উপ-রাষ্ট্রপতিরসচিবালয়
azadi ka amrit mahotsav

নতুন দিল্লির হরিজন সেবক সংঘে সরলতা, সেবা ও সামাজিক দায়িত্ববোধের গান্ধীবাদী আদর্শ তুলে ধরলেন উপ-রাষ্ট্রপতি

प्रविष्टि तिथि: 20 JAN 2026 2:45PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ 

 

উপ-রাষ্ট্রপতি শ্রী সি পি রাধাকৃষ্ণন আজ নতুন দিল্লির ঐতিহাসিক গান্ধী আশ্রমে হরিজন সেবক সংঘ পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি মহাদেব দেশাই পাঠাগারে সম্প্রসারিত অংশের উদ্বোধন করেন। 
উপ-রাষ্ট্রপতি আশ্রমের কস্তুরবা সংগ্রহালয়ও ঘুরে দেখেন। তিরিশ ও চল্লিশের দশকে দিল্লিতে এসে মহাত্মা গান্ধী ও কস্তুরবা গান্ধী সেখানেই ছিলেন। তাঁর এই পরিদর্শনকে আবেগঘন আখ্যা দিয়ে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, আশ্রমের মধ্যে হাঁটতে হাঁটতে কস্তুরবার অতিসাধারণ ঘর ও রান্নাঘর চোখে পড়ে। এর মধ্য দিয়ে ভারতীয় নেতৃবৃন্দের সহজ জীবনযাত্রার ছবি ফুটে ওঠে, যা সরলতা, ত্যাগ ও অটল নিষ্ঠায় পরিপূর্ণ ছিল। 
উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, মহাদেব দেশাই পাঠাগারের সম্প্রসারিত অংশের উদ্বোধন নিছক কিছুটা এলাকার সম্প্রসারণ নয়, সামাজিক রূপান্তরের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার যে জ্ঞান, তা উপলব্ধির এক উপলক্ষ্য। 
মহাত্মা গান্ধীর ব্যক্তিমানসের রূপান্তরের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, মাদুরাই রেল স্টেশনে ভারতীয় কৃষকদের দারিদ্র্য দেখে গান্ধীজী পশ্চিমী পোশাক পরিত্যাগ করে সারা জীবন ধুতি পরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এই রূপান্তর ছিল সাধারণ মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এবং তাঁদের উন্নয়নে কাজ করার প্রতি গান্ধীজীর আজীবনের প্রতিশ্রুতির প্রতীক। স্বদেশীর প্রতি গান্ধীজীর জোরালো সওয়ালের উল্লেখ করে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, গান্ধীজী ভারতের তুলো ম্যাঞ্চেস্টারে প্রক্রিয়াকরণ করে ভারতীয়দের কাছেই বেচার তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। 
হরিজন সেবক সংঘকে মহাত্মা গান্ধীর রোপণ করা বীজ হিসেবে বর্ণনা করে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, শিক্ষা, সচেতনতা ও সেবার মধ্য দিয়ে অস্পৃশ্যতার মতো সামাজিক অভিশাপ থেকে জাতিকে মুক্ত করতে এই প্রতিষ্ঠান সহায়ক হয়েছে। একজন মানুষ ভালো না খারাপ, তা তাঁর জন্মের স্থান থেকে নির্ধারিত হয় না, চরিত্রই একজন মানুষের সংজ্ঞা দেয়। 
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি শ্রী কে আর নারায়ণনের স্মৃতিচারণ করে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, হরিজন সেবক সংঘ শ্রী নারায়ণনের শিক্ষা ও জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ভবিষ্যতেও সংঘ এমন আরও অনেক আদর্শ স্থানীয় ব্যক্তিত্বকে লালন-পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। 
ব্যক্তি ও সমাজের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, ব্যক্তিরা প্রায়শই সমাজের ভূমিকা উপেক্ষা করলেও প্রতিটি ব্যক্তিরই সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার কর্তব্য রয়েছে। সমাজ সেবা এক নৈতিক দায়িত্ব এবং সেইসঙ্গে জাতি গঠনের পথ।
উপ-রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতি গুজরাটের অবদানের প্রশংসা করে বলেন, গুজরাট দেশকে তিন হিমালয়স্পর্শী ব্যক্তিত্ব উপহার দিয়েছে – জাতির স্বাধীনতার জন্য মহাত্মা গান্ধী, জাতীয় ঐক্যের জন্য সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল এবং দেশের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। 
উপ-রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডঃ শঙ্কর কুমার সান্যালের লেখা “Age of Enlightenment: Mahatma Gandhi’s Vision” শীর্ষক একটি বইয়ের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন। মহাত্মা গান্ধী, ঠক্কর বাপা এবং বিনোবা ভাবের প্রতি পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন তিনি। 
অনুষ্ঠানে হরিজন সেবক সংঘের সভাপতি অধ্যাপক শঙ্কর কুমার সান্যাল, প্রাক্তন সাংসদ ও হরিজন সেবক সংঘের সহ-সভাপতি শ্রী নরেশ যাদব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

 

SC/SD/SB


(रिलीज़ आईडी: 2216706) आगंतुक पटल : 5
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , हिन्दी , Gujarati , Tamil , Telugu , Malayalam