স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ শিলিগুড়িতে এসএসবি-র বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন এবং কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন

প্রকাশিত: 21 AUG 2026 6:14PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ২১ অগাস্ট ২০২৬

 

 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি)-এর বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং বাহিনীর কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এই অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী, দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ শ্রী রাজু বিস্ত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব শ্রী গোবিন্দ মোহন, ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি)-র নির্দেশক শ্রী মহেশ দীক্ষিত, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. রাজেন্দ্র কুমার এবং এসএসবি-র মহানির্দেশক শ্রী সঞ্জয় সিঙ্ঘল-সহ আরও অনেক উচ্চপদস্থ আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন।

 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেছেন যে, ১৫ অগাস্ট দেশের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ছিল অত্যন্ত বিশেষ একটি উপলক্ষ। তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘বন্দে মাতরম’ রচনার ১৫০ বছর এবং দেশের স্বাধীনতার ৮০ বছর পূর্তির পর এই প্রথমবার লাল কেল্লার প্রাকার থেকে ‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ সংস্করণটি দেশবাসী ও সমগ্র বিশ্ব শোনার সুযোগ পেল। তিনি বলেন, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি ‘বন্দে মাতরম’ কেবল আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনকেই গতিশীল করেনি, বরং স্বাধীন ভারত কেমন হওয়া উচিত, তার একটি রূপরেখাও তুলে ধরেছিল। শ্রী শাহ বলেন, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই রচনাটি স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, স্বাধীন ভারতকে সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদকে ধারণ করেই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার সময় দেশভাগের পরেও প্রধান বিরোধী দল ‘বন্দে মাতরম’-কে কখনোই সর্বান্তকরণে গ্রহণ করেনি। জনমানসের কথা বিবেচনা করে সংসদে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া হতো এবং সবাই উঠে দাঁড়াতেন ঠিকই, কিন্তু পুরো গানটি না গাওয়ার বিষয়টি ছিল দুঃখজনক। তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সম্প্রতি সংসদে একটি বিল পাস করিয়েছে এবং সরকারি কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ সংস্করণটি গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এর ফলে আমাদের শিশু ও যুবসমাজসহ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সেই অমর বার্তাটি লাভ করতে পারবে। তিনি বলেন, যদি স্কুলগুলিতে প্রতিদিন ‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ সংস্করণটি গাওয়া হয়, তবে শিশুদের মধ্যে নিশ্চিতভাবেই দেশপ্রেমের প্রবল চেতনা সঞ্চারিত হবে।

 

শ্রী অমিত শাহ বলেছেন যে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ‘সপ্তধারা’ - অর্থাৎ শক্তির এমন সাতটি ধারার - ঘোষণা করেছেন যা দেশকে শক্তিশালী করে তুলবে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী দেশের যুবসমাজকে সাতটি মূল ধারার - উৎপাদন ক্ষমতা, প্রতিরক্ষা শক্তি, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সবুজ ও নীল অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, গতি শক্তি (পরিকাঠামো) এবং ভারতের ‘সফট পাওয়ার’ বা সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক প্রভাব - সঙ্গে যুক্ত হতে এবং দেশ গঠনে অংশগ্রহণ করতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা অর্জন এবং আগামী তিন বছরের মধ্যে আটটি নতুন সেমিকন্ডাক্টর কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যও নির্ধারণ করেছেন। তিনি বলেন, এই সাতটি ধারার শক্তিতে বলীয়ান হয়ে ভারত যখন তার স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপন করবে, তখন দেশ বিশ্বের প্রতিটি ক্ষেত্রে সামনের সারিতে অবস্থান করবে।

 

