প্রতিরক্ষামন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ভারতকে ড্রোন নির্মাণের বিশ্বজনীন কেন্দ্র হয়ে উঠতে হবে : জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প কনক্লেভ ২০২৬-এ প্রতিরক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত: 19 MAR 2026 2:04PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ১৯ মার্চ ২০২৬

 


আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশীয় ড্রোন উৎপাদনের এক বিশ্বব্যাপী কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার লক্ষ্যে ভারতকে ‘মিশন মোডে’ কাজ করতে হবে বলে প্রতিরক্ষামন্ত্রী শ্রী রাজনাথ সিং মন্তব্য করেছেন। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে কৌশলগত স্বকীয়তা নিশ্চিত করা, প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করা এবং দেশকে ‘আত্মনির্ভর’ করে তোলার লক্ষ্যে একটি ড্রোন উৎপাদন পরিমণ্ডল গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন। ১৯ মার্চ, ২০২৬ তারিখে নতুন দিল্লির মানেকশ সেন্টারে প্রতিরক্ষা উৎপাদন বিভাগ আয়োজিত দুই দিনের জাতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এমএসএমই, স্টার্ট-আপ, ‘ইনোভেশনস ফর ডিফেন্স এক্সেলেন্স’-এর বিজয়ী, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, বেসরকারি প্রতিরক্ষা কোম্পানি, উদ্ভাবক, নীতিনির্ধারক এবং শিক্ষাবিদদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। এই অধিবেশনের মূল ভাবনা ছিল উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি। 

প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের যুদ্ধে ড্রোন ও ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তি যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চলেছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শুরু করে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত তারই প্রমাণ। তাই ড্রোন উৎপাদনের ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা অর্জন একান্ত আবশ্যক। কেবল সম্পূর্ণ ড্রোনের ক্ষেত্রেই নয়, এর প্রতিটি যন্ত্রাংশ বা উপাদানের ক্ষেত্রেও আত্মনির্ভরতা অর্জন করতে হবে। তিনি বলেন, “ড্রোনের ছাঁচ থেকে শুরু করে এর সফটওয়্যার, ইঞ্জিন এবং ব্যাটারি—সবকিছুই ভারতের মাটিতে তৈরি হতে হবে। এটি সহজ কাজ নয়। যেসব দেশে বর্তমানে ড্রোন নির্মাণ করা হয়, তাদের বেশিরভাগই ড্রোনের বহু গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল যন্ত্রাংশ চীন থেকে আমদানি করে।”

শ্রী রাজনাথ সিং বলেন, যেকোনো দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প ব্যবস্থা গড়ে ওঠাটা যেমন বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান, এমএসএমই, স্টার্ট-আপ এবং উদ্ভাবকদের অবদানের ওপর নির্ভরশীল; ঠিক তেমনই দেশের সুনির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সরকারের সুস্পষ্ট নীতিগত সহায়তা বা ‘পলিসি পুশ’-এর ওপরও তা সমানভাবে নির্ভরশীল। বেসরকারি ক্ষেত্রকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,  ভারতকে দেশীয় ড্রোন উৎপাদনের একটি বিশ্বজনীন কেন্দ্রে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে। 

উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ‘iDEX’ কাঠামোর অধীনে ‘ডিফেন্স ইন্ডিয়া স্টার্ট-আপ চ্যালেঞ্জ’-এর ১৪তম সংস্করণ (DISC-14) এবং ‘ADITI’ চ্যালেঞ্জের ৪র্থ সংস্করণের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুগান্তকারী উদ্ভাবন উৎসাহিত করার লক্ষ্যে, প্রতিরক্ষা বাহিনী, ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী এবং প্রতিরক্ষা মহাকাশ সংস্থার পক্ষ থেকে মোট ১০৭টি ‘সমস্যা বিবৃতি’-র আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে DISC-14-এর অধীনে ৮২টি এবং ADITI Challenges 4.0-এর অধীনে ২৫টি সমস্যা বিবৃতি রয়েছে। 

