ফার্মাসিউটিক্যাল দপ্তর
azadi ka amrit mahotsav

জন ঔষধি কেন্দ্র

प्रविष्टि तिथि: 24 JUL 2026 12:58PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি ২৪  জুলাই ২০২৬

 

পিএমবিজেপি প্রকল্পের রূপায়নকারী সংস্থা ফার্মাসিউটিক্যালস অ্যান্ড মেডিকেল ডিভাইসেস ব্যুরো অফ ইন্ডিয়া জন ঔষধি কেন্দ্রগুলিতে ঔষধ বিক্রয়ের নিয়মিত মূল্যায়ন করে থাকে।  জন ঔষধি কেন্দ্রগুলির দ্রুত সম্প্রসারণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পিএমবিজেপি সারা দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত মানের জেনেরিক ওষুধ পাওয়ার সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। গত ১২ বছরে ব্র্যান্ডেড ওষুধের দামের তুলনায় জেনেরিক ওষুধে নাগরিকদের প্রায় ৪৫,০০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।  ওষুধের জন্য ব্যয় কমেছে। সেইসঙ্গে দেশের ছোট শহর ও গ্রামগুলিতে জেনেরিক ওষুধ মেলার সুযোগও বেড়েছে।

৩০.০৬.২০২৬ তারিখ পর্যন্ত দেশে মোট ২০,১৪৯টি জন ঔষধি কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জনৌষধি যোজনার আওতায় পণ্য তালিকায় ২,১১০টি ওষুধ এবং ৩১৫টি সার্জিক্যাল সামগ্রী, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই তালিকায় হৃদরোগ, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, সংক্রমণ-প্রতিরোধী, অ্যালার্জি-প্রতিরোধী, পেট ও পুষ্টিসংক্রান্ত ওষুধের মতো চিকিৎসার প্রধান সব বিভাগ বা শ্রেণি অন্তর্ভুক্ত। ল্যাবরেটরি রিএজেন্ট ও টিকা বাদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত প্রায় সব জেনেরিক ওষুধই এই পণ্য তালিকায় রয়েছে।

মধ্যপ্রদেশের কাটনি, পান্না এবং খাজুরাহো জেলায় জনসচেতনতার অভাব, জেনেরিক ওষুধ প্রেসক্রাইব না করা বা ওষুধ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ঘাটতি সংক্রান্ত জেলা-ভিত্তিক মূল্যায়নের বর্তমান জ্ঞাতব্য তথ্য নেই।

তবে, জনৌষধি কেন্দ্রের মাধ্যমে সরবরাহ হওয়া ওষুধের গ্রহণযোগ্যতা ও বিক্রি বাড়ানোর লক্ষ্যে জনৌষধি ওষুধের সুবিধাগুলি নিয়ে নিয়মিত সুনির্দিষ্ট প্রচারভিযান চলছে

এই কাজে ফার্মাসিউটিক্যালস অ্যান্ড মেডিকেল ডিভাইসেস ব্যুরো অফ ইন্ডিয়া, বিভিন্ন গণমাধ্যম, যেমন সংবাদ পত্র, টেলিভিশন, রেডিও, সামাজিক মাধ্যম, আউটডোর হোর্ডিং প্রভৃতি মাধ্যমকে যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও, এই কার্যক্রমগুলি সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ কমিউনিকেশন, পিআইবি,  মাইগভ এবং মাই ভারত-এর মতো সংস্থা ও প্ল্যাটফর্মগুলির সহযোগিতাকে কাজে লাগানো হচ্ছে।

জনসাধারণের সঙ্গে বৃহত্তর সংযোগ গড়ে তুলতে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটবট ও আউটবাউন্ড কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়ে থাকে। উদ্দেশ্য হলো জনৌষধি পণ্যের গুণমান এবং নিকটস্থ জনৌষধি কেন্দ্র থেকে ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী কেনায় অর্থ সাশ্রয় নিয়ে জনসাধারণকে অবহিত করা।

প্রতি বছর মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে জনৌষধি সপ্তাহ পালন করা হয়। এই সময় দেশজুড়ে জনসভা, স্বাস্থ্যশিবির, ফার্মাসি কলেজগুলিতে সেমিনার এবং শিশুদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন কর্মসূচির মতো বিশেষ প্রচারমূলক কার্যক্রম আয়োজন করা হয়। নাগরিক, পেশাজীবী এবং অন্যদের পক্ষকে জনঔষধি জেনেরিক ওষুধের সুফল সম্পর্কে অবহিত ও সচেতন করাই এর উদ্দেশ্য। 

