পেট্রোলিয়ামওপ্রাকৃতিকগ্যাসমন্ত্রক
পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রক ব্রিফিং
প্রকাশিত:
06 MAY 2026 4:45PM by PIB Kolkata
নিউ দিল্লি, ০৬ মে ২০২৬
পশ্চিম এশিয়ার ক্রমপরিবর্তনশীল পরিস্থিতির মধ্যে, ভারত সরকার নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে নাগরিকদের অবহিত রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়ে আজ ন্যাশনাল মিডিয়া সেন্টারে একটি মিডিয়া ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস এবং বন্দর, নৌপরিবহন ও জলপথ মন্ত্রকের আধিকারিকরা জ্বালানির প্রাপ্যতা, সামুদ্রিক কার্যক্রম এবং প্রধান ক্ষেত্রগুলিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলি সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেছেন।
শক্তি সরবরাহ এবং জ্বালানির প্রাপ্যতা
পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক বর্তমান জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং পশ্চিম এশিয়ার প্রেক্ষাপটে পেট্রোলিয়াম পণ্য ও এলপিজি-র নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপগুলি সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেছে। এটি উল্লেখ করা হয়েছে যে:
জনসাধারণের জন্য পরামর্শ এবং নাগরিক সচেতনতা
* নাগরিকদের পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি-র জন্য আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা (panic purchase) এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, কারণ সরকার এগুলোর প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সমস্ত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
* গুজবে কান দেবেন না এবং সঠিক তথ্যের জন্য কেবল সরকারি সূত্রের ওপর নির্ভর করুন।
* এলপিজি গ্রাহকদের ডিজিটাল বুকিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হচ্ছে এবং ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে যাওয়া এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
* নাগরিকদের পিএনজি (PNG) এবং ইলেকট্রিক বা ইন্ডাকশন কুকটপ ব্যবহারের মতো বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
* বর্তমান পরিস্থিতিতে সমস্ত নাগরিককে তাদের দৈনন্দিন ব্যবহারে শক্তি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা চালানোর অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
সরকারি প্রস্তুতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত পদক্ষেপ
* চলমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও সরকার ঘরোয়া এলপিজি, ঘরোয়া পিএনজি এবং সিএনজি (পরিবহন) ক্ষেত্রে ১০০% সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।
* বাণিজ্যিক এলপিজি-র ক্ষেত্রে হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ফার্মা, স্টিল, অটোমোবাইল, বীজ, কৃষি ইত্যাদি ক্ষেত্রকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির এফটিএল (FTL) সিলিন্ডার সরবরাহ ২ এবং ৩ মার্চ ২০২৬-এর গড় দৈনিক সরবরাহের ভিত্তিতে দ্বিগুণ করা হয়েছে।
* সরকার সরবরাহ এবং চাহিদা উভয় ক্ষেত্রেই বেশ কিছু যৌক্তিক ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করেছে, যার মধ্যে শোধনাগার উৎপাদন বৃদ্ধি, শহরাঞ্চলে বুকিংয়ের ব্যবধান ২১ থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন এবং গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিন করা এবং সরবরাহের ক্ষেত্রে বিভিন্ন খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া অন্তর্ভুক্ত।
* এলপিজি-র চাহিদার ওপর চাপ কমাতে কেরোসিন এবং কয়লার মতো বিকল্প জ্বালানি সহজলভ্য করা হয়েছে।
* কয়লা মন্ত্রক কোল ইন্ডিয়া এবং সিঙ্গাহানি কোলিয়ারিজ-কে নির্দেশ দিয়েছে যাতে তারা ছোট ও মাঝারি গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণের জন্য রাজ্যগুলিকে অতিরিক্ত কয়লা সরবরাহ করে।
* রাজ্যগুলিকে ঘরোয়া ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের জন্য নতুন পিএনজি সংযোগের সুবিধা প্রদানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা
* রাজ্য সরকারগুলিকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, ১৯৫৫ এবং এলপিজি কন্ট্রোল অর্ডার, ২০০০-এর অধীনে সরবরাহ পর্যবেক্ষণ এবং মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
* পেট্রোল, ডিজেল এবং এলপিজি-সহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্যগুলির সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সরকারকে প্রাথমিক ভূমিকা পালন করতে হবে। ভারত সরকার একাধিক চিঠি এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে এই বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
