নয়াদিল্লি, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
কৃষকদের ফসলের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই মূল্য কৃষকরা চাষের পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের বিষয়ে আরও ভালোভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এবছর ৩০ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৭-২৮ সালের রবি বিপণন মরশুমের জন্য নির্ধারিত সকল রবি ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে। আনুমানিক ৩২৪ লক্ষ মেট্রিক টন ফসল সংগ্রহের জন্য কৃষকদের প্রায় ৯০,৯৬২ কোটি টাকা দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বছরের পর বছর সরকারি সংগ্রহ এবং কৃষকদের দেওয়া অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধির মাধ্যমে MSP সহায়তার পরিধি আরও বেড়েছে। ২০০৪-০৫ থেকে ২০১৩-১৪ পর্যন্ত ছয়টি রবি ফসলের মোট সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ২,৩০২ লক্ষ মেট্রিক টন। ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬ পর্যন্ত এই পরিমাণ বেড়ে ৩,৯২১ লক্ষ মেট্রিক টন হয়েছে। একই সময়ে MSP-র আওতায় কৃষকদের দেওয়া অর্থ ২.৬৫ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৮.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে।
এদিকে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে ফসল সংগ্রহ ও অর্থ প্রদানের প্রক্রিয়া আরও সহজ এবং স্বচ্ছ হচ্ছে। ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা, সরকারি সংগ্রহ বাড়ানো এবং প্রযুক্তির ব্যবহার, এই তিনটি উদ্যোগ কৃষকদের বাজারে ফসল বিক্রির সুযোগ বাড়াচ্ছে। পাশাপাশি, কৃষিকাজের পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও তাঁদের আস্থা বাড়ছে।
ন্যূনতম সহায়ক মূল্য : ফসলের দাম স্থিতিশীল রাখতে কৃষকদের সহায়তা
কৃষকদের আয় শুধু কতটা ফসল উৎপাদন হচ্ছে তার ওপর নির্ভর করে না। ফসল বিক্রি করে তাঁরা কত দাম পাচ্ছেন, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কয়েক মাস ধরে শ্রম, অর্থ ও অন্যান্য উপকরণ বিনিয়োগের পর ফসলের বাজারদরই কৃষকদের আয় নির্ধারণ করে। একই সঙ্গে, এই আয়ের ওপর নির্ভর করে তাঁরা পরবর্তী মরশুমে চাষ চালিয়ে যেতে পারবেন কি না, সেই সিদ্ধান্তও নেন। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ক্ষেত্রে বাজারদরের ওঠানামা আয়ের অনিশ্চয়তা বাড়ায় এবং পরবর্তী মরশুমে কোন ফসল চাষ করবেন, সেই সিদ্ধান্তেও প্রভাব ফেলে।
এই পরিস্থিতিতে কৃষকদের সহায়তার জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত দামে নির্দিষ্ট কৃষিপণ্য সংগ্রহ করে। MSP কৃষকদের ফসলের ন্যায্য দাম পেতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, কৃষিকাজে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়াতেও উৎসাহ দেয়।
MSP-কে হাতিয়ার করে ফসলের দামের একটি নিশ্চয়তা পাওয়া যায়। বাজারে দাম কমে গেলে কৃষকরা MSP-র আওতায় থাকা ফসল ঘোষিত দামে বিক্রি করার সুযোগ পান। এতে বাজারদরের ওঠানামার কারণে আয়ের অনিশ্চয়তা কিছুটা কমে। কৃষকরা তাঁদের আয় সম্পর্কে ধারণা পেয়ে পরবর্তী মরশুমের পরিকল্পনা করতে পারেন। প্রত্যাশিত আয়ের বিষয়ে আস্থা বাড়লে উন্নত বীজ, কৃষিপ্রযুক্তি এবং উৎপাদন বাড়ানোর অন্যান্য উপকরণে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতেও সুবিধা হয়।
কিভাবে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ করা হয়
কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি বছর ২২টি নির্ধারিত কৃষিপণ্যের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ঘোষণা করে। কৃষি ব্যয় ও মূল্য কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়। সুপারিশ তৈরির সময় সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রক ও দপ্তরগুলির মতামত বিবেচনা করা হয়।
