স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে জন বিশ্বাস আইন সংস্কার কার্যকর করলো সরকার

प्रविष्टि तिथि: 26 JUN 2026 12:39PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ২৬ জুন ২০২৬

 

 

'ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট, ১৯৪০' এবং 'ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্ট, ২০০৬'-এর সঙ্গে সম্পর্কিত জন বিশ্বাস আইন ২০২৬-এর অধীন মূল সংস্কারগুলিকে ভারত সরকার কার্যকর করেছে। এর উদ্দেশ্য বিশ্বাস নির্ভর পরিচালন ব্যবস্থার প্রসার, ব্যবসা ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতার বোঝাকে লাঘব করা, সেই সঙ্গে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার সঙ্গে কোনরকম সমঝোতা না করে প্রয়োজনীয় বিধি-নিষেধ কার্যকর করা। 

 

সংশোধনী মারফত সাধারণ মানের এবং কারিগরি কোন বিচ্যুতিকে ফৌজদারি অপরাধের বাইরে রেখে জরিমানার মাধ্যমে শাস্তি মকুবের সংস্থান করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যবসার স্বাচ্ছন্দ্যের প্রসার এবং নিয়মানুগ দক্ষতার সম্প্রসারণ সম্ভব। সেই সঙ্গে জনস্বাস্থ্যকে এবং ক্রেতা সুরক্ষাকে ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিতে পারে এমন কোন অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বিধি ব্যবস্থার সংস্থান রাখা হয়েছে।  

 

এই সংস্কারের অঙ্গ হিসেবে 'ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট, ১৯৪০'-এর ২৯ ধারায় ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার যে সংস্থান ছিল তা রদ করা হয়েছে। 

 

সেই সঙ্গে কম ঝুঁকিপূর্ণ প্রসাধনীগুলির তৈরি ও বিক্রির ক্ষেত্রে বিচ্যুতিগুলিকে প্রশাসনিক জরিমানা কাঠামোর অধীনে আনা হয়েছে। অর্থাৎ কোন প্রসাধনী সামগ্রী গুণগত মূল্যমানে সামান্য হেরফের হলে অথবা লেবেল সংক্রান্ত বিষয়ে কোন ভুল বা বিচ্যুতিকে এই প্রশাসনিক জরিমানার আওতায় আনা হয়েছে। তবে, কোন জাল বা ভেজাল প্রসাধানী সামগ্রী যা ক্রেতার শারীরিক সুরক্ষার ওপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলতে পারে – সেই জাতীয় অপরাধ এই আইনের অধীন কঠোর ফৌজদারি দন্ডবিধির আওতায় পড়বে। 

 

২৮এ ধারার অধীনেও নানা বিচ্যুতির ক্ষেত্রে সংশোধন ঘটানো হয়েছে। যেগুলি রেকর্ডের রক্ষণাবেক্ষণ এবং তথ্য প্রদান সংক্রান্ত বিষয় সেগুলিকে প্রশাসনিক জরিমানার অধীনে আনা হয়েছে। 

 

নতুন এই আইনি কাঠামোর যথাযথ রূপায়ণ ঘটাতে এই আইনি সংস্থানের অধীন অ্যাডজুডিকেটিং অথরিটি নিয়োগ সংক্রান্ত এবং আপিল মেকানিজম চালু করা হয়েছে, যাতে মামলাগুলি দ্রুত এবং যথাযথ নিষ্পত্তি হয়।

 

'ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্ট, ২০০৬'-এর অধীন খাদ্য নিরাপত্তা আধিকারিকের বিরুদ্ধে ভ্রান্ত অভিযোগের মামলায় আদালতের জরিমানা প্রয়োগকে প্রশাসনিক জরিমানা ব্যবস্থার অধীন নিয়ে আসা হয়েছে। 

 

জিনিসপত্র আটক করার ক্ষেত্রে বাধা দানের শাস্তিরও পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। দীর্ঘদিনের কারাবাসকে কমিয়ে ৬ মাস থেকে ৩ মাসে আনা হয়েছে। সেই সঙ্গে খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকে বাধাদান সংক্রান্ত সংস্থানকে 'ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্ট' থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তার কারণ, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার অধীন ইতিমধ্যেই এই জাতীয় শাস্তির সংস্থান রয়েছে। 'জন বিশ্বাস আইন, ২০২৬'-এর অধীন যে সমস্ত সংস্কার বিধি নিয়ে আসা হয়েছে তাতে আধুনিক, স্বচ্ছ এবং বিশ্বাসযোগ্য পরিচালন পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সরকারি দায়বদ্ধতা প্রতিফলিত হয়। 

 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে জনস্বাস্থ্যকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখতে দায়বদ্ধ; সেই সঙ্গে, সহজ, সরল এবং ব্যবসা-বান্ধব প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক গড়ে তুলতেও সচেষ্ট।

 

 

SC/AB/AS


(रिलीज़ आईडी: 2278270) आगंतुक पटल : 12
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , Marathi , हिन्दी , Odia , Tamil