* ভারত সরকার ২৭.০৩.২০২৬ এবং ০২.০৪.২০২৬ তারিখের চিঠির মাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানির প্রাপ্যতা সম্পর্কে নাগরিকদের আশ্বস্ত করার জন্য সক্রিয় জনযোগাযোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে। ০২.০৪.২০২৬ এবং ০৬.০৪.২০২৬ তারিখের বৈঠকগুলোতে দৈনিক প্রেস ব্রিফিং, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর মোকাবিলা এবং তেল সংস্থাগুলোর (OMCs) সঙ্গে সমন্বয় করে জেলা প্রশাসনের এনফোর্সমেন্ট ড্রাইভ জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
* সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মজুতদারি ও কালোবাজারি রুখতে কন্ট্রোল রুম এবং জেলা পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করেছে।
* অনেক রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং করছে।
এনফোর্সমেন্ট এবং মনিটরিং অ্যাকশন
* এলপিজি-র মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে দেশজুড়ে এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গতকাল দেশজুড়ে ২১০০-র বেশি রেইড চালানো হয়েছে।
* রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি আকস্মিক পরিদর্শন জোরদার করেছে এবং গতকাল পর্যন্ত ৩৬৬টি এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরশিপের ওপর জরিমানা আরোপ করেছে এবং ৭৫টি ডিস্ট্রিবিউটরশিপ স্থগিত করেছে।
এলপিজি (LPG) সরবরাহ
*ঘরোয়া এলপিজি সরবরাহের স্থিতি:*
* বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এলপিজি সরবরাহ প্রভাবিত হওয়া অব্যাহত রয়েছে।
* ঘরোয়া পরিবারগুলিতে এলপিজি সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
* এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের কাছে কোনো 'ড্রাই-আউট' বা ঘাটতি রিপোর্ট করা হয়নি।
* গতকাল শিল্প স্তরে অনলাইন এলপিজি সিলিন্ডার বুকিং প্রায় ৯৯% পর্যন্ত পৌঁছেছে।
* ডাইভারশন রুখতে ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড (DAC) ভিত্তিক ডেলিভারি প্রায় ৯৫% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এই DAC পাঠানো হয়।
* গত ২ দিনে প্রায় ৮৮.৮২ লক্ষ সিলিন্ডার বুকিংয়ের বিপরীতে ৮৭.২৮ লক্ষেরও বেশি এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে।
বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ এবং বরাদ্দ সংক্রান্ত পদক্ষেপ:
* মোট বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দ সংকটের আগের স্তরের প্রায় ৭০%-এ উন্নীত করা হয়েছে, যার মধ্যে ১০% সংস্কার-সংযুক্ত বরাদ্দ অন্তর্ভুক্ত।
* পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডারের দৈনিক সরবরাহ ২ এবং ৩ মার্চ ২০২৬-এর গড় দৈনিক সরবরাহের ভিত্তিতে দ্বিগুণ করা হয়েছে।
* গত ২ দিনে প্রায় ১.২ লক্ষ ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।
* ৩ এপ্রিল ২০২৬ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি ১০,৪০০-এর বেশি সচেতনতামূলক শিবির আয়োজন করেছে, যেখানে ১,৮৪,০০০-এর বেশি ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।
* গতকাল ১৩২টি শিবিরের মাধ্যমে প্রায় ৪,১৭১টি ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।
* আইওসিএল (IOCL), এইচপিসিএল (HPCL) এবং বিপিসিএল (BPCL)-এর একজিকিউটিভ ডিরেক্টরদের নিয়ে গঠিত তিন সদস্যের কমিটি রাজ্য কর্তৃপক্ষ এবং শিল্প সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রির পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে।
* গত ২ দিনে মোট ১৫,৯০০ মেট্রিক টনের বেশি বাণিজ্যিক এলপিজি বিক্রি হয়েছে (যা ৮.৩৭ লক্ষেরও বেশি ১৯ কেজির সিলিন্ডারের সমান)।
* গত ২ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির মাধ্যমে মোট ৮৭৬ মেট্রিক টন অটো এলপিজি বিক্রি হয়েছে।
প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ এবং পিএনজি সম্প্রসারণ উদ্যোগ
* গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দিয়ে ঘরোয়া পিএনজি (D-PNG) এবং সিএনজি (পরিবহন) ক্ষেত্রে ১০০% সরবরাহ বজায় রাখা হয়েছে।
* সার কারখানাগুলিতে গ্যাসের সামগ্রিক বরাদ্দ তাদের ছয় মাসের গড় ব্যবহারের প্রায় ৯৮%-এ উন্নীত করা হয়েছে।
* অন্যান্য শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে গ্যাস সরবরাহ ৮০% পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
