প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
প্রধানমন্ত্রী ১৭ জুলাই হরিয়ানা, চণ্ডীগড় ও পাঞ্জাব সফরে যাবেন
प्रविष्टि तिथि:
15 JUL 2026 6:40PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ১৫ জুলাই, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২৬ সালের ১৭ জুলাই হরিয়ানা, চণ্ডীগড় এবং পাঞ্জাব সফরে যাবেন। সকাল ১১টা নাগাদ, প্রধানমন্ত্রী জিন্দ রেলওয়ে স্টেশনে জিন্দ ও সোনিপতের মধ্যে ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের যাত্রার সূচনা করবেন। সকাল ১১:৩০টা নাগাদ, তিনি জিন্দের একলব্য স্টেডিয়ামে প্রায় ১৪,৭০০ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন। এই উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় তিনি ভাষণও দেবেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী চণ্ডীগড়ে যাবেন, যেখানে দুপুর ১:৪৫টা নাগাদ তিনি ৪,৭০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করবেন। সেখানেও তিনি জনসভায় ভাষণ দেবেন।
পরে, প্রধানমন্ত্রী জলন্ধরে যাবেন এবং সেখানে ৫,৪৭০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করবেন।
ঝিন্দে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ঝিন্দ ও সোনিপতের মধ্যে ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন-চালিত ট্রেনের যাত্রার সূচনা করবেন, যা রেলওয়ে ক্ষেত্রে পরিবেশ-বান্ধব ও সুস্থায়ী পরিবহন ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সম্পূর্ণভাবে দেশজ নকশা ও প্রযুক্তিতে তৈরি এবং সংযোজিত এই ট্রেনটি দেশীয় কারিগরিতে গড়ে তোলা হয়েছে, যা উন্নত রেলওয়ে কারিগরি ক্ষেত্রে দেশের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার প্রতিফলন। এই ট্রেনটি চালু হওয়ার মাধ্যমে ভারত সেই সব দেশের তালিকায় যুক্ত হলো যাদের হাইড্রোজেন-চালিত ট্রেন পরিষেবা রয়েছে।
ট্রেনটি হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রযুক্তির সাহায্যে চলে। এই প্রযুক্তি হাইড্রোজেনকে বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে ট্রেনটিকে সচল রাখে। এই প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে কেবল জলীয় বাষ্প নির্গত হয়, ফলে চলাচলের সময় কোনো কার্বন নিঃসরণ হয় না।
ডিজেল ট্রেনের তুলনায় এগুলি ক্ষতিকারক গ্যাস নির্গমন বন্ধ করে, জীবাশ্ম জ্বালানি ও তা আমদানির ওপর নির্ভরতা কমায় এবং অনেক কম শব্দে চলে। প্রচলিত বৈদ্যুতিক ট্রেনের মতো এগুলির জন্য ওপরের দিকে বৈদ্যুতিক তারের পরিকাঠামোর প্রয়োজন হয় না, কারণ হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলের মাধ্যমে ট্রেনেই বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। ফলে এটি একটি পরিবেশ-বান্ধব ও যোগ্য সমাধান হয়ে ওঠে। গ্রিন হাইড্রোজেনের ব্যবহার জীবাশ্ম জ্বালানি-ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতাও কমায়, যা ভারতের সুস্থায়ী পরিবহন ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে।
ভারতের এই হাইড্রোজেন ট্রেনটিতে ১০টি কোচ রয়েছে, যা এটিকে এ পর্যন্ত তৈরি হাইড্রোজেন-চালিত যাত্রীবাহী ট্রেনগুলির মধ্যে অন্যতম দীর্ঘ ট্রেনে পরিণত করেছে। এটি ৩,২০০ অশ্বশক্তি ক্ষমতার প্রপালশন বা চালিকাশক্তি ব্যবস্থা দ্বারা পরিচালিত হয়, যা এটিকে বর্তমানে চালু থাকা সবচেয়ে শক্তিশালী হাইড্রোজেন-চালিত ট্রেনগুলির অন্যতম করে তুলেছে।
এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী হরিয়ানায় ১২,৪৭০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন এবং সেগুলো জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রায় ৯,৬৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১৫৭.