প্রধানমন্ত্রীরদপ্তর
azadi ka amrit mahotsav

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের সানন্দে সিজি সেমি-র আউটসোর্সড সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি অ্যান্ড টেস্ট (ওএসএটি) কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছেন

প্রকাশিত: 04 JUL 2026 7:22PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ৪ জুলাই ২০২৬

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ গুজরাটের সানন্দে সিজি সেমি-র আউটসোর্সড সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি অ্যান্ড টেস্ট (ওএসটিএ) কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন। এই উপলক্ষটির গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কেন্দ্রের সূচনা দেশের লক্ষ্য পূরণের প্রতি অটল অঙ্গীকারেরই প্রমাণ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশ কোনো দ্বিধা ছাড়াই তার দৃঢ় সংকল্পকে বাস্তবে রূপ দিয়ে চলেছে। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "আজকের এই অনুষ্ঠান প্রমাণ করে যে, ভারত যা করার সংকল্প নেয়, তা দৃঢ়ভাবে সম্পন্নও করে।"
পাঁচ বছর আগে গৃহীত কৌশলগত লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দেশকে উন্নত প্রযুক্তির বৈশ্বিক কেন্দ্রে পরিণত করার মূল উদ্দেশ্যের কথা স্মরণ করেন। দেশীয় নকশা ও স্থানীয় উৎপাদনের কৌশলের ওপর ভিত্তি করে তিনি এই তৃতীয় বড় কেন্দ্রটিতে বাণিজ্যিক চিপ প্যাকেজিংয়ের আনুষ্ঠানিক যাত্রার সূচনাকে স্বাগত জানান। শ্রী মোদী বলেন, "'ডিজাইন ইন ইন্ডিয়া' ও 'মেক ইন ইন্ডিয়া'-র মূল মন্ত্রকে পাথেয় করে আমরা সফলভাবে এগিয়ে চলেছি।"
প্রকল্পটির দ্রুত অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ২০২৪ সালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের কথা স্মরণ করেন এবং ২০২৫ সালের আগস্টের মধ্যে চিপ পরীক্ষার কাজ দ্রুত শুরু হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। প্রকল্প শুরুর পর থেকে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন পর্যায়ে পৌঁছানোর এই অত্যন্ত দ্রুত যাত্রার কৃতিত্ব তিনি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত অসংখ্য কর্মীর নিরলস নিষ্ঠা ও একাগ্রতাকে দেন। শ্রী মোদী বলেন, "ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন থেকে উৎপাদন পর্যন্ত এই অসাধারণ যাত্রা নিঃসন্দেহে অনেক সহকর্মীর কঠোর পরিশ্রমের ফল।"
সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার ঠিক আগে সেখানে কর্মরত নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত আলাপচারিতার কথা প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন। প্রদর্শনী এলাকা পরিদর্শনের সময় বহু তরুণ পেশাজীবীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার পর তিনি তাঁদের মধ্যে থাকা প্রাণশক্তি, আশাবাদ ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন। শ্রী মোদী বলেন, "আজ যেসব তরুণ সহকর্মীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, তাঁরা প্রত্যেকেই আত্মবিশ্বাসে ভরপুর।"
নতুন এই কেন্দ্রটিকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী দেশীয়, জাপানি ও থাই শিল্প অংশীদারদের যৌথ প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। তিনি এই উদ্যোগকে কেবল একটি সাধারণ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে না দেখে, বরং প্রযুক্তিগত আস্থা ও আন্তঃসীমান্ত অংশীদারিত্বের এক বলিষ্ঠ মডেল হিসেবে অভিহিত করেন। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "এই সমন্বিত অংশীদারিত্ব ভারতের সেমিকন্ডাক্টর যাত্রায় এক নতুন গতি সঞ্চার করবে।"
গত সোয়া দুই বছরে অর্জিত বিশাল অগ্রগতির কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বার্ষিক ২০ কোটি ইউনিট উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন সক্রিয় বাণিজ্যিক উৎপাদনে উত্তরণের বিষয়টির প্রশংসা করেন। বার্ষিক ৫০০ কোটি ইউনিট উৎপাদনের দলের উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্যের বিষয়ে পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে তিনি এই দ্রুত অগ্রগতির কৃতিত্ব দিয়েছেন দেশজুড়ে চলমান প্রযুক্তি কর্মসূচির ক্রমবর্ধমান গতিকে। শ্রী মোদী বলেন, "ধাপে ধাপে, প্রতিটি ইট ও প্রতিটি চিপ জুড়ে গড়ে তোলার এই প্রক্রিয়ার জন্য আমি পুরো দল, রাজ্য সরকার এবং সমগ্র দেশকে অভিনন্দন জানাই।"
