প্রকাশিত:
29 OCT 2026 2:56PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ৩০ ও ৩১ অক্টোবর গুজরাট সফর করবেন।
৩০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী বনাসকাঁঠায় ‘এমব্রায়ো ট্রান্সফার টেকনোলজি-ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন’ ল্যাবরেটরি এবং ‘ভারত বোভাইন ব্রিডিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’ গবাদি পশুর খামার পরিদর্শন করবেন। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ তিনি বনাসকাঁঠিয় ১৪ হাজার কোটিরও বেশি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, উদ্বোধন এবং জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন। এছাড়াও, তিনি ‘পিএম-কিসান’ প্রকল্পে ১৯ হাজার কোটি টাকার ২৪তম কিস্তি প্রদান, দুটি ট্রেন পরিষেবার সূচনা এবং এই উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দেবেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী কেভাদিয়ার একতা নগরে যাবেন। বিকেল ৫টা নাগাদ তিনি ‘ভারত পর্ব ২০২৬’-এর উদ্বোধন করবেন। সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে তিনি ‘একতা প্রকাশ পর্ব’ প্রত্যক্ষ করবেন এবং রাত ৮টা ১৫ মিনিটে নর্মদা আরতিতে অংশ নেবেন।
৩১ অক্টোবর সকাল ৯টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’-তে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন। এরপর সকাল ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ তিনি একতা নগরে ৪০০ কোটিরও বেশি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন এবং জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন। তিনি একতা নগরে ‘রেইন ফরেস্ট’ এবং ‘বামন বৃক্ষ বাটিকা’ পরিদর্শন করবেন। বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’-এর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।
বনসাকাঁঠায় প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী গুজরাটের বনাসকাঁঠার ভিলদিতে অবস্থিত ‘ভারত বোভাইন ব্রিডিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’ জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন। ১২৭ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই কেন্দ্রটিকে একটি অত্যাধুনিক ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’ (উৎকর্ষ কেন্দ্র) হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। বিবিবিআরসি গবাদি পশুর প্রজনন, জিনগত উৎকর্ষ সাধন এবং উন্নত প্রজনন প্রযুক্তির ক্ষেত্রটিকে শক্তিশালী করবে। এটি হবে দেশের প্রথম এমন একটি কেন্দ্র, যা বিশেষভাবে কাঁকরেজ জাতের গবাদি পশুর উন্নয়নের জন্য নিবেদিত।
প্রধানমন্ত্রী থারাদ ও রাধানপুরে বানাস ডেয়ারির দুটি বায়ো-সিএনজি প্ল্যান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এই প্ল্যান্ট দুটিতে প্রতিদিন যথাক্রমে ৭৫ মেট্রিক টন এবং ১০০ মেট্রিক টন গোবর প্রক্রিয়াজাত করার সক্ষমতা থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী আহমেদাবাদ মেট্রোর দ্বিতীয় পর্যায়ের ‘ফেজ-২এ’ (বিমানবন্দর সম্প্রসারণ) এবং ‘ফেজ-২বি’ (গিফট সিটি সম্প্রসারণ)-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। ৬ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ ‘ফেজ-২এ’-তে কোটেশ্বর রোড থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পাঁচটি স্টেশন থাকবে। অন্যদিকে, ৩.৩ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ ‘ফেজ-২বি’-তে গিফট সিটি থেকে শাহপুর পর্যন্ত তিনটি স্টেশন থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী আহমেদাবাদ-মেহসানা রোডকে (স্টেট হাইওয়ে-৪১) চার লেন থেকে আট লেনে উন্নীতকরণের কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। প্রায় ২,৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি আহমেদাবাদ ও উত্তর গুজরাটের মধ্যে যাতায়াতকে আরও দ্রুত, নিরাপদ ও আরামদায়ক করে তুলবে।
প্রধানমন্ত্রী ‘এগ্রিকালচার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড’ (কৃষি পরিকাঠামো তহবিল)-এর আওতায় সম্পন্ন হওয়া ৫২১টি প্রকল্প জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন, যার মোট ব্যয় প্রায় ৪,৯৫০ কোটি টাকা।প্রধানমন্ত্রী আহমেদাবাদ (সবরমতী)-বারাণসী এক্সপ্রেস এবং মেহসানা-বেচরাজী-সবরমতী মেমু ট্রেন পরিষেবার সূচনা করবেন।
একতা নগরে প্রধানমন্ত্রী
৩০ অক্টোবর, ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’ উদযাপনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী একতা নগরে ‘ভারত পর্ব ২০২৬’-এর সূচনা করবেন। ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও জাতীয় ঐক্যের উদযাপন হিসেবে এবং ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর চেতনায় আয়োজিত এই উৎসবটি বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলকে তাদের নিজস্ব ঐতিহ্য, লোকশিল্প, আঞ্চলিক খাবার, হস্তশিল্প এবং পর্যটনকে তুলে ধরার একটি মঞ্চ করে দেবে।
৩১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী একতা নগরে ৪০০ কোটিরও বেশি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন এবং জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন।
প্রধানমন্ত্রী ৩১ অক্টোবর ‘রাষ্ট্রীয় একতা দিবস’ উদযাপনে অংশগ্রহণ করবেন। এই দিনটি সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫১তম জন্মবার্ষিকী স্মরণে পালিত হবে।
বিভিন্ন ট্যাবলো ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ‘বন্দে মাতরম’-এর মূলভাবকে কেন্দ্র করে সাজানো হবে, যা দেশপ্রেম, জাতীয় গর্ব এবং সম্মিলিত একাত্মতার প্রতিফলন ঘটাবে। ট্যাবলোগুলিতে মানুষের আকাঙ্ক্ষা, বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি এবং মানুষের উন্নয়নের যাত্রাপথ তুলে ধরা হবে।
ভারত থেকে প্রায় ৫,০০০ শিল্পীর অংশগ্রহণে একটি বিশাল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে, যা দেশের বৈচিত্র্যময় শাস্ত্রীয় ও লোক ঐতিহ্য, সঙ্গীত, নৃত্য এবং শৈল্পিক উত্তরাধিকারকে উদযাপন করবে।
MH/MP/NS