প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
azadi ka amrit mahotsav

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে পরিস্থিতি ও প্রশমনমূলক ব্যবস্থা পর্যালোচনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিএস) বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন

প্রকাশিত: 22 MAR 2026 9:06PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২২ মার্চ ২০২৬

 

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সার্বিক পরিস্থিতি এবং চলমান ও প্রস্তাবিত প্রশমনমূলক পদক্ষেপসমূহ পর্যালোচনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিএস) বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

 

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রক ও বিভাগ কর্তৃক এ পর্যন্ত গৃহীত ও পরিকল্পিত প্রশমনমূলক পদক্ষেপগুলোর ওপর একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা পেশ করেন। কৃষি, সার, খাদ্য নিরাপত্তা, পেট্রোলিয়াম, বিদ্যুৎ, এমএসএমই বা অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র অ মাঝারি শিল্পোদ্যোগ, রপ্তানিকারক, নৌপরিবহন, বাণিজ্য, অর্থসংস্থান, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং সংঘাতের ফলে প্রভাবিত অন্যান্য সকল খাতের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব এবং তা মোকাবিলার জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলো নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়। দেশের সামগ্রিক সামষ্টিক-অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতে গ্রহণীয় আরও পদক্ষেপসমূহ নিয়েও আলোচনা করা হয়।

 

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের ফলে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘমেয়াদী তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব পড়বে; এই প্রভাব ভারতের ওপর কী রূপ হতে পারে, তা মূল্যায়ন করা হয় এবং এর মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদী—উভয় ধরণের পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

 

খাদ্য, জ্বালানি ও জ্বালানি নিরাপত্তা সহ সাধারণ মানুষের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রীগুলোর প্রাপ্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত মূল্যায়ন করা হয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপসমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

 

কৃষকদের ওপর প্রভাব এবং খরিফ মৌসুমের জন্য তাদের সারের প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করা হয়েছে। সারের পর্যাপ্ত মজুদ বজায় রাখার লক্ষ্যে গত কয়েক বছরে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা সারের যথাসময়ে প্রাপ্যতা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। ভবিষ্যতে সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সারের বিকল্প উৎসগুলো নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

 

এছাড়াও এটি নিশ্চিত করা হয়েছে যে, দেশের সমস্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার পর্যাপ্ত মজুদ সরবরাহ বজায় রাখা হলে ভারতে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি দেখা দেবে না।

 

রাসায়নিক, ওষুধশিল্প, পেট্রোরাসায়নিক এবং অন্যান্য শিল্প খাতের প্রয়োজনীয় আমদানির উৎসগুলো বহুমুখী করার লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। একইভাবে, ভারতীয় পণ্যের রপ্তানি প্রসারের লক্ষ্যে অদূর ভবিষ্যতে নতুন নতুন রপ্তানি গন্তব্য গড়ে তোলা হবে।

 

বিভিন্ন মন্ত্রক কর্তৃক প্রস্তাবিত বেশ কিছু পদক্ষেপ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আগামী দিনগুলোতে প্রস্তুত ও বাস্তবায়ন করা হবে।

 

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যে, 'সমগ্র সরকার দৃষ্টিভঙ্গি'র (হোল অফ গভর্নমেন্ট অ্যাপ্রোচ) আওতায় নিবেদিতভাবে কাজ করার জন্য মন্ত্রী ও সচিবদের সমন্বয়ে একটি দল গঠন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও নির্দেশ দেন যে, বিভিন্ন ক্ষেত্র-ভিত্তিক টিমগুলো যেন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে পরামর্শক্রমে তাদের কর্মসূচি পরিচালনা করে।

 

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সংঘাত পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এর প্রভাবে সমগ্র বিশ্ব কোনো না কোনোভাবে প্রভাবিত হচ্ছে। এমতাবস্থায়, এই সংঘাতের বিরূপ প্রভাব থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেন যে, নাগরিকদের যাতে ন্যূনতম অসুবিধারও সম্মুখীন হতে না হয়, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের সকল বিভাগকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এছাড়াও, নিত্যপ্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ পণ্যসামগ্রীর যেন কোনো প্রকার কালোবাজারি বা মজুদদারি (হোর্ডিং) না হয়, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারগুলোর সাথে যথাযথ সমন্বয় বজায় রাখারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

 

 

 

SC/SB/NS… 


(রিলিজ আইডি: 2243640) ভিজিটরের কাউন্টার : 6
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Marathi , हिन्दी , Gujarati , Odia , Kannada