ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্রওমাঝারিশিল্পমন্ত্রক
কেভিআইসির মধু মিশন কর্মসূচি পরিযায়ী শ্রমিকদের সর্বপ্রথম আয়ের পথ দেখানোর পাশাপাশি আগামী মাস গুলিতে উচ্চ ফলনের আশায় রয়েছে
प्रविष्टि तिथि:
30 NOV 2020 3:59PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লী, ৩০ নভেম্বর, ২০২০
করোনা জনিত অতিমারি পরিস্থিতিতে খাদি ও গ্রামীণ শিল্প কমিশন, কেভিআইসি মধু সংগ্রহ কর্মসূচিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের যুক্ত করে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে। উত্তরপ্রদেশের মধু মিশন কর্মসূচিতে মধু তৈরি করে পরিযায়ী শ্রমিকরা এই প্রথম আয়ের পথ দেখতে পেয়েছে। গত আগস্ট মাসে এই পরিযায়ী শ্রমিকরা কাজ শুরু করেছিল। তবে আগামী ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত অধিক ফলনের আশায় এখন তাঁরা অপেক্ষা করে রয়েছেন। উত্তর প্রদেশের মুজাফফরনগর জেলায় ৫ জন পরিযায়ী শ্রমিককে গত ২৫ আগস্ট পঞ্চাশটি মৌমাছি পালনের বাক্স তৈরি করে দেওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁরা ২৫৩ কেজি মধু সংগ্রহ করেন। সংগৃহীত মধু তাঁরা ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন এবং এভাবে তাঁদের ৫০ হাজার টাকা রোজগার হয়। অর্থাৎ তাদের আয় হয়েছে ১০ হাজার টাকা। পরবর্তীকালে প্রশিক্ষণ দিয়ে আরও ৭০ জন পরিযায়ী শ্রমিকের হাতে ৭০০ টি মৌমাছি পালনের বাক্স তুলে দেওয়া হয়। সেখান থেকে আগামী দিনে তাঁরা মধু সংগ্রহ করবেন। ওই বাক্স গুলি থাকে আগামী ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত অতিরিক্ত পাঁচগুণ মধু সংগ্রহ করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মৌমাছি পালনের উৎকৃষ্ঠ সময়ে এক একটি বাক্স থেকে ২৫ কেজি মধু সংগ্রহ করা যাবে। খাদি ও গ্রামীণ শিল্প কমিশনের চেয়ারম্যান বিনয় কুমার সাক্সেনা জানিয়েছেন, এটা বড়ই আশার কথা যে পরিযায়ী শ্রমিকরা তাঁদের আয়ের পথ খুঁজে পেয়েছেন। তাঁদের মধু মিশন কর্মসূচি আত্মনির্ভর ভারতের একটি অংশ বলা চলে। অন্যদিকে, মধু পালকরাও কমিশনের এই কর্মসূচিকে স্বাগত জানিয়েছেন।
***
CG/SB
(रिलीज़ आईडी: 1677266)
आगंतुक पटल : 258