কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা
azadi ka amrit mahotsav g20-india-2023

 কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা পঞ্চদশ অর্থ কমিশন (২০২২-২৩ থেকে ২০২৫-২৬)-এর অবশিষ্ট সময়ে ১২ হাজার ৮৮২.২ কোটি টাকার উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অনুমোদন করেছে

Posted On: 05 JAN 2023 4:08PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ০৫ জানুয়ারি, ২০২৩

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা পঞ্চদশ অর্থ কমিশন (২০২২-২৩ থেকে ২০২৫-২৬)-এর অবশিষ্ট সময়ে ১২ হাজার ৮৮২.২ কোটি টাকার উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অনুমোদন করেছে।

এক্সপেনডিচার ফিনান্স কমিটি (ইএফসি)-র সুপারিশের ভিত্তিতে নর্থ-ইস্ট স্পেশাল ইনফ্রাসট্রাকচার স্কিলের জন্য খরচ হবে ৮ হাজার ১৩৯.৫ কোটি টাকা যার মধ্যে আছে চলতি প্রকল্পগুলির দায়। এনইসি কর্মসূচির জন্য খরচ হবে ৩ হাজার ২০২.৭ কোটি টাকা যার মধ্যে আছে চলতি প্রকল্পগুলির দায়। অসমে বিটিসি, ডিএইচএটিসি এবং কেএএটিসি-র জন্য বিশেষ প্যাকেজের জন্য খরচ হবে ১৫৪০ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ক্ষেত্রের কর্মসূচি এনইএসআইডিএস-এ যেখানে কেন্দ্রই পুরো টাকা যোগায় সেটি পূর্নগঠিত করা হয়েছে যাতে আছে দুটি ভাগ একটি সড়কের জন্য অন্যটি সড়ক ব্যতিত অন্য কাজের জন্য।

মন্ত্রকের নতুন কর্মসূচি প্রাইম মিনিস্টার্স ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ ফর দি নর্থ ইস্টার্ন রিজিয়ন-পিএম ডিভাইন-এর জন্য খরচ হবে ৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, যা পৃথকভাবে আগেই অনুমোদিত হয়েছে ২০২এর অক্টোবরে। এর অধীন পরিকাঠামো, সামাজিক উন্নয়ন এবং জীবিকা ক্ষেত্রে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব কার্যকর হবে।

মন্ত্রিসভা কর্মসূচি বর্ধিত করায় প্রকল্প নির্বাচনে কর্মসূচি রূপায়ণের জন্য আরও ভালো পরিকল্পনা করা যাবে। প্রকল্পের অনুমোদন হবে দ্রুত এবং কর্মসূচির নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যেই প্রকল্প রূপায়ণ হবে। ২০২৫-২৬-এর মধ্যে বেশিরভাগ প্রকল্পের কাজ সম্পূ্র্ণ করার প্রয়াস নেওয়া হবে। সেইজন্য কর্মসূচিগুলি প্রাথমিকভাবে ২০২২-২৩ এবং ২০২৩-২৪-এ নতুন ভাবে অনুমোদিত হবে।

গত ৮ বছরে প্রধানমন্ত্রী উত্তর-পূর্বাঞ্চল সফর করেছেন ৫০ বারের বেশি। আর অন্যদিকে ৭৪টি মন্ত্রক থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চল সফর করা হয়েছে ৪০০ বারের বেশি। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।

জঙ্গিপনার ঘটনা কমেছে ৭৪ শতাংশ। নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনা কমেছে ৬০ শতাংশ। সাধারণ নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনা কমেছে ৮৯ শতাংশ। প্রায় ৮ হাজার তরুণ আত্মসমর্পণ করে মূল স্রোতে ফিরেছেন।

২০১৯এ ত্রিপুরায় ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্টের সঙ্গে, ২০২০তে ব্রু এবং বোরো চুক্তি এবং ২০২১এ কার্বি চুক্তি হয়েছে। আসাম-মেঘালয় এবং আসাম-অরুণাচল সীমান্ত বিবাদ প্রায় নিষ্পন্ন।