সমবেত শিল্প বিশেষজ্ঞ ও তরুণদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব শিল্প-ইতিহাস থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরেন এবং জোর দিয়ে বলেন যে, প্রকৃত উৎপাদন-শক্তি বিচ্ছিন্ন কোনো কারখানা থেকে গড়ে ওঠে না। সিলিকন ভ্যালি, সিনচু সায়েন্স পার্ক এবং সুকুবা সায়েন্স সিটির মতো বিখ্যাত প্রযুক্তি-কেন্দ্রগুলোর উদাহরণ টেনে তিনি একটি সামগ্রিক ও সমন্বিত বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলার অপরিহার্য প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করেন। শ্রী মোদী বলেন, "আজ সানন্দও ঠিক সেই পথেই দৃঢ় পদক্ষেপ নিচ্ছে যাতে এমন শক্তিশালী শিল্প-গুচ্ছ বা 'ক্লাস্টার' গড়ে তোলা যায়।"
একটি শক্তিশালী দেশীয় বাস্তুতন্ত্রের দ্রুত বিকাশের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান যে, মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই এই অঞ্চলে মাইক্রন, কেইনস এবং সিজি সেমি-র মতো বড় বড় সংস্থা তাদের উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে। বিশেষায়িত রাসায়নিক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, টেস্টিং ল্যাব, ডিজাইন সেন্টার এবং নতুন ও গতিশীল স্টার্টআপগুলোর আগমনের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি দেখান কীভাবে স্থানীয় শিল্পগুলো সামগ্রিক অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, "এটিই হলো একটি শিল্প-গুচ্ছের প্রকৃত শক্তি, যেখানে একটি শিল্প থেকে দশটি শিল্পের জন্ম হয় এবং শেষ পর্যন্ত তা পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিকে বদলে দেয়।"
এই খাতের ব্যাপক বিকাশকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ও বিশ্বব্যাপী যে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, তার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী একটি ভুল ধারণা সংশোধন করেন - আর তা হলো, এই দ্রুত বৃদ্ধি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, বর্তমান এই সম্প্রসারণ আসলে গত দশ বছর ধরে গৃহীত দীর্ঘমেয়াদী প্রযুক্তি-নীতির ওপর ভিত্তি করে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এগিয়ে চলা একটি প্রক্রিয়া। শ্রী মোদী উল্লেখ করেন, "গত এক দশকে ভারতে যে ইলেকট্রনিক্স বিপ্লব এসেছে, এটি তারই স্বাভাবিক পরবর্তী ধাপ।"
স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদন-সাফল্যের মূল কারণগুলো বিশ্লেষণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আমদানিকৃত স্মার্টফোনের ওপর অতীতের নির্ভরতা এবং বর্তমান উৎপাদন-বিস্ফোরণের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন। উৎপাদনের পরিমাণ ৩৩ গুণ বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি গর্বের সঙ্গে মোবাইল খাতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক ও রপ্তানিকারক হিসেবে দেশের নতুন অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। শ্রী মোদী বলেন, "এই অবিশ্বাস্য মাইলফলকগুলো অর্জনের লক্ষ্যেই আমরা সচেতনভাবে মোবাইল ফোন উৎপাদনের মাধ্যমে আমাদের যাত্রা শুরু করেছিলাম।"
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশীয় বাস্তুতন্ত্রের সামগ্রিক সাফল্যের পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী এই খাতের অভাবনীয় প্রবৃদ্ধির তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান যে, ২০১৪ সালের তুলনায় মোট উৎপাদন প্রায় সাত গুণ বেড়েছে এবং সামগ্রিক রপ্তানি বেড়েছে ১১ গুণ। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "আমরা সফলভাবে এবং সামগ্রিকভাবে পুরো ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন বাস্তুতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছি।"
সরকারের কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, চূড়ান্ত লক্ষ্য কেবল সাধারণ মানুষের ব্যবহারের উপযোগী পণ্যের ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জনই নয়, বরং এর পরিধি আরও বিস্তৃত - যার মধ্যে পণ্যের মূল বা ভিত্তিগত উপাদানগুলোর উৎপাদনও অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করা সেই বিশেষ চিপগুলো দেশেই উৎপাদনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি একটি পূর্ণাঙ্গ ও সামগ্রিক দেশীয় ভ্যালু চেইন বা মূল্য-শৃঙ্খল গড়ে তোলার রূপরেখা তুলে ধরেন। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, "প্রথমে পণ্য, তারপর যন্ত্রাংশ এবং এখন সেমিকন্ডাক্টর -'মেক ইন ইন্ডিয়া' কর্মসূচির পরবর্তী ও চূড়ান্ত ধাপ এটিই।"
