তথ্যওসম্প্রচারমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

সরকার এনএফডিসি’র মাধ্যমে চলচ্চিত্র পরিমণ্ডল শক্তিশালী করছে, পিপিপি মডেল এবং উন্নত চলচ্চিত্র নির্মাণ পদ্ধতির প্রচারও করছে

প্রকাশিত: 01 APR 2026 4:40PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ০১ এপ্রিল, ২০২৬ 

 

সরকার 'চলচ্চিত্র বিষয়বস্তুর উন্নয়ন, যোগাযোগ ও প্রচার' (ডিসিডিএফসি) প্রকল্পের মাধ্যমে চলচ্চিত্র নির্মাণের সামগ্রিক পরিবেশ বা পরিমন্ডলকে  সক্রিয়ভাবে সহায়তা প্রদান করে।
ডিসিডিএফসি প্রকল্পটি হলো একটি 'কেন্দ্রীয় প্রকল্প' (Central Sector Scheme)। এই প্রকল্পে  কেন্দ্রীয় সরকার ১০০ শতাংশ অর্থ প্রদান করে । এই প্রকল্পের আওতায় সরকার চলচ্চিত্রের উৎকর্ষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
ডিসিডিএফসি প্রকল্পের আওতায়, সরকার 'ন্যাশনাল ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন' (এনএফ ডিসি)-এর মাধ্যমে চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রেও সহায়তা প্রদান করে। আঞ্চলিক চলচ্চিত্র এবং তথ্যচিত্রসমূহ এর আওতাভুক্ত রয়েছে । এই কর্মসূচির ফলে সারা দেশে স্থানীয় কারিগরি কর্মী, শিল্পী এবং সেবা প্রদানকারীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
সরকার মুম্বাইতে 'ওয়ার্ল্ড অডিও ভিজ্যুয়াল অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট সামিট' (WAVES 2025)-এর আয়োজন করেছিল। এটি ছিল সরকারের সেই দূরদৃষ্টিরই প্রতিফলন। এর লক্ষ্য হলো—"ভারতে সৃষ্টি করো, বিশ্বের জন্য সৃষ্টি করো" (Create in India, Create for the World) উদ্যোগের আওতায় ভারতকে 'কন্টেন্ট বা বিষয়বস্তু তৈরির' একটি বৈশ্বিক কেন্দ্রে পরিণত করা। এই শীর্ষ সম্মেলনটি ভারতীয় নির্মাতা, প্রযোজক এবং স্টার্টআপগুলোর জন্য একটি সমন্বিত মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে। এর মাধ্যমে তারা ১০০টিরও বেশি দেশের আন্তর্জাতিক ক্রেতা, বিনিয়োগকারী, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় ও সংযোগ স্থাপনের সুযোগ পেয়েছে।
এছাড়া সরকার 'দৃশ্য-শ্রাব্য সহ-প্রযোজনা চুক্তি'-র (Co-production agreements) মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ সহযোগিতামূলক উদ্যোগগুলোকেও উৎসাহিত করে। যেহেতু এই প্রকল্পগুলোতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি বেসরকারি প্রযোজকদেরও অংশগ্রহণ থাকে, তাই এগুলো মূলত 'সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব' (পিপিপি) মডেলের আদলে পরিচালিত হয়। এই উদ্যোগগুলোর মূল লক্ষ্য হলো ভারতীয় দৃশ্য-শ্রাব্য পরিমন্ডলে বিনিয়োগ আকর্ষন করা এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে উন্নত ও আধুনিক কলাকৌশলগুলোর প্রচলন ঘটানো।
অভ্যন্তরীণ চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজনে সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে, যেসব চলচ্চিত্র উৎসবের নাম সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলো সুপারিশ করে, সেগুলোকে অনুদান প্রদান করা হয়। এছাড়া, সুপরিকল্পিত ও বাছাইকৃত চলচ্চিত্রের প্যাকেজ সরবরাহ করা এবং 'মাস্টারক্লাস' ও কর্মশালার আয়োজনের মাধ্যমেও এই উৎসবগুলোকে সহায়তা প্রদান করা হয়। এনএফডিসি সমগ্র চলচ্চিত্র পরিমন্ডল জুড়ে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান (technical know-how) বিনিময়ের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যের 'চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন'-এর সঙ্গেও যৌথভাবে কাজ করে। রাজ্য সরকারগুলোর মালিকানাধীন বা স্থানীয় চলচ্চিত্র বিষয়বস্তু সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও এনএফডিসি সহায়তা প্রদান করে থাকে। অনেক রাজ্যই তাদের নিজস্ব 'শিল্প উন্নয়ন নীতি'-র আওতায় চলচ্চিত্র নির্মাণ স্টুডিওগুলোর উন্নয়নে উৎসাহ প্রদান করে থাকে। এর মধ্যে 'সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব' (পিপিপি) মডেলের মাধ্যমে গড়ে ওঠা স্টুডিওগুলিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ।

ডঃ থিরুমা ভালাভান থোলকাপ্পিয়ানের একটি তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সংসদে এই বিবৃতি দিয়েছেন।

 

SC/PM/SB


(রিলিজ আইডি: 2248217) ভিজিটরের কাউন্টার : 4
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: Telugu , English , Urdu , हिन्दी , Assamese , Punjabi , Malayalam