জাহাজচলাচলমন্ত্রক
শ্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল পিএম গতিশক্তি ন্যাশনাল প্ল্যানের আওতায় বড় বড় বন্দর ও জলপথগুলির সহজে ব্যবসা করার জন্য গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালনগত দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়টি পর্যালোচনা করেছেন
প্রকাশিত:
09 FEB 2022 4:15PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রী শ্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল পিএম গতিশক্তি ন্যাশনাল প্ল্যানের আওতায় বিভিন্ন বন্দরে সহজে বাণিজ্য করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপ ও প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালনগত দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী শান্তনু ঠাকুর, সব বড় বড় বন্দরগুলির চেয়ারম্যান, ভারতের অভ্যন্তরীণ জলপথ কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিরা ছাড়াও মন্ত্রকের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
উচ্চাকাঙ্খী পিএম গতিশক্তি ন্যাশনাল প্ল্যানের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে বড় বড় বন্দরগুলি কি ভূমিকা নেবে বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এইসব বন্দরে আন্তর্জাতিক মানের পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। সড়ক, রেল পথ, বিমানবন্দর, বন্দর, গণ পরিবহণ, জল পথ ও পণ্য পরিবহণ – উন্নয়নের এই সাতটি চালিকা শক্তি পিএম গতিশক্তিকে চালনা করবে। একাজে বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জল পথ মন্ত্রক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, আর্থিক বিকাশ নিশ্চিত করা এবং নাগরিকদের সুপ্রশাসন নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এই মাস্টার প্ল্যানের সূচনা করেছেন। আজকের বৈঠকে গ্রেটার নিকোবরে এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে পণ্য ওঠানো-নামানোর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
শ্রী সোনওয়াল বলেন, বিভিন্ন বন্দরগুলির যৌথ ও সুসংহত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশজুড়ে উন্নয়নমূলক কাজে গতি আসবে। সাধারণ মানুষ বিশেষত কৃষক ও মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের পিএম গতিশক্তি প্রকল্প থেকে উপকৃত হবেন, যার ফলে, দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। শ্রী সোনওয়াল এই প্রসঙ্গে তার সম্প্রতি পাটনা সফরের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ জল পথ পরিবহণ ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে নদী ও সাগরের সহযোগিতায় আমরা এগিয়ে যাবো। তিনি গঙ্গাকে মাতা ও ব্রহ্মপুত্রকে পিতা হিসেবে উল্লেখ করেন। আত্মনির্ভর ভারত অভিযান ও দক্ষতা বিকাশ কর্মসূচির উপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি দেশের যুব শক্তি যাতে উপকৃত হয় তার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন।
দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জল পথ মন্ত্রক পিএম গতিশক্তির বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। আজকের বৈঠকে সে বিষয়ে আরও একধাপ এগোনো নিশ্চিত করা হলো।
মন্ত্রকের সচিব ডঃ সঞ্জীব রঞ্জন বহুস্তরীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন। পিএম গতিশক্তি, স্মার্ট ও পরিবেশবান্ধব বন্দর এবং ২০৩০-এর মেরিটাইম ইন্ডিয়া ভিশনের মাধ্যমে উন্নয়নের সাতটি স্তম্ভের কথা তিনি উল্লেখ করেন। পর্যালোচনা বৈঠকে পিএম গতিশক্তির বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে মত বিনিময়ের পাশাপাশি ভেহিকেল স্ক্র্যাপিং নীতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিভিন্ন বন্দরের চেয়ারম্যানরা সংশ্লিষ্ট বন্দরগুলির নানা প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করা ও ভবিষ্যতের চাহিদা অনুযায়ী প্রকল্প তৈরি করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। দেশের অর্থনীতির বিকাশ নিশ্চিত করতে এবং আরও বেশি মানুষ যাতে এর সুফল পান তার জন্য শ্রী সোনওয়ালের পথ দেখানো অনুসরণ করে তাঁরা চলবেন বলে মন্ত্রকের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন।
CG/CB/SKD/
(রিলিজ আইডি: 1797052)
ভিজিটরের কাউন্টার : 150