স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক : ২০২৫-এর সালতামামী

प्रविष्टि तिथि: 31 DEC 2025 9:59PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ২০২৫ সাল ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুরক্ষিত, নিরাপদ এবং বিকশিত ভারত গড়ে তোলার যে পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিয়েছেন সেই লক্ষ্যে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে মন্ত্রক অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে। এর ফলে, সন্ত্রাসবাদ, মৌলবাদ, সংগঠিত অপরাধ এবং সাইবার হানার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া গেছে।

মন্ত্রকের গুরুত্বপূর্ণ সাফল্যের মধ্যে রয়েছে – চরম বামপন্থার প্রায় অবসান ঘটানো। নতুন ফৌজদারি আইন কার্যকর করার মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হয়েছে। মাদক পাচারের বিরুদ্ধে আপোসহীন নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও, ২০২৭ সালে আদমশুমারির কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রযুক্তি, বিভিন্ন সম্প্রদায়কে কাজে লাগানো এবং নানা সংগঠনের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলার ফলে দেশজুড়ে অপরাধ কমেছে, বিভিন্ন মামলার নিষ্পত্তি দ্রুত হচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ আরও ক্ষমতাশালী হচ্ছেন। ন্যায়, সুরক্ষা এবং সমৃদ্ধ হয়ে ওঠার নীতি যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে। 

চরম বামপন্থা বা নকশালমুক্ত ভারত অভিযান এক বিরাট সাফল্য অর্জন করেছে। মোদী সরকার ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ থেকে চরম বামপন্থা নির্মূল করার জন্য উদ্যোগী হয়েছে। যথাযথ কৌশল অবলম্বনের মধ্য দিয়ে ২০২৫ সালে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযান, নিবিড় উন্নয়নমূলক কাজ, পুনর্বাসন নীতি এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে মাওবাদী নেটওয়ার্ক ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে উপদ্রুত অঞ্চলে শান্তি ফিরে এসেছে। 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিভিন্ন কাজকর্ম সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, মোদী সরকার সন্ত্রাসবাদকে বরদাস্ত করবে না। যারা মাদক পাচার করে অর্থ উপার্জন করে এবং সেই অর্থ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের কাজে ব্যয় করে, তাদের কোনো রেহাই দেওয়া হবে না। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ বিভিন্ন তদন্ত চালানোর পর সংশ্লিষ্ট মামলার মধ্যে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

শ্রী শাহ নতুন দিল্লিতে একটি মাল্টি-এজেন্সি সেন্টার গড়ে তুলেছেন। নতুন এই মাল্টি-এজেন্সি সেন্টারটি বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে। এর ফলে জাতীয় স্তরে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড়সড় চ্যালেঞ্জগুলিকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজনৈতিক সদিচ্ছার এক আদর্শ উদাহরণ ‘অপারেশন সিঁদুর’। গোয়েন্দা সংস্থাগুলির থেকে যথাযথ তথ্য পাওয়ার পর আমাদের সশস্ত্র বাহিনী নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ‘ভারতপোল’ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার সূচনা করা হয়েছে। এর ফলে পৃথিবীর ১৯৫টি দেশের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে মাদক, অস্ত্রশস্ত্র এবং মানব পাচারের মতো বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালানোর উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন জঙ্গি শিবির ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। পহেলগাঁও-এ যেসব জঙ্গিরা হামলা চালিয়েছিল, তাদের অপারেশন মহাদেবের মাধ্যমে নিকেশ করা হয়েছে। সেনাবাহিনী, সিআরপিএফ এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের যৌথ উদ্যোগে সুলেমান ওরফে ফয়জল জাট, হামজা আফগানি এবং জিব্রান নামে তিন জঙ্গিকে হত্যা করা সম্ভব হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী সন্ত্রাসবাদ বিরোধী সম্মেলন, ২০২৫-এর উদ্বোধন করেন নতুন দিল্লিতে। এই সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রত্যেকটি জঙ্গি হামলার যথাযথ বিশ্লেষণের প্রয়োজন যাতে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সুবিধা হয়। শ্রী শাহ জানান, কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল, আছে ও থাকবে। তিনি ঐ অঞ্চলের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে মোদী সরকারের অঙ্গীকারের কথা একটি বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন। নতুন দিল্লিতে ‘জম্মু-কাশ্মীর অ্যান্ড লাদাখ থ্রু দ্য এজেস : আ ভিস্যুয়াল ন্যারেটিভ অফ কন্টিনিউটিজ অ্যান্ড লিঙ্কেজেস’ বইটি তিনি উদ্বোধন করেন।