২০১৪ থেকে ৪ লক্ষ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ হয়েছে অঞ্চলের জন্য। গত ৪ বছরে এম এমডিওএনইআর কর্মসূচির অধীনে খরচ হয়েছে ৭৫৩৪.৪৬ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ পর্যন্ত আগামী ৪ বছরে খরচের জন্য পাওয়া যাবে ১৯ হাজার ৪৮২.২০ কোটি টাকা।

এই অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। রেল যোগাযোগে উন্নতির জন্য ২০১৪ থেকে ৫১ হাজার ১৯ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। ৭৭ হাজার ৯৩০ কোটি টাকার ১৯টি নতুন প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত যেখানে বার্ষিক গড় বাজেট বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১২২ কোটি টাকা সেখানে গত ৮ বছরে প্রায় ৩৭০% বৃদ্ধি হয়ে গড় বার্ষিক বাজেট বরাদ্দ হয়েছে ৯ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা। আগামী তিন বছরে ২০৯টি প্রকল্পে ৯ হাজার ৪৭৬ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হবে। এরজন্য কেন্দ্রীয় সরকার খরচ করছে ১ লক্ষ ৬ হাজার ৪ কোটি টাকা। বিমান যোগাযোগও প্রভূতভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ৬৮ বছরে উত্তর-পূর্বে মাত্র ৯টি বিমান বন্দর ছিল, সেখানে মাত্র ৮ বছরে এর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭টি। বিমান যাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে ২০১৪ থেকে ১১৩%। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অসামরিক বিমান পরিবহণে ২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে।

টেলিকম যোগাযোগের উন্নতির জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৪ হাজার ৫২৫টি গ্রামে ফোরজি সংযোগ অনুমোদন করেছে। ২০২৩এর মধ্যে ওই অঞ্চলে সম্পূর্ণ টেলিকম যোগাযোগের জন্য ৫০০ দিনের লক্ষ্য স্থির করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে জলপথ অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত। ২০১৪র আগে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মাত্র একটি জাতীয় জলপথ ছিল। এখন সেখানে ১৮টি জাতীয় জলপথ আছে। জাতীয় জলপথ ২ এবং জাতীয় জলপথ ১৬র উন্নয়নের জন্য সম্প্রতি ৬ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলে দক্ষতা বৃদ্ধি পরিকাঠামো উন্নয়নে আনুমানিক ১৯০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। ১৯৩টি নতুন দক্ষতা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছে। দক্ষতা বৃদ্ধি করতে খরচ হয়েছে ৮১.৮৩ কোটি টাকা। বিভিন্ন কর্মসূচিতে মোট ১৬ লক্ষ ৫ হাজার ৮০১ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

উদ্যোগপতিদের উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচিতে ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র, মাঝারি শিল্পোদ্যোগ তুলে ধরা হচ্ছে। ৬৪৫.০৭ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে ৯৭৮টি ইউনিটকে সাহায্য করতে বা স্থাপন করতে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে থেকে ৩ হাজার ৮৬৫টি স্টার্টআপ নথিভুক্ত হয়েছে।

গত ৮ বছরে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নে নজর দিয়ে ২০১৪-১৫ থেকে সরকার ৩১ হাজার ৭৯৩.৮৬ কোটি টাকা খরচ করেছে। ১৯টি রাজ্য ক্যান্সার প্রতিষ্ঠা এবং ২০টি টার্সিয়ারি কেয়ার ক্যান্সার সেন্টার অনুমোদিত হয়েছে।

বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে ২০১৪-১৫ থেকে সরকার ৩৭ হাজার ০৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে, যার মধ্যে এ পর্যন্ত ১০ হাজার ৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। ৯ হাজার ২৬৫ কোটি টাকার নর্থইস্ট গ্যাস গ্রীড (এনইজিজি) প্রকল্পের কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে আলোকিত করতে ৫৫০ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন।

 

PG/AP/NS



(Release ID: 1889087) Visitor Counter : 115