এ ছাড়া, সর্ষে ও রেপসিডের জন্য ঘোষিত MSP-র ভিত্তিতে টোরিয়া এবং নারকেলের খোলা ছাড়ানো শাঁসের জন্য ঘোষিত কপরা MSP-র ভিত্তিতে ডিহাস্কড কোকোনাটের MSP নির্ধারণ করা হয়।
বিভিন্ন ফসলের MSP নির্ধারণের সময় কৃষি ব্যয় ও মূল্য কমিশন একাধিক বিষয় বিবেচনা করে। এর মধ্যে রয়েছে :
- উৎপাদন খরচ।
- দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে ফসলের চাহিদা এবং জোগান।
- দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে ফসলের দাম।
- বিভিন্ন ফসলের দামের মধ্যে সামঞ্জস্য।
- কৃষি ও অকৃষি ক্ষেত্রের মধ্যে বাণিজ্যের শর্ত।
- মূল্য নির্ধারণের নীতি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে কি প্রভাব ফেলতে পারে।
- উৎপাদন খরচের ওপর অন্তত ৫০ শতাংশ লাভের সুযোগ।
MSP নির্ধারণের সময় উৎপাদন খরচ হিসাব করার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে শ্রমিক, বলদ ও যন্ত্রের সাহায্যে কাজ করানোর খরচ, লিজে নেওয়া জমির ভাড়া, বীজ, সার, জৈব সার এবং সেচের খরচ। পাম্প চালানোর জন্য ডিজেল ও বিদ্যুতের খরচ, কৃষি সরঞ্জাম ও বাড়িঘরের অবচয়, চলতি মূলধনের সুদ এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচও এর অন্তর্ভুক্ত।
এ ছাড়া, চাষের কাজে পরিবারের সদস্যদের শ্রমের মূল্যও উৎপাদন খরচের হিসাবে ধরা হয়। এর সাহায্যে কৃষিকাজে পরিবারের সদস্যদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। MSP নির্ধারণের জন্য একই উৎপাদন খরচের হিসাবের পদ্ধতি ২২টি নির্ধারিত ফসল এবং সকল রাজ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়।
রবি বিপণন মরশুম ২০২৭-২৮ : ফসলের ন্যায্য দাম ও ফসলের বৈচিত্র্য বাড়ানোর উদ্যোগ
২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৭-২৮ সালের রবি বিপণন মরশুমের জন্য নির্ধারিত সকল রবি ফসলের MSP বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে।
প্রতি কুইন্টালে MSP-র সর্বোচ্চ বৃদ্ধি করা হয়েছে কুসুম ফুলের ক্ষেত্রে। এই ফসলের MSP কুইন্টালপ্রতি ৬৭৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এরপর রয়েছে রেপসিড ও সর্ষে, যার MSP কুইন্টালপ্রতি ৪১৩ টাকা বেড়েছে। মসুর ডালের MSP কুইন্টালপ্রতি ৩৯০ টাকা এবং যবের MSP ১৩৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আগের বছরের তুলনায় গম ও ছোলার MSP-ও বাড়ানো হয়েছে।
উৎপাদন খরচের তুলনায় সম্ভাব্য লাভের হিসাবে গমের ক্ষেত্রে লাভের হার সর্বাধিক ১০৬ শতাংশ। রেপসিড ও সর্ষের ক্ষেত্রে এই হার ৯৬ শতাংশ, মসুর ডালের ক্ষেত্রে ৯২ শতাংশ এবং ছোলার ক্ষেত্রে ৫৯ শতাংশ।
২০২৭-২৮ সালের রবি বিপণন মরশুমে আনুমানিক ৩২৪ লক্ষ মেট্রিক টন ফসলের জন্য কৃষকদের প্রায় ৯০,৯৬২ কোটি টাকা দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। রবি ফসলের MSP বৃদ্ধির লক্ষ্য হল কৃষকদের ফসলের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষে উৎসাহ দেওয়া।
MSP-র আওতায় ফসল সংগ্রহ আরও সহজ ও স্বচ্ছ করা
MSP-র সুবিধা কৃষকদের কাছে সরাসরি পৌঁছে দিতে ফসল সংগ্রহের ব্যবস্থায় নানা পরিবর্তন আনা হয়েছে। খাদ্যশস্য ও মোটা দানাশস্য সংগ্রহ করে ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (FCI) এবং নির্দিষ্ট রাজ্য সরকারি সংস্থাগুলি। এর মাধ্যমে কৃষকরা ঘোষিত MSP-তে ফসল বিক্রির সুযোগ পান।
