবা ব্যয়, দীর্ঘস্থায়ী রোগের বোঝা এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের মতো উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে, এই অনুষ্ঠানটি একটি টেকসই চিকিৎসা ব্যবস্থা হিসেবে হোমিওপ্যাথির সম্ভাবনাকে তুলে ধরবে। এর বৈশিষ্ট্য হলো ন্যূনতম পরিবেশগত প্রভাব, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার এবং শরীরের সহজাত নিরাময় প্রক্রিয়াকে উদ্দীপিত করার উপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া।

 

বিশেষ অধিবেশনগুলিতে প্রতিরোধমূলক ও উন্নয়নমূলক স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাত্রাজনিত ও দীর্ঘস্থায়ী রোগের ব্যবস্থাপনা এবং প্রচলিত ঔষধ চিকিৎসার উপর নির্ভরশীলতা হ্রাসে হোমিওপ্যাথির ভূমিকা অন্বেষণ করা হবে। এছাড়াও পরিবেশবান্ধব ঔষধ প্রয়োগ পদ্ধতি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণার সঙ্গে ঐতিহ্যগত জ্ঞানের সমন্বয়ের গুরুত্বের উপর আলোচনা করা হবে।

 

বিগত বছরগুলোতে ভারত এবং বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে গোষ্ঠীভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা এবং জনস্বাস্থ্য কর্মসূচিতে হোমিওপ্যাথির গ্রহণযোগ্যতা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আয়ুষ মন্ত্রক প্রমাণ-ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি, উন্নততর সহজলভ্যতা এবং জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচিতে একীকরণের মাধ্যমে এর প্রসার বাড়াতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছে।

 

বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস ২০২৬ ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতির প্রসারে ভারতের নেতৃত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং একটি স্থিতিস্থাপক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা পরিকাঠামো তৈরির প্রচেষ্টাকে নতুন গতি প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

এই অনুষ্ঠানটি অংশীদারদের মধ্যে আলোচনা, সহযোগিতা এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার একটি মঞ্চ হিসেবেও কাজ করবে। এটি এমন এক ভবিষ্যতের পথ প্রশস্ত করবে যেখানে স্বাস্থ্যসেবা কেবল কার্যকরই নয়, বরং ন্যায়সঙ্গত, পরিবেশ-সচেতন এবং টেকসইও হয়ে উঠবে।

 

 

SC/PM/NS


(রিলিজ আইডি: 2250392) ভিজিটরের কাউন্টার : 22
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: Kannada , English , Urdu , हिन्दी , Manipuri , Bengali-TR , Punjabi , Gujarati , Telugu