স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক

অবাস্তব তথ্যের বিরুদ্ধে বাস্তব তথ্য

Posted On: 15 JUN 2021 3:26PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লী,  ১৫ জুন, ২০২১

 

সম্প্রতি কিছু সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে  দেশে করোনা সংক্রমণের স্ট্রেইন ক্রমশ পরিবর্তিত  হচ্ছে। তবে বেশ কিছুদিন ধরে সেই পরিবর্তিত স্ট্রেইনের নমুনা সংগ্রহের পরিমাণ অনেক কম হয়েছে। যার ফলে সঠিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রকৃত রোগের সংখ্যার বিষয়ে বাস্তব তথ্য সামনে আসেনি এবং সরকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও গ্রহণ করেনি।

এ বিষয়ে স্পষ্ট  জানানো দরকার যে, নমুনা সংগ্রহে কৌশলটি  বৈজ্ঞানিক নীতি এবং হু-র নির্দেশিকার ওপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা হয়েছে। এই নমুনা সংগ্রহের কৌশলের বিষয় নিয়ে সময় সময় পর্যালোচনা ও সংশোধন করা হয়েছে। 

গত বছর ২৫ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের আওতায় 'ভারতীয় সার্স কোভ-২ জেনেটিক্স কনসোর্টিয়াম' (আইএনএসএসিওজি) গঠন করা হয়। এই ফোরাম ভারতে কোভিড-১৯এর স্ট্রেইন, সংক্রমণের জিনোম সিকোয়েন্সিং এবং স্ট্রেইন পরিবর্তনে বিষয়ের ওপর গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ঠিক হয়, যেসব যাত্রী বিদেশ থেকে আসছেন তাদের শরীরে  অন্য কোন স্ট্রেইন এ দেশে আসছে কি না তা শনাক্ত করতে এবং ইতিমধ্যে দেশের জনগণের মধ্যে সংক্রমণের অন্যকোন ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে কি না তা জানার জন্য নমুনা সংগ্রহের কাজ চালানো হবে। পরবর্তী সময় এই নমুনা সংগ্রহের পরিকল্পনায় পরিবর্তন করা হয়। নতুন করে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সংখ্যা বাড়তে থাকায় ‘নিঃশব্দে নজরদারি’ চালানোর কৌশল গ্রহণ করা হয়। এছাড়াও বিশেষ/অস্বাভাবিক ঘটনা যেমন বহু মাত্রায় কোনো গোষ্ঠির মধ্যে সংক্রমণের প্রসার, টিকার ডোজ কাজ না করা ইত্যাদি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নজরদারি চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ পর্যন্ত আইএনএসএসিওজি সময়ে সময়ে সংক্রমণের ধারা পরিবর্তন সনাক্তকরণে সহায়তা করেছে এবং এই সম্পর্কে সব তথ্যই রাজ্যগুলিকে জানানো হয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে আরও জানানো দরকার যে বর্তমানে জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষাগারের সংখ্যা এবং ক্ষমতা ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৮ করা হয়েছে। একইসঙ্গে এই পরীক্ষাগারগুলিকে আইএনএসএসিওজি নেটওয়ার্কের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

CG/SS/NS



(Release ID: 1727309) Visitor Counter : 206