রেলমন্ত্রক
উন্নত প্রযুক্তি, পরিকাঠামো এবং রক্ষণাবেক্ষণে রেল নিরাপত্তা শক্তিশালী; ২০২৬-২৭-এ এপর্যন্ত কেবল ২টি রেল দুর্ঘটনা
प्रविष्टि तिथि:
29 JUL 2026 2:46PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি ২৯ জুলাই ২০২৬
ভারতীয় রেলে নিরাপত্তাকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে । বছরের পর বছর ধরে নানা নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার ফলে রেল দুর্ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। ২০১৪-১৫-তে যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছিল ১৩৫টি, ২০২৫-২৬ তা ৮৮ শতাংশ হ্রাস পেয়ে দাঁড়ায় ১৬-তে। ২০২৬-২৭-এর জুন মাস পর্যন্ত দুর্ঘটনা ঘটেছে কেবল ২টি।
রেলের নিরাপত্তা বিধানে বছর ভিত্তিতে আর্থিক বরাদ্দ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৩-১৪ সালে যেখানে এই খরচ হয়েছিল ৩৯,২০০ কোটি টাকা, ২০২৬-২৭ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১,২০,৩৮৯ কোটি টাকায় ।
যেসব নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা সম্পাদিত হয়েছে, তা হল ২০২৬-এর ৩০ জুন পর্যন্ত ৬,৬৭১টি স্টেশনে কেন্দ্রীয় পরিচালনাভিত্তিক বৈদ্যুতিক/ বৈদ্যুতিন ইন্টার লকিং ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। ৩০ জুন পর্যন্ত ১০,৩৯৫টি লেভেল ক্রসিং গেটের ইন্টার লকিং করা হয়েছে। এছাড়াও রেল লাইনের নিয়মিত নজরদারি, সিগনালিং ব্যবস্থার উন্নতিসাধন সহ ট্রেন চালকদের সতর্কতার স্বার্থে ভিজিল্যান্স কন্ট্রোল ডিভাইস, জিপিএস ভিত্তিক কুয়াশা সতর্কতার ক্ষেত্রে এফএসডি যন্ত্র প্রতি ট্রেনে দেওয়া হয়েছে।
রেল লাইনগুলির উন্নতিসাধন ঘটানো হয়েছে। ২০০৪-০৫ থেকে শুরু করে ২০১৩-১৪ পর্যন্ত ১৪,৯৮৫ কিলোমিটার নতুন রেল লাইন তৈরি হয়। এরপর, ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬ পর্যন্ত সংযোজিত রেল লাইন বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬,৪২৯ কিলোমিটারে। অর্থাৎ ২০১৪ থেকে এই সময়কালের মধ্যে প্রায় আড়াই গুণ বেশি নতুন রেল লাইন পাতা হয়েছে। ২০০৪- ০৫ থেকে ২০১৩-১৪ পর্যন্ত ৪,১৪৮টি রোড ওভার ব্রীজ/ আন্ডার পাস ছিল। ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৫-২৬ পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৪,৩৬২টিতে। অর্থাৎ প্রায় ৩ গুণ।
সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে নির্মিত স্বয়ংক্রিয় ট্রেন সুরক্ষা ব্যবস্থা কবচ, একটি নির্ণায়ক যন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। প্রযুক্তি নিবিড় এই ব্যবস্থায় ট্রেন চালকদের বেঁধে দেওয়া সীমার মধ্যেই ট্রেন চালাতে সাহায্য করে। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে তা ট্রেন চালকদের বিভিন্নভাবে সতর্ক করে। এমনকি ট্রেন চালক ব্যর্থ হলে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে তা ব্রেকেরও ব্যবহার করে ট্রেন দাড় করিয়ে দিতে পারে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় গাড়ি নিরাপদে চলতেও সাহায্য করে।
২০২০ সালের জুলাই মাসে কবচকে জাতীয় এটিপি ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। প্রতিটি স্টেশন এবং ব্লক সেকশানে কবচের ব্যবহার করা হচ্ছে। ট্রেন নাইন ধরে আরএফআইডি ট্যাগ স্থাপন করা হয়েছে। গড়ে তোলা হয়েছে টেলিকম টাওয়ার। রেল লাইন বরাবর অপটিক্যাল ফাইবার লাইন পাতা হয়েছে। ভারতীয় রেলের প্রত্যেকটি ট্রেনে কবচ ব্যবস্থা স্থাপনের সংস্থান রাখা হয়েছে।
দক্ষিণ- মধ্য রেলে ১৪৬৫ রেল কিলোমিটার জুড়ে কবচ ৩.২ সংস্করণের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কবচের ৪.০ সংস্করণ নিয়ে আসা হয়েছে। এটি বিভিন্ন রেল নেটওয়ার্কের উপযুক্ত।
নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ২০-০৭-২০২৬ পর্যন্ত ২৫৬৯ রেল রুটে এই ৪.০ কবচ সংস্করণ সাফল্যের সঙ্গে প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে দিল্লি-মুম্বাই, দিল্লি-হাওড়া রুটও রয়েছে।
২০২৬-এর জুন মাস পর্যন্ত এই কবচ ব্যবহারে খরচ হয়েছে ৩৮৭৪ কোটি টাকা। ২০২৬-২৭-এর জন্য এই খাতে বরাদ্দ ২০৬৬ কোটি টাকা।
দেশ জুড়ে দ্রুত গতিতে কবচ স্থাপনের কাজ এগিয়ে চলেছে । কাজের অগ্রগতির নিরিখে অর্থ বরাদ্দও করা হচ্ছে।
৭,৩২৭ টি রেল ইঞ্জিনে কবচ স্থাপনের কাজের পাশাপাশি ১২০০ ইএমইউ/ মেমুতে কবচ স্থাপনের কাজও হাতে নেওয়া হয়েছে।
লোকসভায় আজ এক প্রশ্নের উত্তরে একথা জানিয়েছেন রেল, তথ্য সম্প্রচার, ইলেট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী শ্রী অশ্বিনী বৈঞ্চব।
SC/ AB /CS…
(रिलीज़ आईडी: 2291230)
आगंतुक पटल : 9