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কখনোই এসএসবি এবং বিএসএফ-এর কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতেন না। তিনি বলেন যে, এসএসবি, বিএসএফ এবং আইটিবিপি কোনো রাজনৈতিক দল বা সরকারের সংস্থা নয়। এরা সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী, তাই সমস্ত রাজনৈতিক দলেরই এই বাহিনীর কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। শ্রী শাহ বলেন, অনুপ্রবেশ রোধ করা এবং পশ্চিমবঙ্গ ও দেশকে সুরক্ষিত রাখা আমাদের সংকল্প, আর কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণই এর জন্য সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সীমান্ত সুরক্ষার বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছ থেকে কেন্দ্র তাৎক্ষণিক ও সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা পেয়েছে। শ্রী শাহ জানান, পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যেই ভারত সরকার বিএসএফ ও এসএসবি-র জন্য ১,১২৯ একর জমি পেয়েছে। তিনি বলেন, এই জমিগুলো ভারত সরকার ২০১৪ সাল থেকেই চেয়ে আসছিল, কিন্তু বাংলার তৎকালীন সরকার তা হস্তান্তর করেনি। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের জনগণ এমন একটি সরকারকে নির্বাচিত করেছে যারা জাতীয় নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেয়।

 

শ্রী অমিত শাহ জানান যে, শিলিগুড়িতে এসএসবি-র ফ্রন্টিয়ার সদর দপ্তরের প্রশাসনিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। ৮০ একর জমির ওপর এই ভবনটি নির্মিত হবে। তিনি বলেন, এর পাশাপাশি ঠাকুরগঞ্জে ১৯তম ব্যাটালিয়ন, কিষাণগঞ্জে ১২তম ব্যাটালিয়ন এবং নিউ জলপাইগুড়িতে ট্রানজিট ক্যাম্পের ভিত্তিপ্রস্তরও এই অনুষ্ঠানে স্থাপন করা হয়েছে। শ্রী শাহ বলেন, এসএসবি কর্মীদের জন্য প্রশাসনিক ও আবাসন সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে এখানে মোট ১৮৯ কোটি টাকা মূল্যের নতুন প্রকল্পের সূচনা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অগ্রাধিকারের তালিকায় এসএসবি, বিএসএফ বা আসাম রাইফেলস এর মত নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর - প্রয়োজনীয়তা সবসময়ই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়ে আসছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেন যে এসএসবি-র এক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে। ১৯৬৫ সাল থেকে এসএসবি তার কাজকর্মের পরিধি বিস্তার করে।এর মধ্যে রয়েছে মণিপুর, জম্মু ও কাশ্মীর, ১৯৭৫ সালে ত্রিপুরা ও মেঘালয়, ১৯৭৬ সালে সিকিম, ১৯৮৫ সালে রাজস্থান ও গুজরাট এবং ১৯৮৯ সালে নাগাল্যান্ড, মিজোরাম ও দক্ষিণ বাংলা। তিনি বলেন, এসএসবি যেখানেই মোতায়েন করা হয়েছে, সেখানকার কর্মীরা প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তিনি বলেন যে, কার্গিল যুদ্ধের পর যখন ‘এক সীমান্ত, এক বাহিনী’ (One Border, One Force) নীতি গ্রহণ করা হয়, তখন নেপাল ও ভুটানের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে থাকা উন্মুক্ত সীমান্ত পাহারার অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং দায়িত্বটি এসএসবি-র ওপর ন্যস্ত করা হয়। ২০০১ সাল থেকে এসএসবি ১,৭৫১ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-নেপাল সীমান্তে এবং ২০০৪ সাল থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-ভুটান সীমান্তে মোতায়েন রয়েছে। তিনি বলেন, সীমান্তে বেড়া বা কাঁটাতারের ব্যবস্থা থাকলে তা পাহারারত বাহিনীর দায়িত্ব কিছুটা সহজ করে দেয়। এসএসবি-র ওপর ন্যস্ত রয়েছে বেড়া-বিহীন সীমান্ত তদারকির দায়িত্ব। এটি অত্যন্ত কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ। শ্রী শাহ বলেন, এসএসবি কর্মীদের পারস্পরিক সমন্বয়, দেশরক্ষার প্রতি তাঁদের নিষ্ঠা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ দুটির সঙ্গে ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে তাঁদের অবদানের জন্য সমগ্র দেশ তাঁদের শ্রদ্ধা জানায়।

 

