শিল্পওবাণিজ্যমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

ভারত ও ব্রিটেনের পরিপূরক শক্তির উপর জোর দিয়ে বহুমুখী বাণিজ্য এবং রপ্তানির নতুন দিগন্ত অন্বেষণের আহবান পীযূষ গোয়েলের

প্রকাশিত: 12 OCT 2026 6:04PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি,  ১২ অক্টোবর, ২০২৬


কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েল ভারত ও ব্রিটেনের ব্যবসায়িক মহলকে ভারত-ব্রিটেন সার্বিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য চুক্তি (CETA)-র মাধ্যমে সৃষ্ট সম্ভাবনাকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে বাস্তবায়িত করার আহ্বান জানিয়েছেন। ভারত-ব্রিটেন যৌথ অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য কমিটির ষোড়শ অধিবেশনে তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে এবং ভারত-ব্রিটেন ভিশন ২০৩৫-কে আরও বৃহত্তর অর্থনৈতিক লক্ষ্য ও সহযোগিতার ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
শ্রী গোয়েল বলেন, দুই দেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রে সিইটিএ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই চুক্তির ফলে ব্রিটেনের বাজারে ভারতের অধিকাংশ রপ্তানি পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্রিটেনের রপ্তানিকারকদের জন্যও উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। পরিষেবা ক্ষেত্রেও এই চুক্তি নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে দ্বৈত অবদান সংক্রান্ত কনভেনশন প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পরিষেবা সরবরাহ এবং লাভজনকতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয় দেশের অর্থনীতিকে আরও উপকৃত করতে পারে।
চুক্তির সুফলকে বাস্তব ব্যবসায়িক সাফল্যে রূপান্তরিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “এই চুক্তি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির সামনে এমন দরজা খুলে দিয়েছে, যার মধ্য দিয়ে তাদের এগিয়ে যাওয়া সুগম হবে।” তিনি সিইটিএ-র অধীনে উদ্ভুত সুযোগগুলিকে সম্পূর্ণভাবে কাজে লাগানোর জন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি আহ্বান জানান। 
শ্রী গোয়েল বলেন, ভারত ও ব্রিটেনের অর্থনীতির মধ্যে পরিপূরক সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমান বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নতুন রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি এবং দুই দেশের মধ্যে আদান-প্রদান হওয়া পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোর যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। ভারতের বিপুল উৎপাদন ক্ষমতা, প্রসারিত উৎপাদনভিত্তি, বিশ্বমানের ডিজিটাল জনপরিকাঠামো এবং বিশ্বের নবীনতম প্রতিভাবান কর্মীবাহিনী রয়েছে। অন্যদিকে, গবেষণা, নকশা প্রণয়ন, উন্নত প্রযুক্তি এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান আর্থিক কেন্দ্রের শক্তি রয়েছে ব্রিটেনের।
বর্তমান বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দুই দেশের পরিপূরক সক্ষমতার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, স্মার্টফোন, ওষুধজাত পণ্য, গয়না, বস্ত্র, চামড়াজাত সামগ্রী, চাল ও কিছু কৃষিপণ্য, লোহা ও  ইস্পাত, যন্ত্রপাতির যন্ত্রাংশ এবং গাড়ির যন্ত্রাংশ রপ্তানিতে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, ব্রিটেনের ক্ষেত্রে পেট্রোলিয়াম-শিল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের পণ্য, ইলেকট্রনিক্স ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম-সংক্রান্ত প্রযুক্তিপণ্য, ওষুধ, মোটরগাড়ি এবং স্কচ হুইস্কি সরবরাহের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। 
মন্ত্রী জানান, একাধিক ভারতীয় সংস্থা ব্রিটেনের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পক্ষেত্রগুলিতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে। একইভাবে, ব্রিটেনের বিশিষ্ট সংস্থাগুলিও ভারতে বিনিয়োগ করেছে। তিনি বলেন, বর্তমান কাঠামো সম্প্রসারণ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক স্বীকৃতি বৃদ্ধি এবং উভয় দেশের অর্থনীতিকে আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সহযোগিতা করতে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক প্রস্তুত রয়েছে।