প্রধানমন্ত্রী অন্নদাতা আয় সংরক্ষণ অভিযান (PM-AASHA)-র মূল্য সহায়তা প্রকল্পের (PSS) আওতায় ডাল, তৈলবীজ এবং কপরা সংগ্রহ করা হয়। বাজারে ফসলের দাম ঘোষিত MSP-র নিচে নেমে গেলে রাজ্য সরকারগুলি সরকারি সংগ্রহের জন্য আবেদন করতে পারে। ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (NAFED) এবং ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ কনজিউমার্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড (NCCF) এই প্রকল্পের আওতায় ফসল সংগ্রহের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে।
দেশে ডাল উৎপাদন বাড়ানো এবং স্বনির্ভরতা অর্জনে গতি আনতে ২০৩০-৩১ সাল পর্যন্ত ডাল উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অভিযান (Mission for Aatmanirbharta in Pulses)-এর আওতায় তুর, উড়দ ও মসুর ডাল আগে থেকে নথিভুক্ত কৃষকদের কাছ থেকে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হচ্ছে।
কৃষকদের জন্য ফসল বিক্রির সুযোগ বাড়াতে পর্যাপ্ত সংখ্যক সংগ্রহ কেন্দ্র তৈরি করা হয়। রাজ্য সরকার এবং সংগ্রহকারী সংস্থাগুলি ফসল সংগ্রহের সময়সূচি, কেন্দ্রের অবস্থান এবং ফসলের গ্রহণযোগ্য গুণমানের মানদণ্ড (FAQ) সম্পর্কে কৃষকদের জানায়।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও ফসল সংগ্রহের ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে। মূল্য সহায়তা প্রকল্পের আওতায় NAFED-এর ই-সমৃদ্ধি এবং NCCF-এর ই-সংযুক্তি প্ল্যাটফর্মে কৃষকদের নাম নথিভুক্ত করা, ফসল সংগ্রহ এবং অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে।
এই প্ল্যাটফর্মগুলিতে নাম নথিভুক্ত করার সময় কৃষকদের আধার, জমির নথি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং ফসলের বিবরণ দিতে হয়। নথিভুক্ত কৃষকরা তাঁদের নিকটবর্তী সংগ্রহ কেন্দ্র বেছে নিতে পারেন। এরপর পোর্টালের মাধ্যমে তাঁদের নির্দিষ্ট দিনে কেন্দ্রে যাওয়ার সময় দেওয়া হয়।
MSP-র টাকা সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। এতে হাতে হাতে লেনদেনের প্রয়োজন কমে, মধ্যস্থতাকারীদের ওপর নির্ভরতা হ্রাস পায় এবং অর্থ পেতে দেরি হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
এ বছর ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ই-সংযুক্তি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ৪৩ লক্ষেরও বেশি কৃষকের কাছ থেকে ফসল সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংগৃহীত ফসলের পরিমাণ ৩৭.৪৫ লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি। কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৩,০০০ কোটি টাকারও বেশি পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে, ই-সমৃদ্ধি প্ল্যাটফর্মে ১.৩৭ কোটিরও বেশি কৃষক নথিভুক্ত হয়েছেন। সেখানে ২.২৫ কোটিরও বেশি ইউনিট ফসল সংগ্রহ করা হয়েছে এবং কৃষকদের ৮১ লক্ষেরও বেশি বার অর্থ প্রদান করা হয়েছে।
স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ২০২৫-২৬ মরশুম থেকে মূল্য সহায়তা প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের বায়োমেট্রিক পরিচয় যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফসল সংগ্রহের আগে আধার-সংযুক্ত পয়েন্ট অফ সেল (PoS) যন্ত্র অথবা মুখের ছবি যাচাই-এর মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। এর ফলে প্রকৃত ও যোগ্য কৃষকদের কাছেই সরকারি সংগ্রহের সুবিধা পৌঁছনোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে সাহায্য হয়।
ফসল সংগ্রহ ও MSP-র অর্থপ্রদানের পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছে
সরকারি ফসল সংগ্রহের পরিমাণ এবং কৃষকদের দেওয়া অর্থের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি MSP-র ভূমিকা তুলে ধরে।
২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬ পর্যন্ত গম সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ৩,৭১৫ লক্ষ মেট্রিক টন (LMT)। ২০০৪-০৫ থেকে ২০১৩-১৪ পর্যন্ত এই পরিমাণ ছিল ২,২৫৪ লক্ষ মেট্রিক টন। একইভাবে, ছয়টি রবি ফসলের মোট সংগ্রহের পরিমাণ আগের সময়ের ২,৩০২ লক্ষ মেট্রিক টন থেকে বেড়ে ৩,৯২১ লক্ষ মেট্রিক টন হয়েছে।
