ইস্পাত মন্ত্রক
ডিজিটালভাবে রূপান্তরিত ইস্পাত ক্ষেত্র প্রধানমন্ত্রীর বিকশিত ভারতের স্বপ্নকে শক্তি যোগাবে: এইচ ডি কুমারস্বামী
प्रविष्टि तिथि:
24 JUN 2026 1:32PM by PIB Agartala
নয়াদিল্লি, ২৪ জুন, ২০২৬
কেন্দ্রীয় ইস্পাত ও ভারীশিল্প মন্ত্রী শ্রী এইচ ডি কুমারস্বামী বলেছেন যে ডিজিটালকরণ এখন আর পছন্দের বিষয় নয়, ভারতের ইস্পাত শিল্পের স্থায়িত্বের ভিত্তিপ্রস্তর হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে চিন্তন শিবির, ২০২৬-এ আজ ইস্পাত ক্ষেত্রের ডিজিটালকরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইস্পাত শিল্পের ভবিষ্যৎ আগামীদিনে উৎপাদন সক্ষমতার ভিত্তিতে স্থির হবে না, বরং বুদ্ধিমত্তা, ডেটা-নির্ভর নির্মাণ পরিমণ্ডলের সঙ্গে তা কতখানি যুক্ত হতে পারছে তার ওপর নির্ভর করবে। ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্বপ্ন প্রসঙ্গে শ্রী কুমারস্বামী ইস্পাত ক্ষেত্রকে ভারতের অর্থনৈতিক রূপান্তরণের কৌশলগত ভিত্তি বলে বর্ণনা করেন।
তিনি বলেন যে ইস্পাত হল রাষ্ট্র গঠনের মেরুদণ্ড। ২০১৮ সাল থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ ইস্পাত প্রস্তুতকারক হিসেবে ভারত তার জায়গা ধরে রেখেছে। ২০২১-২২ ভিত্তিবর্ষ থেকে ভারতের কাঁচা লোহা উৎপাদন গড়ে বার্ষিক প্রায় ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের দীর্ঘস্থায়ী লক্ষ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারত ২০৩০ সালের মধ্যে ইস্পাত উৎপাদনকে ৩০০ মিলিয়ন টনে এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ৪০০ মিলিয়ন টনে নিয়ে যেতে চায়। প্রযুক্তির রূপান্তরমূলক সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃত্রিম মেধা, মেশিন লার্নিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট-অফ-থিংস, ডিজিটাল ট্যুইনস, রোবোটিক্স, অ্যাডভান্সড ডেটা অ্যানালিটিক্স বিশ্বজুড়ে ইস্পাত নির্মাণকে পুনর্সংজ্ঞায়িত করছে। ভারতেও তার বিস্তৃত ব্যবহার হওয়া দরকার।
তিনি বলেন যে ডিজিটালকরণের মধ্য দিয়ে উৎপাদনের উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভব। সেইসঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, পরিচালনগত খরচ এবং কোনো যন্ত্র বিকল হওয়ার পূর্ববর্তী নির্দেশিকার মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করা যায়। এছাড়াও, কর্মস্থলের নিরাপত্তা এবং মানুষের ক্ষেত্রে যে সমস্ত ভুল হয়ে থাকে, সেই সমস্ত ভুল যথাসম্ভব কমিয়ে আনা সম্ভব।
এই চিন্তন শিবিরে ইস্পাত শিল্পের ডিজিটাল রূপান্তরকরণ, কৃত্রিম মেধা-নির্ভর খনিজ সমাধানসূত্র, পিএম গতি শক্তি, চতুর্থ প্রজন্মের শিল্প এবং ব্যবসার ক্ষেত্রে এসবের বিভিন্ন প্রভাব সম্পর্কে তুলে ধরা হয়েছে। প্রথমসারির স্টার্ট-আপ থেকে শুরু করে শিল্প অংশীদাররা এতে অংশ নিয়েছেন এবং প্রযুক্তিগত রূপান্তর ত্বরান্বিত করার ব্যাপারে আলোচনা হচ্ছে। আরও আধুনিক, পরিবেশ-বান্ধব এবং বৈশ্বিকভাবে প্রতিযোগিতামুখী ইস্পাত শিল্পকে গড়ে তুলতে সর্বোপরি ২০৪৭-এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দেওয়া যাবে। ইস্পাত মন্ত্রক আয়োজিত এই কনক্লেভে মন্ত্রকের পদস্থ আধিকারিকবৃন্দ, বড় ইস্পাত সংস্থাগুলি – সেইল, এনএমডিসি এবং এমওআইএল প্রভৃতির চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টররা যোগ দেন।
*****
PS/Agt
(रिलीज़ आईडी: 2277473)
आगंतुक पटल : 8