শ্রী গোয়েল ভারত-ব্রিটেন সহযোগিতার পাঁচটি অগ্রাধিকার ক্ষেত্রের কথা তুলে ধরেন। প্রথম ক্ষেত্র হিসাবে পরিকাঠামো ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি ক্ষেত্রের উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই ক্ষেত্রে প্রকল্পের উন্নয়ন, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি, বিদ্যুৎ পরিবহণ এবং পরিকাঠামো পরিষেবার অর্থ যোগানের মাধ্যমে দুই দেশেরই সুস্থিত উন্নয়নকে সমর্থন করার সুযোগ রয়েছে।
দ্বিতীয় অগ্রাধিকার ক্ষেত্র হল উন্নত উৎপাদনশিল্প এবং সুস্থিত সরবরাহ শৃঙ্খল, বিশেষত বৈদ্যুতিক যানবাহন, ব্যাটারি, ইলেকট্রনিক্স ও সূক্ষ্ম কারিগরী কৌশলের মতো ক্ষেত্রগুলিতে। তিনি বলেন, এই সহযোগিতার মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তোলা, সরবরাহ শৃঙ্খলের সুস্থিতি বাড়ানো এবং দুই বিশ্বস্ত অংশীদারের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব হবে।
তৃতীয় অগ্রাধিকার ক্ষেত্র হল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি সংস্থা এবং স্টার্ট-আপগুলির মধ্যে আরও নিবিড় সংযোগ গড়ে তোলার পাশাপাশি গবেষণা ও উন্নয়নমূলক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। সেমিকন্ডাক্টর, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
চতুর্থ ক্ষেত্র হল আর্থিক পরিষেবা। এ ক্ষেত্রে লন্ডন এবং গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত গিফট সিটি-র মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তিনি। আর্থিক প্রযুক্তি, বিমা, আন্তঃসীমান্ত লেনদেন, রূপান্তরকালীন অর্থের যোগান এবং বাণিজ্যে অর্থের যোগানকে তিনি সহযোগিতার সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেন। 
পঞ্চম অগ্রাধিকার ক্ষেত্র হল স্বাস্থ্য পরিষেবা ও ভোগ্যপণ্য। শ্রী গোয়েল ভারতের জেনেরিক ওষুধ এবং যুক্তরাজ্যের ব্র্যান্ডেড ও উদ্ভাবনী ওষুধের পাশাপাশি রোগনির্ণয়, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ভারতের সাশ্রয়ী উৎপাদন ও পরিষেবা প্রদানের সক্ষমতা এবং ব্রিটেনের ওষুধ আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের শক্তি একত্রিত হলে তা উভয় দেশের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। তিনি  বলেন, এই পাঁচটি ক্ষেত্রেই ব্যবসায়িক সম্ভাবনা সম্প্রসারণের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পুঁজি দ্রুত এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে পারে, কিন্তু দক্ষতা ও সক্ষমতা গড়ে তুলতে সময় লাগে। 
সিইটিএ-র সুফল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির কাছে পৌঁছে দিতে বাস্তবসম্মত সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে শ্রী গোয়েল বলেন, শুল্কের তালিকা, পণ্যের উৎপত্তি-সংক্রান্ত বিধি এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রের শর্তাবলি সহজ ও স্পষ্ট নির্দেশিকার মাধ্যমে সহজলভ্য করতে হবে। তিনি সাধারণ মানুষের বোধগম্য ভাষায় সহায়ক তথ্যসামগ্রী প্রকাশের আহ্বান জানান। 
বক্তব্যের শেষে শ্রী গোয়েল ভারত-ব্রিটেন ভিশন ২০৩৫-এর প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপায়ণে এগিয়ে চলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দুই দেশ যখন একসঙ্গে এগিয়ে যায়, তখন উভয় দেশের মানুষই সমৃদ্ধ হয়—এই নীতিকে সামনে রেখেই সহযোগিতার পথে এগিয়ে যেতে হবে।
অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ব্রিটেনের ব্যবসা, উদ্ভাবন, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিষয়ক সেক্রেটারি অব স্টেট এবং সাংসদ জোনাথন রেনল্ডস বলেন, ভারত-ব্রিটেন সার্বিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য চুক্তি (CETA) সম্পাদনের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সরকার ও ব্যবসায়িক মহলের মধ্যে ধারাবাহিক ও বাস্তবমুখী আলোচনার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।
তিনি জানান, ব্যবসায়িক মহলের সঙ্গে আলোচনার আগে দুই দেশের সরকারের মধ্যে জেটকো-র বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। এই বৈঠকে বিভিন্ন কমিটি ও কর্মীগোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি, চুক্তির ব্যবহার পর্যালোচনার জন্য যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এর উদ্দেশ্য হল ব্যবসায়িক মহলের মতামত গ্রহণ, বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সমস্যা দূর করা এবং চুক্তির সুফল আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া।