৯২ কিলোমিটার দীর্ঘ, চার-লেন বিশিষ্ট এবং সম্পূর্ণ প্রবেশ-নিয়ন্ত্রিত দিল্লি-অমৃতসর-কাটরা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করবেন। এই গ্রিনফিল্ড করিডোরটি সামগ্রিক ৬৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-অমৃতসর-কাটরা এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশ। এই এক্সপ্রেসওয়েটি দিল্লি ও কাটরার মধ্যকার ভ্রমণের সময় প্রায় ১৪ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ৬ ঘণ্টায় নামিয়ে আনবে এবং দিল্লি ও অমৃতসরের মধ্যকার যাত্রার সময় প্রায় ৮ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে ৪ ঘণ্টায় নিয়ে আসবে। এই প্রকল্পের ফলে এনএইচ-৪৪-এর যানজট উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে, শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবীর দর্শনার্থী ও পর্যটকদের যাতায়াত বৃদ্ধি পাবে এবং এই করিডোর বরাবর শিল্প ও লজিস্টিকস ক্ষেত্রের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী এনএইচ-৭ এবং এনএইচ-৩৪৪-এর ওপর ৩৩.৮১ কিলোমিটার দীর্ঘ, চার-লেন বিশিষ্ট এবং আংশিক প্রবেশ-নিয়ন্ত্রিত আম্বালা-কালা আম্ব মহাসড়কটিও জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন। এই মহাসড়কটি আম্বালা শহরাঞ্চল এবং কালা আম্ব শিল্পাঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করবে, হরিয়ানা ও হিমাচল প্রদেশের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ উন্নত করবে, পাহাড়ি অঞ্চলে পর্যটকদের যাতায়াত সহজতর করবে এবং কালা আম্ব এলাকার শিল্পগুলির জন্য পণ্য পরিবহন বা লজিস্টিকস খরচ কমিয়ে আনবে।
উদ্বোধন হতে যাওয়া আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হলো এনএইচ-৩৫২এ-এর ওপর ৪০.৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ জিন্দ-গোহানা গ্রিনফিল্ড মহাসড়ক। এই নতুন মহাসড়কটি জিন্দ ও গোহানার মধ্যকার যাতায়াতের সময় প্রায় দুই ঘণ্টা থেকে কমিয়ে মাত্র ৪০ মিনিটে নামিয়ে আনবে। এর ফলে নিত্যযাত্রী, পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা এবং কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ জিন্দ-গোহানা অঞ্চল উপকৃত হবে; পাশাপাশি রোহতক, পানিপথ এবং দিল্লি-এনসিআর-এর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নত হবে। প্রধানমন্ত্রী ২৪.২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ 'হানসি-বারওয়ালা ব্রাউনফিল্ড হাইওয়ে প্রকল্প'-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যমান সড়কপথটিকে প্রশস্ত করে 'পেভড শোল্ডার' সহ ২ বা ৪-লেনের সড়কে উন্নীত করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী কুরুক্ষেত্রে 'এলিভেটেড রেলওয়ে ট্র্যাক' জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নগর পরিকাঠামো প্রকল্প, যা শহরের রেলক্রসিংগুলিতে দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধান করবে। এই প্রকল্পের ফলে যানবাহন চলাচল আরও সুষ্ঠু হবে, সড়ক নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে এবং রেল ও সড়ক—উভয় পরিবহন ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও গতিশীলতা বাড়বে।
এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করবেন—যেমন ভিওয়ানির পণ্ডিত নেকি রাম শর্মা সরকারি মেডিকেল কলেজ এবং নারনৌলের কোরিয়াওয়াসে অবস্থিত মহর্ষি চ্যবন মেডিকেল কলেজ ও রাও তুলা রাম হাসপাতাল। এই প্রতিষ্ঠানগুলো হরিয়ানায় উচ্চমানের চিকিৎসা শিক্ষার সুযোগ প্রসারিত করবে, এমবিবিএস আসনের সংখ্যা বাড়াবে এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সহজ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করবে। এর ফলে মানুষ তাদের বাড়ির কাছাকাছি উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন, যা রাজ্যের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।
অঞ্চলের সাংস্কৃতিক পরিকাঠামোকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে, প্রধানমন্ত্রী কুরুক্ষেত্রে একটি 'শিখ জাদুঘর'-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই জাদুঘরে শিখ ধর্মের ইতিহাস, শিখ গুরুদের শিক্ষা, তাঁদের সাহস ও আত্মত্যাগ এবং ভারতের সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে শিখ সম্প্রদায়ের অমূল্য অবদান তুলে ধরা হবে।
