স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ পাঁচকুলায় হরিয়ানা পুলিশের দীক্ষান্ত কুচকাওয়াজে ভাষণ দিয়েছেন

प्रविष्टि तिथि: 24 DEC 2025 9:40PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ আজ পাঁচকুলায় হরিয়ানা পুলিশের দীক্ষান্ত কুচকাওয়াজে ভাষণ দিয়েছেন। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী শ্রী নায়াব সিং সাইনি, রাজ্যের মুখ্যসচিব, পুলিশের মহানির্দেশক সহ বিশিষ্টজনেরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, হরিয়ানা এবং দেশের রাজধানী সংলগ্ন অঞ্চলকে রক্ষা করার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এই তরুণ পুলিশ আধিকারিকদের ওপর ন্যস্ত হয়েছে। এঁরা আস্থা, দক্ষতা এবং প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সেই দায়িত্ব পালন করবেন। আজ ৯৩তম ব্যাচের ৫,১৬১ জন জওয়ান এই দীক্ষান্ত কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করেন। মহিলারা এঁদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের মেয়েরা যখন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনার অগ্রভাগে উপস্থিত থাকেন, তখন রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুগুণে শক্তিশালী হয়। এই ব্যাচের ৮৫ শতাংশ তরুণ স্নাতক। এঁদের গড় বয়স ২৬-এর নিচে। শ্রী শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশে ব্রিটিশ যুগের মান্ধাতার আইনগুলি বাতিল করে ফৌজদারি নতুন আইন কার্যকর হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়মের মাধ্যমে দেশের মানুষ ন্যায়বিচার নিশ্চিতভাবে পাবেন। হরিয়ানা পুলিশের এই ব্যাচের জওয়ানরাই নতুন এই তিনটি ফৌজদারি আইনের প্রশিক্ষণ পেলেন। ২০২৩ সালে হরিয়ানা পুলিশ তার একনিষ্ঠ কর্তব্য পালনের জন্য রাষ্ট্রপতির থেকে ‘প্রেসিডেন্টস স্কলার’ সম্মানে ভূষিত হয়। আজ এই জওয়ানরা সেই ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, হরিয়ানা যখন গঠিত হয়েছিল তখন রাজ্যে একটিমাত্র পুলিশ রেঞ্জ ও ছ’টি জেলা ছিল। আজ হরিয়ানা পুলিশ বটবৃক্ষের মতো প্রসারিত হয়েছে। বর্তমানে রেল পুলিশ, সাইবার অপরাধ দমন শাখা সহ পাঁচটি রেঞ্জ ও ১৯টি জেলার দায়িত্ব পালন করছে হরিয়ানা পুলিশ। এই পুলিশবাহিনীর সদস্য সংখ্যা ৭৭ হাজার। ১০ বছর আগে দেশে কট্টর বামপন্থা, জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গিবাদ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক ছিল। কিন্তু, মোদী সরকার এই তিনটি ক্ষেত্রে শান্তি স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। নতুন প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে জনসেবা করাই আজকের এই বাহিনীর কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। মন্ত্রী বলেন, ফরেন্সিক বিজ্ঞানকে নতুন আইনে ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। সাত বছর অথবা তার বেশি মেয়াদের শাস্তি হয়, এ ধরনের শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের অপরাধস্থল ঘুরে দেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মোদী সরকার প্রযুক্তি-ভিত্তিক প্রমাণের মাধ্যমে সকলের ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করেছে। 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, সাপ্তাহিক পুনর্মুল্যায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেখা গেছে, নতুন তিনটি আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে হরিয়ানা পুলিশ প্রথম স্থানে রয়েছে। সেদিন আর দেরি নেই যখন মাদক ও মানব পাচার, সাইবার অপরাধ এবং সংগঠিত অপরাধের মতো বড় বড় চ্যালেঞ্জগুলি হরিয়ানার পুলিশবাহিনী সহজেই মোকাবিলা করবে। 

শ্রী শাহ আরও বলেন, হরিয়ানায় এক সময়ে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে ঘুষ দিতে হত অথবা কারোর সুপারিশপত্র লাগত।  অতীতে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি জাতির মানুষেরাই ঘুষ দিতে পারতেন। নায়াব সিং সাইনি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ঘুষ অথবা সুপারিশ ছাড়াই সকলে যাতে চাকরি পান, তা নিশ্চিত করেছেন। আজ প্রায় ৫ হাজার যুবক-যুবতী তাঁদের মেধার জোরে রাজ্যকে রক্ষা করার দায়িত্ব পেয়েছেন। 

 

SC/CB/DM


(रिलीज़ आईडी: 2208476) आगंतुक पटल : 19
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , हिन्दी , Bengali-TR , Assamese , Punjabi , Gujarati