সিইটিএ কার্যকর হওয়ার প্রায় ১০০ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলি ইতিমধ্যেই এই চুক্তি ব্যবহার করতে শুরু করেছে এবং উন্নত উৎপাদনশিল্প, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, জীববিজ্ঞান, প্রযুক্তি, পরিষেবা ও সৃজনশীল শিল্পের মতো ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ খুঁজছে—যা উৎসাহব্যঞ্জক। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই চুক্তির সাফল্য নির্ভর করবে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলি এর সুযোগ কাজে লাগিয়ে রপ্তানি, বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্ব কতটা সম্প্রসারিত করতে পারছে তার ওপর।
তিনি জানান, চুক্তি নিয়ে ব্যবসায়িক মহলের মতামত বিভিন্ন কমিটি এবং কর্মীগোষ্ঠীর মাধ্যমে বিবেচনা করা হবে। এই চুক্তি ভারত-যুক্তরাজ্য বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও সম্প্রসারিত করার সূচনা মাত্র। তিনি বাণিজ্য ও সহযোগিতার অঙ্গীকারকে বাস্তব ফলাফলে রূপান্তরিত করার আহ্বান জানান। 
কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী শ্রী জিতিন প্রসাদ বলেন, ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলের সফর এবং শিল্প সংগঠনগুলির মধ্যে আদান-প্রদানের মাধ্যমে ভারত ও ব্রিটেনের ব্যবসায়িক মহলের ধারাবাহিক যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলে সংস্থাগুলি সম্ভাব্য অংশীদার চিহ্নিত করতে, নতুন সুযোগ খুঁজে নিতে এবং বিভিন্ন অঞ্চল ও বিভিন্ন আকারের উদ্যোগের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে পারবে। তিনি প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে ভারত-যুক্তরাজ্য অর্থনৈতিক সম্পর্কের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেন। বিশেষত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর এবং ডেটা সেন্টারের ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগের ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, গবেষণা ও উন্নয়নে ব্রিটেনের শক্তি এবং ভারতের ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিভা, ডিজিটাল বাজার ও বৃহৎ পরিসরে প্রযুক্তি প্রয়োগের সক্ষমতা একত্রিত হলে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
২০২৬ সালের ১৫ জুলাই ভারত-ব্রিটেন সার্বিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য চুক্তি (CETA) স্বাক্ষরিত ও কার্যকর হওয়ার পর এটিই ছিল জেটকো-র প্রথম অধিবেশন। বৈঠকে মন্ত্রীরা সিইটিএ-র প্রাথমিক ব্যবহার, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অগ্রগতি এবং আগামী বছরের অগ্রাধিকারগুলি পর্যালোচনা করেন।
ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চল থেকে সাতজন মেয়র এবং একটি কম্বাইন্ড অথরিটির একজন শীর্ষ প্রতিনিধির সফরের সঙ্গে একই সময়ে জেটকো-র অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়। দুই দেশের সরকার, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, উদ্ভাবক এবং আঞ্চলিক নেতৃত্বের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ ছিল এই বৈঠক। একই সময়ে স্কটল্যান্ড বিষয়ক এবং পরিবেশ, খাদ্য ও গ্রামীণ বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত যুক্তরাজ্যের সেক্রেটারি অব স্টেটদের পৃথক সফরও এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ব্রিটেন-ভারত বিজনেস কাউন্সিল (UKIBC) ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চল থেকে আসা গ্রেট নর্থ প্রতিনিধিদলের কৌশলগত ও জ্ঞান-সহযোগী সংস্থা। কাউন্সিলটি প্রথমবারের মতো একটি বিশেষ মেয়র-স্তরের প্রতিনিধিদলের ভারত সফরে সহায়তা করছে। এই প্রতিনিধিদলে ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের পাঁচটি কম্বাইন্ড অথরিটির নেতৃবৃন্দ অংশ নিচ্ছেন।
ইউকেআইবিসি প্রতিনিধিদলকে ভারতের বাজার সম্পর্কে কৌশলগত তথ্য ও বিশ্লেষণ সরবরাহ করেছে, অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রগুলিতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্ভাবনা চিহ্নিত করেছে এবং ভারতীয় শিল্প ও সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সহায়তা করেছে।

 

 

SC/SD/SG


(রিলিজ আইডি: 2322741) ভিজিটরের কাউন্টার : 5
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: Malayalam , English , Urdu , Marathi , हिन्दी , Gujarati