চণ্ডীগড়ে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং সড়ক পরিকাঠামো সংক্রান্ত ৪,৭০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
প্রধানমন্ত্রী চণ্ডীগড়ের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ-এ 'অ্যাডভান্সড মাদার অ্যান্ড চাইল্ড সেন্টার' এবং 'অ্যাডভান্সড নিউরোসায়েন্সেস সেন্টার'-এর উদ্বোধন করবেন।
'অ্যাডভান্সড মাদার অ্যান্ড চাইল্ড সেন্টার'-টি অতি-ঝুঁকির গর্ভাবস্থা, গুরুতর অসুস্থ নবজাতক এবং বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন এমন শিশুদের জন্য ব্যাপক ও উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। ৩০০ শয্যা এবং অত্যাধুনিক চিকিৎসার সুবিধাসম্পন্ন এই কেন্দ্রটি মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবাকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে এবং এই অঞ্চলের হাজার হাজার পরিবারকে উপকৃত করবে।
'অ্যাডভান্সড নিউরোসায়েন্সেস সেন্টার'-টি একই ছাদের নিচে নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি, নিউরো-ক্রিটিক্যাল কেয়ার এবং উন্নত রোগ নির্ণয় সংক্রান্ত সমন্বিত পরিষেবা প্রদান করবে। এটি জটিল স্নায়বিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের সময়মতো বিশ্বমানের চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিউরোসায়েন্স বা স্নায়ুবিজ্ঞান ক্ষেত্রে চিকিৎসা গবেষণা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণকে শক্তিশালী করবে।
প্রধানমন্ত্রী চণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআর-এ 'প্রধানমন্ত্রী আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো মিশন'-এর আওতায় ১৫০ শয্যাবিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক 'ক্রিটিক্যাল কেয়ার ব্লক'-এর ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন। এই সুবিধাটি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা, নিবিড় পরিচর্যা পরিষেবা এবং দুর্যোগকালীন তৎপরতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করার পাশাপাশি এই অঞ্চলের সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করবে।
প্রধানমন্ত্রী চণ্ডীগড়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে পাঞ্জাব ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে 'কুরুক্ষেত্র বয়েজ হোস্টেল ও মেস'-এর উদ্বোধন, সেক্টর ৪৬-এর সরকারি কলেজে 'হোস্টেল ব্লক'-এর উদ্বোধন এবং পাঞ্জাব ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে 'রিসার্চ স্কলারস হোস্টেল'-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। এই সুবিধাগুলি শিক্ষাগত পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করবে, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য আবাসন ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাবে এবং উচ্চশিক্ষার জন্য আরও ভালো পরিবেশ তৈরি করবে।
প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্যে বড় ধরনের সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। তিনি মোহালি জেলার আইটি সিটি থেকে কুরালি পর্যন্ত ৬-লেনের 'গ্রিনফিল্ড হাইওয়ে'-র উদ্বোধন করবেন, যা এই অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো প্রকল্প। এই হাইওয়েটি মোহালি, খারার এবং কুরালির মধ্যে যাতায়াতের সময় কমাবে এবং একইসঙ্গে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ ও জম্মু-কাশ্মীরের মধ্যে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। প্রধানমন্ত্রী আম্বালা-চণ্ডীগড় গ্রিনফিল্ড হাইওয়ের (এনএইচ-২০৫এ) পিআর-৭ স্পার-এর ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন। এটি ১০.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি গ্রিনফিল্ড করিডোর যা দূরপাল্লার যানবাহনগুলোকে জিরকপুরের শহুরে এলাকা এড়িয়ে চলতে এবং জিরকপুর বাইপাসকে সরাসরি চণ্ডীগড়ের অ্যারোসিটির সঙ্গে সংযুক্ত করতে সহায়তা করবে।
