স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

গুজরাটের গান্ধীনগরে সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক ডিজিটাল কারেন্সি-নির্ভর গণবন্টন ব্যবস্থার সূচনা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ

প্রকাশিত: 15 FEB 2026 3:51PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ আজ একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও সহজ গণবন্টন ব্যবস্থার সূচনা করেছেন। সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক ডিজিটাল কারেন্সি-নির্ভর এই ব্যবস্থাপনার সূচনা করা হয়েছে গুজরাটের গান্ধীনগর থেকে। এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, কেন্দ্রীয় উপভোক্তা, খাদ্য ও গণবন্টন মন্ত্রী শ্রী প্রহ্লাদ যোশী সহ বিশিষ্টজনেরা।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর অনুপ্রেরণায় ডিজিটাল ইন্ডিয়া ব্যবস্থাপনা এখন খাদ্য ও সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রসারিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীই প্রথম দেশের সম্পদের অধিকার দরিদ্র, দলিত, পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর নাগরিক এবং আদিবাসীদের কাছে পৌঁছনো নিশ্চিত করেছেন। অতীতে ভারতে ৬০ কোটি মানুষের কোনো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল না। শ্রী মোদী উদ্যোগেই বর্তমানে ভারতে বিশ্বের অর্ধেক ডিজিটাল পদ্ধতিতে লেনদেন হচ্ছে। এই ডিজিটাল ভারতই এখন দেশের দরিদ্র মানুষের কাছে ব্যয়সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যশস্য পৌঁছে দেবে। এর ফলে, দরিদ্র মানুষদের জন্য নির্ধারিত রেশন দেওয়ার ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতিকে সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব হবে। প্রত্যক্ষ সুবিধা হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় যেমন বিভিন্ন কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে, সেই একইভাবে খাদ্য ও গণবন্টন মন্ত্রকের নতুন এই উদ্যোগের ফলে আগামীদিনে স্বচ্ছভাবে বিতরণ ব্যবস্থাপনাকে পরিচালনা করা যাবে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর ‘ন্যূনতম সরকার, সর্বোচ্চ প্রশাসন’ নীতি আরও একটি নতুন ক্ষেত্রে বাস্তবায়িত হতে চলেছে। 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেছেন, দরিদ্রদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সংবেদনশীলতার সঙ্গে প্রযুক্তির এক অদ্ভুত মেলবন্ধন ঘটাচ্ছে নতুন এই বন্টন ব্যবস্থাপনা। ‘অন্নপূর্ণা’ মেশিনের সাহায্যে মাত্র ৩৫ সেকেন্ডে ২৫ কেজি খাদ্যশস্য বন্টন করা সম্ভব হবে। আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যে সারা দেশে এটি কার্যকর হবে। 

শ্রী শাহ বলেছেন, বর্তমানে দেশের ১ লক্ষ ৭ হাজার গ্রামে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। দেশের ৮০ কোটি মানুষের কাছে প্রধানমন্ত্রী প্রতি মাসে মাথাপিছু ৫ কেজি খাদ্যশস্য বিনামূল্যে পৌঁছে দিচ্ছেন। পিএম স্বনিধি প্রকল্প দেশের ১ কোটি ৯ লক্ষ রাস্তার হকারকে সহায়তা প্রদান করছে। এই ধরনের শক্তিশালী নীতিগুলির মাধ্যমে মোদী সরকার গত ১০ বছরে ৬০ কোটি মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ঘটিয়েছে। ২৭ কোটি নাগরিক দারিদ্র্যসীমার নাগপাশ থেকে মুক্ত হয়েছেন। 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অভিযোগ করেন, প্রধান বিরোধী দল এবং সেই দলের নেতৃত্বাধীন সরকার যেসব রাজ্যে রয়েছে – সেইসব অঞ্চলে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে বাজেটে কৃষিক্ষেত্রের জন্য বরাদ্দ করা হত মাত্র ২৬ হাজার কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে আজ সেই বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ লক্ষ ২৯ হাজার কোটি টাকা। পূর্ববর্তী সরকার গত ৭০ বছর ধরে ঋণ মকুবের ঘোষণার মাধ্যমে কৃষকদের ভুল বুঝিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গত ১০ বছর ধরে প্রত্যেক কৃষকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি বছর ৬ হাজার টাকা সরাসরি পৌঁছে দিচ্ছেন। ফলে, কৃষকদের আর ঋণ নিতে হয় না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ব্রিটেনের সঙ্গে যে অবাধ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সে বিষয়েও বিরোধী দল দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি হচ্ছে সেই বিষয় নিয়েও বিরোধী দলগুলি ভুল বার্তা ছড়াচ্ছে। অথচ, ডাঙ্কেল প্রস্তাবে স্বাক্ষর করে পূর্ববর্তী সরকার কৃষকদের ক্ষতির মুখে ফেলে দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী দেশের দুগ্ধশিল্পকে রক্ষা করেছেন। আজ নতুন ব্যবস্থাপনায় খাদ্য বন্টন ও খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রকে দুর্নীতি মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের কোনো স্থান হবে না। দেশের প্রত্যেক দরিদ্র নাগরিকের খাদ্যের অধিকার সুনিশ্চিত হবে। 


SC/CB/DM..


(রিলিজ আইডি: 2228607) ভিজিটরের কাউন্টার : 2