জনৌষধি ওষুধের সুফল তুলে ধরতে এবং এর গুণমান নিয়ে প্রচলিত ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট চিকিৎসকদের মতো সুপরিচিত ব্যক্তিদের অডিও ও ভিডিও বার্তা সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মগুলিতে প্রচার করা হয়।

ব্যক্তিগত উদ্যোক্তা, অ-সরকারি সংগঠন, সোস্যাইটি, ট্রাস্ট, ফার্ম, বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকেও জনৌষধি কেন্দ্র খোলা হয়। দেশজুড়ে সমস্ত জেলা থেকে অনলাইনে আবেদনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে যেসমস্ত ব্লকে উপযুক্ত সুযোগ সুবিধা নেই, সেখানেও www.janaushadhi.gov.in.-এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করা যেতে পারে। 
 
বর্তমানে দেশের ৭৮৪টি জেলার মধ্যে ৭৭৬টি জেলা এই পরিষেবার আওতাভুক্ত। যেসব জেলায় জনৌষধি কেন্দ্রের সংখ্যা কম, সেখানে তা চালুর সুবিধার্থে পিএমবিআই সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা জেলাশাসকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছে। যাতে আবেদনকারীদের সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে জায়গা বা স্থান প্রদান করা যায়, সেটাও লক্ষ্য। এছাড়া, যেসব জেলায় জনৌষধি কেন্দ্রের সংখ্যা কম, সেখানে নতুন কেন্দ্র খোলার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ওষুধের সরবরাহে যাতে কোনো ঘাটতি না থাকে, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে জনৌষধি কেন্দ্রের মাধ্যমে ২০০টি বহুল ব্যবহৃত ওষুধের মজুত গড়ে তুলতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। এই ২০০টি ওষুধের মধ্যে রয়েছে প্রকল্পের আওতাভুক্ত পণ্য-তালিকার সর্বাধিক বিক্রিত ১০০টি ওষুধ এবং বাজারে দ্রুত বিক্রি হওয়া আরও ১০০টি ওষুধ। এর আওতায়, সংশ্লিষ্ট ওষুধগুলোর মজুত রাখার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে জনৌষধি কেন্দ্রের মালিকরা প্রতি মাসে আর্থিক সাহায্যের জন্যও বিবেচিত হন।

তথ্য-প্রযুক্তি-চালিত একটি শক্তিশালী ও পূর্ণাঙ্গ সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে একটি কেন্দ্রীয় গুদাম, চারটি আঞ্চলিক গুদাম। সারা দেশ জুড়ে বিস্তৃত পরিবেশকদের একটি ক্রমবর্ধমান নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য।

এছাড়াও, বহুল ব্যবহৃত পণ্যগুলোর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পিএমবিআই নিয়মিতভাবে ৪০০টি দ্রুত-বিক্রয়যোগ্য পণ্যের ওপর নজরদারি চালায় এবং সেগুলির চাহিদার দিকটিও নিয়মিত ভিত্তিতে নির্ধারণ করে থাকে। সেইসঙ্গে সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত করতে চাহিদার পূর্বাভাস নির্ধারণের পদ্ধতিটিকে ডিজিটালাইজ করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মহিলা ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জনৌষধি কেন্দ্রে যুক্ত করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। 

এর মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজির মতো মডেল অনুসরণ করে, যার আওতায় মহিলা ও তরুণদের জনৌষধি কেন্দ্র খুলতে অনলাইনে আবেদনের সুযোগ গড়ে তোলা হয়েছে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য, হিমালয়-সংলগ্ন এলাকা, দ্বীপ অঞ্চল এবং সম্ভাবনাময় জেলাগ বা উচ্চাকাঙ্ক্ষী জেলাগুলিতে জনৌষধি কেন্দ্র  স্থাপনে ২ লক্ষ টাকার এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এছাড়া প্রাক্তন সেনাকর্মী, মহিলা, দিব্যাঙ্গ এবং তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত জনৌষধি কেন্দ্রেও এই সুবিধা প্রসারিত।

আজ লোকসভায় এক লিখিত উত্তরে একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রসায়ন ও সার মন্ত্রী শ্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা।

 

SC/ AB /CS…


(रिलीज़ आईडी: 2288871) आगंतुक पटल : 3
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , हिन्दी , Bengali-TR , Tamil , Kannada