জলন্ধরে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ৫,৪৭০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের রেল ও সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এই প্রকল্পগুলোর লক্ষ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা জোরদার করা, যাত্রীদের সুবিধা বৃদ্ধি করা এবং এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা।
'অমৃত ভারত স্টেশন যোজনা'-র আওতায় প্রধানমন্ত্রী জলন্ধর ক্যান্টনমেন্ট সহ ৭৫টি নবনির্মিত ও আধুনিকীকৃত রেলওয়ে স্টেশনের উদ্বোধন করবেন। বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম স্টেশন পুনর্নির্মাণ কর্মসূচি 'অমৃত ভারত স্টেশন যোজনা'-র অধীনে ২০টি রাজ্য জুড়ে ৭৫টি 'অমৃত স্টেশন'-এর উদ্বোধন এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। প্রায় ১,৫৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই স্টেশনগুলোকে আধুনিক ও যাত্রী-বান্ধব সুবিধাসম্পন্ন করে গড়ে তোলা হয়েছে। 'বিরাসত ভি, বিকাশ ভি'-এর ভাবনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এই স্টেশনগুলোতে স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্থাপত্যশৈলীর প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে।
এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী 'নাঙ্গাল ড্যাম-তালওয়ারা-মুকেরিয়ান নতুন রেল লাইন প্রকল্প'-এর অংশ হিসেবে প্রায় ৮৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দৌলতপুর চক-কার্তোলি নতুন রেল লাইনের উদ্বোধন করবেন। এটি পাঞ্জাব ও হিমাচল প্রদেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে এবং হোশিয়ারপুর ও উনা জেলার বাসিন্দারা এর সুফল পাবেন। এই নতুন রেল লাইনটি শ্রী আনন্দপুর সাহেব ও মা চিন্তপূর্ণি মন্দিরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানগুলির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে এবং যাত্রীদের জন্য দ্রুততর, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পরিবহণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোর সাথে যোগাযোগ সহজতর করবে।
প্রধানমন্ত্রী কার্তোলি-আম্বালা ট্রেন পরিষেবার সূচনা করবেন, যা পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও হিমাচল প্রদেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উন্নত করবে। পাশাপাশি, তিনি অমৃতসর (ছেহার্তা)-বারাণসী ট্রেন পরিষেবারও সূচনা করবেন, যার মাধ্যমে ভারতের অন্যতম দুটি মহান আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মধ্যে সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে।
রাজ্যে সড়ক পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ৩,০৭০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের জাতীয় মহাসড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
প্রধানমন্ত্রী চার-লেন বিশিষ্ট গ্রিনফিল্ড 'দিল্লি-অমৃতসর-কাটরা এক্সপ্রেসওয়ে'-র ৩০.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ 'প্যাকেজ-৬'-এর উদ্বোধন করবেন। এই অংশটি বিশেষ করে ভারী যানবাহনের জন্য যাতায়াত সহজ ও দ্রুততর করে তুলবে এবং একই সাথে জ্বালানি খরচ ও যানবাহন পরিচালনার ব্যয় হ্রাস করবে। প্রধানমন্ত্রী ২৫.২ কিলোমিটার দীর্ঘ ছয়-লেনের ‘গ্রিনফিল্ড’ সাদার্ন লুধিয়ানা বাইপাস নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন। এই প্রকল্পটি লুধিয়ানা ও ভাতিন্ডার মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব ও সময় কমিয়ে আনার পাশাপাশি অন্যান্য প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্রগুলির সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থাও উন্নত করবে।
SC/AP/SKD
(रिलीज़ आईडी: 2285285)
आगंतुक पटल : 2
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें:
Malayalam
,
Assamese
,
English
,
Urdu
,
Marathi
,
हिन्दी
,
Punjabi
,
Gujarati
,
Tamil
,
Telugu
,
Kannada