স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক
হিমাচল প্রদেশে গৃহ তালিকাভুক্তি ও আবাসন গণনার কাজ শুরু; কেরালা ও নাগাল্যান্ডে শুরু হয়েছে ‘সেলফ-এনুমারেশন’ বা নিজে তথ্য প্রদানের প্রক্রিয়া
গুজরাট, জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, পুদুচেরি এবং উত্তর প্রদেশে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে
রাজস্থান, মেঘালয়, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, পাঞ্জাব এবং দিল্লির এমসিডি (MCD) এলাকায় বাড়ি তালিকাভুক্তকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে
২৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জনগণনা-২০২৭-এর প্রথম পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন করেছে
प्रविष्टि तिथि:
16 JUN 2026 2:25PM by PIB Agartala
নয়াদিল্লী, ১৬ জুন, ২০২৬: 'সেলফ-এনুমারেশন' বা স্ব-গণনা পর্ব শেষ হওয়ার পর, হিমাচল প্রদেশে আজ থেকে 'জনগণনা ২০২৭'-এর প্রথম পর্যায়ের অন্তর্গত 'গৃহ তালিকাভুক্তি ও আবাসন গণনা' (HLO)-র কাজ শুরু হয়েছে। গণনাকারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের এই প্রক্রিয়া চলতি বছরের ১৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
কেরালা ও নাগাল্যান্ডে 'সেলফ-এনুমারেশন' বা স্ব-গণনার সুবিধা চালু হয়েছে এবং তা চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে। এই রাজ্যগুলিতে সংশ্লিষ্ট 'গৃহ তালিকাভুক্তি ও আবাসন গণনা'-র কাজ ১ জুলাই থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এই রাজ্যগুলির বাসিন্দারা অফিসিয়াল 'সেলফ-এনুমারেশন' পোর্টাল (se.census.gov.in)-এর মাধ্যমে স্ব-গণনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন।
বর্তমানে গুজরাট, জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, পুদুচেরি এবং উত্তর প্রদেশে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ (ফিল্ড অপারেশন) চলছে। যেসব বাসিন্দারা ইতিমধ্যে 'সেলফ-এনুমারেশন' বা স্ব-তথ্য নথিভুক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন, তাঁদের অনুরোধ করা হচ্ছে যেন তাঁরা তাঁদের প্রাপ্ত 'সেলফ-এনুমারেশন আইডি' (SE ID) প্রস্তুত রাখেন এবং তথ্য সংগ্রহকারী কর্মী (এনুমারেটর) যখন বাড়ি পরিদর্শনে আসবেন, তখন তাঁকে সেই আইডি প্রদান করে 'এইচএলও' প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করেন।
যেসব পরিবার স্ব-তথ্য নথিভুক্তকরণের পদ্ধতিটি বেছে নেননি, তথ্য সংগ্রহকারী কর্মীদের বাড়ি-বাড়ি পরিদর্শনের সময় তাঁদের তথ্যও সংগ্রহ করা হবে। এরই মধ্যে, মহারাষ্ট্র, মেঘালয়, রাজস্থান ও ঝাড়খণ্ড রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলসমূহ—পাশাপাশি জাতীয় রাজধানী অঞ্চল দিল্লির অন্তর্গত দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এলাকায়—১৬ মে থেকে ১৪ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ি তালিকাভুক্তি ও আবাসন গণনার কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া, পাঞ্জাবেও ১৩ জুন, ২০২৬ তারিখে বাড়ি তালিকাভুক্তির কাজ শেষ হয়েছে।
এখনও পর্যন্ত ২৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, বিহার, চণ্ডীগড়, ছত্তিশগড়, দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ, দিল্লি, গোয়া, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, কর্ণাটক, লাক্ষাদ্বীপ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মেঘালয়, মিজোরাম, ওড়িশা, পাঞ্জাব, রাজস্থান, সিকিম, তেলেঙ্গানা এবং উত্তরাখণ্ড—'জনগণনা ২০২৭'-এর প্রথম পর্যায় সম্পন্ন করেছে। 'জনগণনা ২০২৭'-এ প্রথমবারের মতো ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা হচ্ছে, পাশাপাশি ব্যাপক ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের প্রথাগত পদ্ধতিটিও বজায় রাখা হয়েছে। 'বাড়ি তালিকাভুক্তি ও আবাসন গণনা' পর্যায়ে, ৩৩টি নির্দিষ্ট প্রশ্ন সম্বলিত একটি সুবিন্যস্ত প্রশ্নাবলির মাধ্যমে আবাসন পরিস্থিতি, পরিবারের বিবরণ, উপলব্ধ সুযোগ-সুবিধা এবং পরিবারের মালিকানাধীন সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
'জনগণনা আইন, ১৯৪৮'-এর অধীনে সংগৃহীত সমস্ত তথ্য কঠোরভাবে গোপন রাখা হয় এবং তা শুধুমাত্র পরিসংখ্যানগত উদ্দেশ্য ও উন্নয়ন পরিকল্পনার কাজে ব্যবহার করা হয়। সংশ্লিষ্ট রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের কাছে অনুরোধ জানানো হচ্ছে যে, তাঁরা যেন জনগণনা প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহের সময় গণনাকারীদের পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করেন।
*****
PS/SG
(रिलीज़ आईडी: 2273643)
आगंतुक पटल : 5