এমএসএমই এবং স্টার্ট-আপগুলোর মধ্যে নকশা-নির্ভর উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডিপিএসইউ-গুলির পক্ষ থেকে ১০১টি উদ্ভাবন চ্যালেঞ্জ সম্বলিত একটি নতুন উদ্যোগেরও সূচনা করেছেন। এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান দেবে ডিপিএসইউ-গুলি; পাশাপাশি বিজয়ী স্টার্ট-আপগুলোকে পরামর্শদান, পরীক্ষার সুযোগ-সুবিধা এবং নিজেদের সরবরাহ শৃঙ্খলে যুক্ত হওয়ার সম্ভাব্য সুযোগও দেওয়া হবে। শ্রী রাজনাথ সিং ‘iDEX’ এবং ‘ADITI’—এই দুটি উদ্যোগকে ‘গেম-চেঞ্জার’ বা যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে স্টার্ট-আপ, উদ্ভাবক এবং এমএসএমই-গুলোকে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সুনির্দিষ্ট চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে অভিনব সমাধান তৈরির সুযোগ প্রদান করা হয়। তিনি বলেন, “২০১৮ সালে iDEX-এর সূচনালগ্ন থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত, প্রায় ৬৭৬টি স্টার্ট-আপ, এমএসএমই এবং উদ্ভাবক এই মঞ্চে যুক্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত ৫৪৮টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং ৫৬৬টি চ্যালেঞ্জ বা প্রতিযোগিতামূলক উদ্যোগ চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৮টি প্রোটোটাইপ বা নমুনা পণ্য সংগ্রহের জন্য ছাড়পত্র পেয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ৩,৮৫৩ কোটি টাকা। এছাড়া, ৪৫টি সংগ্রহ চুক্তি ইতিমধ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মূল্য প্রায় ২,৩২৬ কোটি টাকা। এই পরিসংখ্যানগুলো প্রমাণ করে যে, উদ্ভাবন ক্রমশ বাস্তব পণ্য ও প্রযুক্তিতে রূপান্তরিত হচ্ছে এবং এই রূপান্তরে আমাদের স্টার্ট-আপ ও এমএসএমই-গুলোর ভূমিকা ক্রমাগত শক্তিশালী হয়ে উঠছে।”

প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে এমএসএমই-গুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, অটোমেশন এবং উন্নত উৎপাদন ব্যবস্থার  মতো ক্ষেত্রগুলোতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে, যা এক বিশাল ও ইতিবাচক রূপান্তরের প্রতিফলন। সম্পদ ও সক্ষমতার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে তিনি এমএসএমই এবং স্টার্ট-আপগুলোর জন্য এই প্রযুক্তিগুলিকে অপরিহার্য বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, “সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে, অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স এবং অ্যাডিটিভ ম্যানুফ্যাকচারিং-এর মতো উদ্ভাবনগুলো বিশ্বব্যাপী উৎপাদন ক্ষেত্রকে নতুন করে ঢেলে সাজাচ্ছে। এছাড়া, ‘ডিজিটাল টুইনস’ এবং উন্নত সিমুলেশন টুলের মতো প্রযুক্তিগুলো সম্ভাবনার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। মূলত, একটি ‘ডিজিটাল টুইন’ হলো বাস্তব জগতের কোনো একটি ব্যবস্থার হুবহু একটি ভার্চুয়াল বা ডিজিটাল প্রতিরূপ তৈরি করা। এই ধরনের প্রযুক্তিগুলো আমাদের জটিল ব্যবস্থাগুলোকে আরও ভালোভাবে অনুধাবন করতে এবং অধিকতর সুচিন্তিত ও তথ্য-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।”

শ্রী রাজনাথ সিং বলেন, এমএসএমই-গুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সংযুক্তিকরণ আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। তিনি বলেন, এই সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়াটি দুটি ভিন্ন উপায়ে সম্পন্ন হতে পারে: অনুভূমিকভাবে এবং উল্লম্বভাবে। অনুভূমিক সংযুক্তিকরণের অর্থ হলো, বিভিন্ন ক্ষেত্রের এমএসএমই-গুলো একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হবে, একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবে। অন্যদিকে, উল্লম্ব সংযুক্তিকরণের অর্থ হলো, এমএসএমই-গুলো বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলবে, উদীয়মান প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রগুলোর সঙ্গে যুক্ত হবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন, রোবোটিক্স ও অ্যাডিটিভ ম্যানুফ্যাকচারিং-এর মতো ক্ষেত্রগুলোতে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করবে। আমাদের এমএসএমই-গুলিকে অবশ্যই শিল্প ক্ষেত্রের প্রযুক্তিগুলো গ্রহণের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। 