শ্রী অমিত শাহ বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার শিলিগুড়ি করিডোরের কৌশলগত গুরুত্বকে পূর্ণরূপে অনুধাবন করেছে। তিনি বলেন, অত্যন্ত সংবেদনশীল ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই করিডোরটি আটটি রাজ্যকে সংযুক্ত করে। নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের মতো তিনটি আন্তর্জাতিক সীমানা শিলিগুড়ি করিডোরের সংলগ্ন এবং এর নিরাপত্তা দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মোদী সরকার একটি ত্রিভুজাকার কাঠামোর (ট্রায়াঙ্গুলার গ্রিড) মাধ্যমে শিলিগুড়ি করিডোরকে সুরক্ষিত করে জাতীয় নিরাপত্তাকে জোরদার করেছে। তিনি জানান, ঘনবসতিপূর্ণ এই করিডোর এলাকায় সরকার নিজেদের সতর্কতা, উপস্থিতি ও নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করেছে। তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী সময়ে সময়ে বিভিন্ন অভিযান ও মহড়ায় অংশ নিলেও একটি ঘাটতি থেকে গিয়েছিল। তিনি বলেন, শিলিগুড়ি করিডোরকে সম্পূর্ণভাবে শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করার জন্য ভারত সরকারের সংস্থাগুলোর ৫৬০ একর জমির প্রয়োজন ছিল, যা পশ্চিমবঙ্গের পূর্ববর্তী সরকার প্রদান করেনি। তিনি বলেন, ৫৬০ একর জমি বরাদ্দের বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন প্রদানের জন্য ভারত সরকার পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সমবায় মন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ বলেন, কেবল নিরাপত্তা বাহিনী কোনো অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। তিনি বলেন, কোনো এলাকায় জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অভিবাসন এবং পর্যটন সেখানকার উপস্থিতি জোরদার করতে সহায়তা করে। তিনি জানান, ২০২৬-২৭ সালের বাজেটে অনুমোদিত ৭টি হাই-স্পিড রেল করিডোরের মধ্যে দিল্লি-শিলিগুড়ি করিডোরটিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর ফলে আগামী ২-৩ বছরের মধ্যে মাত্র কয়েক ঘণ্টায় দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি যাওয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, 'অমৃত ভারত প্রকল্প'-এর আওতায় শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ি স্টেশনগুলোর রূপান্তর করা হয়েছে।

 

শ্রী অমিত শাহ বলেন, 'ভাইব্র্যান্ট ভিলেজেস প্রোগ্রাম'-এর মাধ্যমে কেবল গ্রামগুলোকে সংযুক্তই করা হচ্ছে তা নয়, বরং এই গ্রামগুলোতে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে একটি দৃঢ় আবেগপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্যও কাজ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ৬,৮৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি বাংলাদেশ ও ভুটান সীমান্তের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি জানান, সরকার নিরাপদ, সুরক্ষিত ও প্রাণবন্ত স্থলসীমান্তের ধারণাটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করার লক্ষ্যে এখানে ১৯০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এটি কর্মীদের মন, শরীর ও আত্মায় স্বস্তি জোগাবে এবং তাদের কাজের জন্য একটি উন্নত পরিবেশ প্রদান করবে।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানেই প্রখ্যাত সানাই বাদক ওস্তাদ বিসমিল্লাহ খান এবং উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং-এর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, ভারতীয় সঙ্গীতকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার ক্ষেত্রে ওস্তাদ বিসমিল্লাহ খান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি বিভিন্ন রাগ ও রাগিণীর প্রসার ঘটিয়েছিলেন এবং ভারতের সমৃদ্ধ শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ঐতিহ্যকে জনপ্রিয় করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করেছিলেন। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং-এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি প্রথমবারের মতো রাজ্যের প্রশাসনিক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং রাম জন্মভূমি আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছিলেন।

 

 

 

 

SC/PM/AS


(রিলিজ আইডি: 2302274) ভিজিটরের কাউন্টার : 14
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Urdu , हिन्दी , Assamese , Gujarati , Telugu , Kannada