শ্রী শাহ নতুন দিল্লিতে সাইবার নিরাপত্তা ও সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত সংসদীয় পরামর্শদাতা কমিটির বৈঠকে পৌরোহিত্য করেন। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ‘ডিজিটাল বিপ্লব’ দেশজুড়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে। মোদী সরকার সাইবার অপরাধ নির্মূল করতে চার রকমের কৌশল গ্রহণ করেছে।

শ্রী শাহ নতুন ফৌজদারি আইনগুলি সফলভাবে কার্যকর হওয়ার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নতুন দিল্লিতে ‘আ গোল্ডেন ইয়ার অফ ট্রাস্ট ইন দ্য জাস্টিস সিস্টেম’ শীর্ষক এক আলোচনাসভায় যোগ দেন। এই তিনটি নতুন আইন দেশের বিচার ব্যবস্থাকে আরও ব্যয়সাশ্রয়ী করে তুলবে। সাধারণ মানুষ সহজেই বিচার পাবেন। পুরো প্রক্রিয়াটি সহজ, সরল এবং স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর ফলে, ‘এফআইআর দায়ের করে কি আর হবে’ - এই মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়ে এখন ‘এফআইআর দায়েরের মাধ্যমে দ্রুত বিচার পাওয়া সম্ভব হবে’ ধারণাটি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠেছে।

শ্রী শাহ নতুন দিল্লিতে ড্রাগের চোরাচালান প্রতিরোধ এবং জাতীয় নিরাপত্তা শীর্ষক এক আঞ্চলিক সভায় পৌরোহিত্য করেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মাদক সংক্রান্ত চোরাচালান ব্যবস্থাকে নির্মূল করতে সম্পূর্ণ সরকারি উদ্যোগে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে চোরাগোপ্তা পরীক্ষাগারগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। শ্রী শাহ জানিয়েছেন, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো দেশের ১১টি জায়গায় ১ লক্ষ ৩৭ হাজার কিলোগ্রাম মাদক নষ্ট করেছে যার আনুমানিক মূল্য ৪,৮০০ কোটি টাকা। 

লোকসভায় অভিবাসন ও বিদেশি বিল, ২০২৫ নিয়ে আলোচনার সময় শ্রী শাহ জানান, মোদী সরকার দেশের বিভিন্ন বিপদের কথা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় অভিবাসন নীতি গঠন করেছে। দেশে কারা প্রবেশ করছেন, তাঁরা সেখানে কতদিন থাকবেন এবং কি উদ্দেশ্যে তাঁরা এদেশে এসেছেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। ভারত কোনো ধর্মশালা নয়। যে কেউ এ দেশে এসে কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে বসবাস করতে পারেন না। জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যারা ঝুঁকিস্বরূপ, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংসদের ক্ষমতা রয়েছে। নতুন অভিবাসী আইন স্বচ্ছ, প্রযুক্তি-নির্ভর এবং আস্থাযোগ্য হবে। 

মোদী সরকার বিভিন্ন বিপর্যয়ের মোকাবিলার ক্ষেত্রে সক্রিয় অবস্থান গ্রহণ করেছে। এক্ষেত্রে কোনো বিপর্যয় ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে আগে থেকেই সতর্ক হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলস্বরূপ, প্রাণহানির সংখ্যা ন্যূনতম রাখার পরিবর্তে কেউ প্রাণ হারাবেন না এই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। শ্রী শাহ রাজ্যসভায় বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সংশোধিত বিল নিয়ে আলোচনার সময় জানান, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারত আন্তর্জাতিক স্তরে প্রথম সারির দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশের ৯টি রাজ্যে বিপর্যয়ের ঝুঁকি হ্রাস এবং বিপর্যয়ের ফলে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার জন্য পুনর্বাসন বাবদ একগুচ্ছ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর জন্য ব্যয় হবে ৪,৬৪৫ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা। 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী নতুন দিল্লিতে আসাম রাইফেলস আয়োজিত ‘ইউনিটি উৎসব – ওয়ান ভয়েস, ওয়ান নেশন’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রতিটি ক্ষেত্রে নতুন নতুন সুযোগ করে দিয়েছে মোদী সরকার। মোদী সরকারের সময়কালে বিভিন্ন হিংসাত্মক ঘটনা হ্রাস পেয়েছে ৭০ শতাংশ। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে প্রাণহানির সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে ৮৫ শতাংশ। তিনি আসামের কোকরাঝাড়ে অল বোরো স্টুডেন্টস ইউনিয়নের ৪৭তম বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিয়ে বলেন, অতীতে বোড়োল্যান্ড অঞ্চল হিংসাত্মক কার্যকলাপ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলির জন্য পরিচিত ছিল। এখন সেই অঞ্চলে শিক্ষা, উন্নয়ন ও শিল্পের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে বোড়ো যুবক-যুবতীরা বন্দুকের পরিবর্তে ত্রিবর্ণরঞ্জিত জাতীয় পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে মন্ত্রক সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বাহিনীগুলির সদস্যরা অবসর নেওয়ার আগের দিন তাঁদের পদোন্নতি ঘটানো হবে। এর ফলে, বাহিনীর সদস্যদের মনোবল বাড়বে। 