ফসল সংগ্রহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে MSP-র আওতায় কৃষকদের দেওয়া অর্থের পরিমাণও বেড়েছে। ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬ পর্যন্ত গম চাষিদের মোট ৭.৩১ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। ২০০৪-০৫ থেকে ২০১৩-১৪ পর্যন্ত এই পরিমাণ ছিল ২.৫৬ লক্ষ কোটি টাকা।
ছয়টি রবি ফসলের ক্ষেত্রে MSP-র আওতায় কৃষকদের দেওয়া মোট অর্থ আগের সময়ের ২.৬৫ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৮.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে।
২০২৬-২৭ সালের রবি বিপণন মরশুমে ৩৫৭.৫৭ লক্ষ মেট্রিক টন গম সংগ্রহ করা হয়েছে। এই গমের MSP-র মোট মূল্য ৯২,৪৩২.৫১ কোটি টাকা। এর ফলে, ৩৪ লক্ষেরও বেশি কৃষক উপকৃত হয়েছেন।
এই পরিসংখ্যান সরকারি ফসল সংগ্রহের ব্যাপকতা এবং MSP-র মাধ্যমে কৃষকদের দেওয়া আর্থিক সহায়তার পরিমাণ তুলে ধরে।
কৃষকদের সহায়তা, কৃষিক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করা
বাজারে ফসলের দামের ওঠানামার প্রভাব কমানো এবং কৃষিকাজের পরিকল্পনা ও বিনিয়োগে আস্থা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (MSP) একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ব্যবস্থা। ২০২৭-২৮ সালের রবি বিপণন মরশুমের জন্য MSP নির্ধারণের ক্ষেত্রেও উৎপাদন খরচের ওপর অন্তত ৫০ শতাংশ লাভের সুযোগ রাখা হয়েছে।
বছরের পর বছর সরকারি ফসল সংগ্রহ এবং কৃষকদের দেওয়া অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি সরকারি সহায়তার পরিধি বাড়ার প্রমাণ। অন্যদিকে, ডিজিটাল নথিভুক্তি, বায়োমেট্রিক পরিচয় যাচাই এবং সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থায় ফসল সংগ্রহের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও স্বচ্ছ হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, ফসলের ন্যায্য দাম, বাজারে বিক্রির সুযোগ এবং কৃষকদের উপযুক্ত আয় নিশ্চিত করার উদ্যোগ কৃষকদের আয়ের সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে। একই সঙ্গে, এই পদক্ষেপগুলি কৃষিক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম করে তুলতে সাহায্য করছে।
তথ্যসূত্র
Cabinet Committee on Economic Affairs
https://www.pib.gov.in/PressReleasepage.aspx?PRID=2316941®=48&lang=1
Ministry of Agriculture and Farmers Welfare
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=1777683®=48&lang=2
https://www.icar.gov.in/hi/node/24721?utm_
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2317665®=48&lang=2
https://sansad.in/getFile/lsapps/loksabhaquestions/annex/187/AS450_OAibYg.pdf?source=lsapps
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2246181®=1&lang=1
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2155528&lang=2®=48&utm_
https://icar.org.in/en/dr-ml-jat-honours-progressive-millet-farmer-shri-k-chikkana-icar-iimr-hyderabad
Ministry of Consumer Affairs, Food and Public Distribution
https://sansad.in/getFile/annex/271/AU2614_KTzacI.pdf?source=pqars
https://esamyukti.in/#about
Ministry of Cooperation
https://esamridhi.in/#/
PIB Backgrounders
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2177219®=3&lang=2
https://www.pib.gov.in/PressNoteDetails.aspx?NoteId=159674&ModuleId=3®=3&lang=1
Click here for pdf file.
*****
PS/AL