পরিবেশওঅরণ্যমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

জাতীয় জীববৈচিত্র্য কর্তৃপক্ষ ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ‘অ্যাক্সেস ও সুবিধা বণ্টন ব্যবস্থা’-এর মাধ্যমে ২১.২৬ কোটি টাকা আয় করেছে

প্রকাশিত: 30 MAY 2026 1:03PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ৩০ মে ২০২৬

 

জাতীয় জীববৈচিত্র্য কর্তৃপক্ষ (এনবিএ) ২০২৫-২৬ অর্থবছরে 'অ্যাক্সেস অ্যান্ড বেনিফিট শেয়ারিং' (এবিএস) ব্যবস্থার অধীনে ২১.২৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এই অর্থ জীবসম্পদের গবেষণা, বাণিজ্যিক ব্যবহার, মেধাস্বত্ব অধিকার, জীব-জরিপ এবং জীব-ব্যবহারের জন্য প্রদত্ত অনুমোদনের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে, যা ভারতের জীববৈচিত্র্য পরিচালন কাঠামোতে শিল্পের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণের প্রতিফলন ঘটায়।

 

এই সময়ের মধ্যে, বীজক্ষেত্র সর্বোচ্চ অবদানকারী হিসেবে উঠে এসেছে, যার অবদান ছিল ১১.৭৫ কোটি টাকা। এরপরই ৫.৫৬ কোটি টাকা নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিল আয়ুষ ক্ষেত্র। অন্যান্য অবদানকারীদের মধ্যে ছিল নিউট্রাসিউটিক্যালস ক্ষেত্র (১.৪০ কোটি টাকা) এবং ফার্মাসিউটিক্যালস বা ওষুধ ক্ষেত্র (১.১৮ কোটি টাকা)। এছাড়া জৈবপ্রযুক্তি, প্রসাধন সামগ্রী, রাসায়নিক, জৈবজ্বালানি এবং খাদ্য ও পানীয় ক্ষেত্র থেকেও অবদান পাওয়া গেছে।

 

বীজক্ষেত্রের প্রধান অবদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল নানহেমস ইন্ডিয়া প্রা. লি., ইস্ট ওয়েস্ট সিডস ইন্ডিয়া প্রা. লি., পায়োনিয়ার ওভারসিজ কর্পোরেশন, নংউ সিড ইন্ডিয়া প্রা. লি. এবং বিএএসএফ ইন্ডিয়া প্রা. লি.। আয়ুষ ক্ষেত্রের প্রধান অবদানকারীদের মধ্যে ছিল হিমালয় ওয়েলনেস কোম্পানি, অর্গানিক ইন্ডিয়া প্রা. লি. এবং ন্যাচারাল রেমেডিজ।

 

এই ক্ষেত্রগুলো প্রায় ৩০০ ধরণের জীবসম্পদ ব্যবহার করেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ভুট্টা, ধান, হলুদ, আমলকী, সরিষা, করলা, কালমেঘ, এলাচ, তুলসী, গুগগুল আঠা, নিম পাতা, গারসিনিয়া, অশ্বগন্ধা, গোলমরিচ এবং লবঙ্গ।

 

এপর্যন্ত পর্যন্ত, জাতীয় জীববৈচিত্র্য কর্তৃপক্ষ জীবসম্পদ এবং সংশ্লিষ্ট জ্ঞানের ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে এবিএস তহবিলের আওতায় মোট ২৬৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে ১৪৫ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই সারা দেশের সুবিধাভোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।

 

'জৈববৈচিত্র্য আইন'-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত এবিএস ব্যবস্থাটি নিশ্চিত করে যে, জীবসম্পদ ব্যবহারের ফলে প্রাপ্ত সুফলগুলো স্থানীয় সম্প্রদায়, জীববৈচিত্র্য ব্যবস্থাপনা কমিটি, কৃষক এবং ঐতিহ্য সংক্রান্ত জ্ঞানের অধিকারীদের সাথে ন্যায্য ও সমতার ভিত্তিতে ভাগ করে নেওয়া হয়। এই সংগৃহীত তহবিল সরাসরি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জীবসম্পদের টেকসই ব্যবহার এবং তৃণমূল পর্যায়ে জীবিকার মানোন্নয়নে অবদান রাখে।

 

এটি 'জৈববৈচিত্র্য বিষয়ক কনভেনশন', 'অ্যাক্সেস অ্যান্ড বেনিফিট শেয়ারিং বিষয়ক নাগোয়া প্রোটোকল' এবং 'জাতীয় জীববৈচিত্র্য কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা ২০২৪-২০৩০'-এর ১৩তম লক্ষ্যের প্রতি ভারতের অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করে। শিল্পখাতের ক্রমবর্ধমান অবদান এটিই প্রমাণ করে যে, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ — উভয়ই সমান্তরালে এগিয়ে চলতে পারে যা দেশের জন্য আরও টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক এক ভবিষ্যৎ নির্মাণ করবে। 

 

SC/SB/DM


(রিলিজ আইডি: 2266952) ভিজিটরের কাউন্টার : 11
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Urdu , हिन्दी , Gujarati , Tamil