২০২৭ সালে আদমশুমারির কাজ করা হবে। জাতপাতের ভিত্তিতেও গণনার কাজ চলবে। মূলত দুটি পর্যায়ে এই কাজ হবে। ১ মার্চ থেকে এই গণনার কাজ শুরু হবে। তবে, কেন্দ্রশাসিত লাদাখে এবং তুষারাবৃত জম্মু-কাশ্মীর ছাড়াও দুটি রাজ্য হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে ২০২৬-এর ১ অক্টোবরকে এই গণনার ক্ষেত্রে ভিত্তি দিবস হিসেবে বিবেচনা করা হবে। 

নতুন দিল্লিতে শ্রী শাহ সরকারি ভাষার সুবর্ণ জয়ন্তী পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মোদী সরকারের সময়কালে ভারতীয় ভাষাগুলির অভূতপূর্ব উন্নতি নজরে আসছে। প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং প্রশাসনিক কাজে এই ব্যবহারের ভাষা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি ভারতীয় ভাষা অনুভাগের সূচনা করেছেন। এর ফলে, সরকারি ভাষা দপ্তর একটি পৃথক দপ্তর হিসেবে কাজ করবে। 

শ্রী শাহ মহারাষ্ট্রের পুণেতে পশ্চিমাঞ্চলীয় পরিষদের ২৭তম বৈঠকে পৌরোহিত্য করেন। মোদী সরকার আঞ্চলিক পরিষদগুলিকে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচনা করে। এর ফলে, সংশ্লিষ্ট পরিষদগুলি আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে শক্তিশালী সংস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী লোকসভায় ১৩০তম সংশোধনী বিল পেশ করেছেন। এছাড়াও তিনি জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন সংশোধনী বিলও পেশ করেন। এই সংশোধনগুলি রাজনৈতিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে দেশের এক শক্তিশালী পদক্ষেপ। তিনি দিল্লিতে আইল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির বৈঠকে যোগ দেন। আন্দামান ও নিকোবর এবং লাক্ষাদ্বীপে পিএম সূর্য ঘর প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি বাড়িতে সৌরশক্তি উৎপাদনক্ষম প্যানেল বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

শ্রী শাহ দিল্লির আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নব-নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী রেখা গুপ্তা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শ্রী আশিস সুদ এবং দিল্লির নগরপালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এছাড়াও, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

জাতীয় স্তোত্র বন্দে মাতরম-এর ১৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে শ্রী শাহ রাজ্যসভায় আলোচনা শুরু করেন। এই আলোচনায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই স্তোত্রের সম্পর্কে জানতে পারবে। স্বাধীনতা আন্দোলনে এই স্লোগান স্বাধীন মতবাদ প্রচারের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। শ্রী শাহ লোকসভায় নির্বাচনী সংস্কার সংক্রান্ত একটি আলোচনাচক্রেও যোগ দেন। ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনের জন্য মৃত ব্যক্তিদের নাম বাদ, যেসব ভোটদাতার দুটি জায়গায় নাম তোলা আছে তাঁদের একটি জায়গা থেকে নাম প্রত্যাহার এবং কারোর বয়স ১৮ হলে তাকে ভোটদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের সার্ধ-জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বিহারের পাটনায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, সর্দার প্যাটেল ছিলেন স্বাধীনতা আন্দোলন সংগঠিত করার ক্ষেত্রে অন্যতম শক্তি। তিনি শুধু একক কোনো ব্যক্তিত্ব নন, তিনি আদর্শের প্রতীক। ৩১ অক্টোবর একতা নগরে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এক বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেছেন। 

সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে হলে নিচের লিঙ্কে ক্লিন করুন –
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2210328&reg=3&lang=1

 

 

SC/CB/DM


(रिलीज़ आईडी: 2210531) आगंतुक पटल : 6
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , Kannada