এই শিল্প-বাস্তুতন্ত্রের ভবিষ্যৎ পর্যায়গুলোর রূপরেখা তুলে ধরার সময় প্রধানমন্ত্রী সমগ্র সরবরাহ ব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখতে উচ্চ-প্রযুক্তিগত উপকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। নকশা থেকে শুরু করে প্যাকেজিং পর্যন্ত বিস্তৃত একটি স্থানীয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে তিনি তরুণ প্রজন্মের ওপর গভীর আস্থা প্রকাশ করেন; তাঁর বিশ্বাস, এই দেশীয় চিপগুলো ব্যবহার করে তরুণরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিক্সের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "আমাদের তরুণরা 'মেক ইন ইন্ডিয়া' চিপ ব্যবহার করেই পরবর্তী প্রজন্মের প্রযুক্তি বিপ্লবকে আরও গতিশীল করে তুলবে।"
তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে বার্তা দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী ইতিহাসের বিভিন্ন দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন, যা দেখায় যে কীভাবে বড় ধরনের শিল্প-বিপ্লব বা পরিবর্তন সবসময়ই অভূতপূর্ব কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। অতীতে তথ্যপ্রযুক্তি এবং স্মার্টফোন উৎপাদন শিল্পের ব্যাপক প্রসারের ফলে যে বিপুল সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে বর্তমান প্রযুক্তি-তরঙ্গের তুলনা করে তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেন যে, এর মাধ্যমেও একইভাবে বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। শ্রী মোদী মন্তব্য করেন, "সেমিকন্ডাক্টর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিপ্লবের এই যুগ গবেষণা ও নকশা থেকে শুরু করে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত অগণিত সুযোগ নিয়ে আসছে।"
ভবিষ্যতের কর্মীবাহিনীকে ক্রমাগত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, বর্তমান সময়ে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার বিষয়টি মূলত নতুন দক্ষতা অর্জন এবং উদ্ভাবনী চিন্তাধারা বিকাশের ওপরই নির্ভর করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে উন্মোচিত বিশাল নতুন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি তরুণ প্রজন্মকে অত্যন্ত উদ্দীপনার সঙ্গে এই সুযোগগুলো কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। শ্রী মোদী দৃঢ়ভাবে বলেন, "নতুন কিছু শেখা ও তা বাস্তবায়নের এই অবিশ্বাস্য সুযোগ ভারতের তরুণদের কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত নয়।"
প্রযুক্তির এই অগ্রগতির ফলে সমাজে যে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রভাব পড়েছে তা তুলে ধরতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন জনজাতীয় সম্প্রদায়ের সেইসব তরুণীর অনুপ্রেরণাদায়ক কাহিনি সবার সামনে তুলে ধরেন, যারা এই নতুন কেন্দ্রে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। সাধারণ পটভূমি ও আইটিআই-তে পড়াশোনা থেকে শুরু করে মালয়েশিয়ায় উন্নত কারিগরি প্রশিক্ষণ গ্রহণ পর্যন্ত তাদের যাত্রাপথ তাঁকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছে; নিজের এলাকার বাইরে আগে কখনও পা না রাখা সত্ত্বেও বিশ্বের অত্যাধুনিক উৎপাদন প্রক্রিয়ায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেন। শ্রী মোদী বলেন, "সত্যিই অসাধারণ সব স্বপ্নের অধিকারী এই মেয়েরা আজ 'মেড ইন ইন্ডিয়া' চিপ উৎপাদন প্রক্রিয়ার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।"
একটি পূর্ণাঙ্গ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার পথে দেশের দ্রুত অগ্রগতির বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণ শেষ করেন। তিনি মাত্র কয়েক মাস আগে প্রতিশ্রুতি দেওয়া একাধিক উৎপাদন কেন্দ্র যথাসময়ে বাস্তবায়িত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীদের নীতিগত স্থিতিশীলতা, স্বচ্ছ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং বাস্তবায়নের অতুলনীয় গতি সম্পর্কে আশ্বস্ত করে তিনি আরও দ্রুত কাঠামোগত অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেন। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণের প্রতি পূর্ণ অঙ্গীকার নিয়ে ১৪০ কোটি ভারতীয় ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশকে অবশ্যই একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবে।"


SC/SB/AS


(রিলিজ আইডি: 2281286) ভিজিটরের কাউন্টার : 21