এমএসএমই ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার গৃহীত অসংখ্য উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন যে, এই বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে একটি 'ত্রিমুখী কৌশল' প্রবর্তন করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো এমএসএমই -গুলোকে ইকুইটি (মূলধন), তারল্য এবং পেশাগত সহায়তা প্রদান করা, যাতে তারা 'চ্যাম্পিয়ন এমএসএমই ' হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো এমএসএমই -গুলোর বিকাশের গতি ত্বরান্বিত করা এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক—উভয় বাজারেই তাদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

শ্রী রাজনাথ সিং উল্লেখ করেন, ২০১৪ সাল থেকে সরকার এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রের সম্প্রসারণকে ধারাবাহিকভাবে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে এবং এর ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে। এমএসএমই-গুলির নিবন্ধন ও শনাক্তকরণ প্রক্রিয়াকে সহজতর করার লক্ষ্যে 'উদ্যম পোর্টাল' এবং 'উদ্যম অ্যাসিস্ট পোর্টাল'-এর মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর উদ্দেশ্য হলো ক্ষুদ্র শিল্পগুলোকে দেশের মূলধারার অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করা, যাতে তারা সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুফল থেকে বঞ্চিত না হয়। ২০১২-১৩ অর্থবছরে দেশে এমএসএমই-র সংখ্যা ছিল প্রায় ৪.৬৭ কোটি; আর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে এই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৮ কোটিতে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, এই বৃদ্ধি দেশের অভ্যন্তরে উদ্যোক্তাসুলভ মানসিকতার ক্রমাগত বিকাশকেই প্রমাণ করে এবং বর্তমানে ক্ষুদ্র শিল্পগুলো দেশের অর্থনৈতিক বিকাশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, স্টার্ট-আপগুলো তাদের অভিনব ও অনন্য সব ধারণার মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তনের অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে; আবার অন্যদিকে, কোনো কোনো স্টার্ট-আপ অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যেই 'ইউনিকর্ন'-এর মতো ঈর্ষণীয় মর্যাদায় উন্নীত হচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে, আরও অনেক নতুন উদ্যোগই 'পরবর্তী প্রজন্মের ইউনিকর্ন' হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। প্রয়োজন কেবল ধারাবাহিক প্রচেষ্টা, অধ্যবসায় এবং অবিচল নিষ্ঠার। তিনি এমএসএমই এবং স্টার্ট-আপগুলোকে উদ্ভাবন, নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ এবং 'আত্মনির্ভর ভারত' ও 'বিকশিত ভারত'-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে পূর্ণ উদ্যম ও উৎসাহ নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রতিরক্ষা উৎপাদন সচিব শ্রী সঞ্জীব কুমার উল্লেখ করেন যে, এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হলো উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তির প্রসার ঘটানো এবং নকশা, উন্নয়ন ও উৎপাদন—অর্থাৎ সমগ্র মূল্য শৃঙ্খল-এর প্রতিটি স্তরে এমএসএমই-গুলিকে উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সংযুক্ত করা। তিনি আরও জানান, এখানে উপস্থাপিত ২০০টি 'সমস্যা বিবৃতি' এমএসএমই, শিল্প সংস্থা, স্টার্ট-আপ এবং তরুণ উদ্ভাবকদের অত্যাধুনিক পণ্য নকশা করার সুযোগ করে দেবে এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রতিরক্ষা উৎপাদন বিভাগের প্রকাশিত ৫টি প্রকাশনারও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এই প্রকাশনাগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো নীতিগত উদ্যোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, প্রতিরক্ষা সামগ্রীর রপ্তানিকে উৎসাহিত করা এবং ব্যবসা পরিচালনার প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করে তোলা। 

শ্রী রাজনাথ সিং একটি প্রদর্শনীরও উদ্বোধন করেন। ২০টি বৃহৎ প্রতিরক্ষা সংস্থা এই প্রদর্শনীতে যোগ দিয়েছে। এছাড়া, ২৪টি ভারতীয় ও বিদেশি সংস্থা এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করছে, যারা অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, অ্যাডিটিভ ম্যানুফ্যাকচারিং এবং স্মার্ট মেটিরিয়ালস-এর মতো উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তিগুলো প্রদর্শন করছে।

অনুষ্ঠানে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, প্রতিরক্ষা সচিব শ্রী রাজেশ কুমার সিং, প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের সচিব এবং ডিআরডিও-র চেয়ারম্যান ডঃ সমীর ভি কামাত সহ বহু বিশিষ্ট্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

 


SC/SD/AS


(রিলিজ আইডি: 2242620) ভিজিটরের কাউন্টার : 10
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Urdu , हिन्दी , Marathi , Gujarati