সড়কপরিবহণওমহাসড়কমন্ত্রক
রাহ-বীর (পথ-বীর) : দ্বিধা না করে জীবন বাঁচান – গুড সামারিটান সংক্রান্ত সুরক্ষা বলয় রয়েছে আপনার জন্য
प्रविष्टि तिथि:
04 JAN 2026 2:17PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬
পথ দুর্ঘটনাগ্রস্তদের বাঁচানোর ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্ত মূল্যবান। বিশেষ করে, ‘স্বর্ণিল প্রহর’ বা গোল্ডেন আওয়ারে উপযুক্ত সহায়তা একটি মানুষের জীবন রক্ষা করায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দুর্ঘটনাগ্রস্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসা মানুষদের পাশে থাকতে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক ২০১৯-এর মোটরযান (সংশোধন) আইন-এর আওতায় ২০২০ সালে গুড সামারিটান বিধির বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এই বিধি তৈরি হয়েছে যে স্বাভাবিক ও সহজ বিশ্বাস ঘিরে তা হল, দুর্ঘটনাগ্রস্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসা মানুষকে যেন পরবর্তীকালে হেনস্থার শিকার না হতে হয়। আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই গুড সামারিটানদের নাম ও পরিচয় জানানো বাধ্যতামূলক না করা এখানে উদ্দেশ্য।
আরও যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হল, রাহ-বীর হতে গেলে আপনার চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো প্রশিক্ষণের দরকার নেই। বিশেষ কোনো সরঞ্জাম আপনার কাছে থাকাও প্রয়োজনীয় নয়। বহু ক্ষেত্রেই আহত ব্যক্তিকে সহায়তায় আপনার উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকরী হয়ে উঠতে পারে।
যা করবেন : আপনার অধিকার ও দায়িত্ব
*দ্বিধাহীনভাবে এগিয়ে আসুন : কোনরকম আইনি ঝুটঝামেলা পোহাতে হবে না আপনাকে।
*আপনি ব্যক্তিগত তথ্যাদি দিতে বাধ্য নন, যদি না আপনি প্রত্যক্ষদর্শী হতে চান।
*যদি আপনি প্রত্যক্ষদর্শী হতে চান, তাহলে একবারই আপনার সুবিধামতো সময়ে এবং জায়গায় আপনাকে বয়ান দিতে হবে।
*হাসপাতালে আপনাকে এটুকুই জানাতে হবে যে আপনি আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছেন।
যা করবেন না : যেসব বিষয় মাথায় রাখার দরকার নেই
*আইনি ঝুটঝামেলার ভয় পাবেন না, প্রশাসন রাহ-বীরদের পাশে রয়েছে।
*আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করার পর আপনার সেখানে থাকার দরকার নেই।
*চিকিৎসার খরচ মেটানোর দায় আপনার নয়।
*এফআইআর দায়ের করা বা প্রমাণ দেওয়া আপনার দায়িত্ব নয় – প্রত্যক্ষদর্শী হবেন কি হবেন না, তা আপনার বিষয়।
*আপনি না চাইলে ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না – এটা আপনার অধিকার।
*আপনাকে আটকে রাখার অধিকার কারোর নেই।
রাস্তাঘাট অনেক ভালো হয়ে উঠলেও ভারতে পথ দুর্ঘটনায় বহু মানুষ প্রাণ হারান ও আহত হন। যেসব দেশে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা বেশি, তাদের মধ্যে রয়েছে ভারত। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী শ্রী নীতিন গড়করি জানিয়েছেন যে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও এইসব দুর্ঘটনার অত্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। আইআইটি দিল্লির একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, পথ দুর্ঘটনার জেরে জিডিপি-তে হানির অনুপাত ৩ শতাংশ।
আইনি ঝুটঝামেলার ভয়ে পথচলতি মানুষ বহু ক্ষেত্রেই দুর্ঘটনাগ্রস্তের সহায়তায় এগিয়ে আসতে দ্বিধা করেন। অথচ, দুর্ঘটনার প্রথম ১ ঘন্টার মধ্যে উপযুক্ত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাহ-বীর প্রকল্পের আওতায় স্বর্ণিল প্রহর বা গোল্ডেন আওয়ারে দুর্ঘটনাগ্রস্তকে চিকিৎসা পরিষেবার মধ্যে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদানকারীর ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার এবং শংসাপত্র পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
মনে রাখবেন, জীবন বাঁচানোর জন্য সব সময় চিকিৎসক হওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনাকে শুধু মানবিক হতে হবে।
SC/AC/DM
(रिलीज़ आईडी: 2211408)
आगंतुक पटल : 14