* সিজিডি (CGD) সংস্থাগুলিকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পিএনজি সংযোগকে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে যাতে বাণিজ্যিক এলপিজি-র প্রাপ্যতা সংক্রান্ত উদ্বেগ নিরসন করা যায়।
* আইজিএল (IGL), এমজিএল (MGL), গেইল গ্যাস (GAIL Gas) এবং বিপিসিএল (BPCL) পিএনজি সংযোগের জন্য ইনসেনটিভ দিচ্ছে।
* সিজিডি নেটওয়ার্কের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন দ্রুত প্রদানের জন্য রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলিকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
* ১৮.০৩.২০২৬ তারিখের চিঠির মাধ্যমে অতিরিক্ত ১০% বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ২২টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এই সুবিধা পাচ্ছে।
* ২৪.০৩.২০২৬ তারিখের গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে 'প্রাকৃতিক গ্যাস এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য বন্টন আদেশ, ২০২৬' বিজ্ঞাপিত করা হয়েছে, যা পাইপলাইন স্থাপনের প্রক্রিয়াকে সহজতর করবে।
* জাতীয় পিএনজি ড্রাইভ ২.০ এর সময়সীমা ৩০.০৬.২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
* রাজ্যগুলির জন্য একটি মডেল সিবিজি (CBG) পলিসি তৈরি করা হয়েছে। যারা এটি গ্রহণ করবে তাদের অতিরিক্ত বাণিজ্যিক এলপিজি বরাদ্দের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
* মার্চ ২০২৬ থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬.৩১ লক্ষ পিএনজি সংযোগ গ্যাসীকরণ করা হয়েছে এবং মোট সংযোগের সংখ্যা ৮.৯৮ লক্ষে পৌঁছেছে।
* ০৫.০৫.২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৪৯,২০০ গ্রাহক পিএনজি গ্রহণ করে তাদের এলপিজি সংযোগ সারেন্ডার করেছেন।
অপরিশোধিত তেল পরিস্থিতি এবং শোধনাগার কার্যক্রম
* সমস্ত শোধনাগার উচ্চ ক্ষমতায় কাজ করছে এবং পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে। পেট্রোল ও ডিজেলেরও যথেষ্ট স্টক বজায় রাখা হয়েছে।
* অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে শোধনাগার থেকে ঘরোয়া এলপিজি উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে।
* ফার্মা, রাসায়নিক এবং পেইন্ট খাতের সংস্থাগুলির জন্য প্রতিদিন ১১২০ মেট্রিক টন এলপিজির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
* ৯ এপ্রিল ২০২৬ থেকে এ পর্যন্ত মুম্বাই, কোচি, ভাইজ্যাগ, চেন্নাই, মথুরা এবং গুজরাট শোধনাগার থেকে প্রায় ১২,০০০ মেট্রিক টন প্রোপিলিন এবং ১৭৫০ মেট্রিক টনের বেশি বিউটাইল অ্যাক্রিলেট বিক্রি করা হয়েছে।
খুচরা জ্বালানির প্রাপ্যতা এবং মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত পদক্ষেপ
* সারা দেশে সমস্ত খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।
* মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়লেও গ্রাহকদের সুরক্ষায় ভারত সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের ওপর আবগারি শুল্ক প্রতি লিটারে ১০ টাকা কমিয়েছে।
* দেশের সমস্ত পেট্রোল পাম্পে পেট্রোল ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলোর খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত খুচরা মূল্যে কোনো বৃদ্ধি করা হয়নি।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং শিপিং অপারেশন
বন্দর, নৌপরিবহন ও জলপথ মন্ত্রক বর্তমান সামুদ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানিয়েছে:
* মন্ত্রক বিদেশ মন্ত্রক, ভারতীয় মিশন এবং অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখছে।
* অঞ্চলের সমস্ত ভারতীয় নাবিক নিরাপদ এবং গত ৪৮ ঘণ্টায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর নেই।
* *ডিজি শিপিং কন্ট্রোল রুম:*
এটি সক্রিয় হওয়ার পর থেকে ৮,৫৭০টি কল এবং ১৮,৭৩২টির বেশি ইমেল পরিচালনা করেছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় ১৫৬টি কল ও ৬৬৮টি ইমেল পাওয়া গেছে।
* *প্রত্যাবাসন:* এ পর্যন্ত ২,৯৯৯ জন ভারতীয় নাবিককে নিরাপদভাবে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে গত ৪৮ ঘণ্টায় ২৩ জন রয়েছেন।
* বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো জট নেই।
ওই অঞ্চলে ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা
বিদেশ মন্ত্রক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে:
* বিদেশ মন্ত্রক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।
* মন্ত্রকের বিশেষ কন্ট্রোল রুমটি নাগরিকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য সক্রিয় রয়েছে।
* ভারতীয় মিশনগুলি ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় করছে এবং তাদের উদ্বেগ নিরসন করছে।
* সরকার নাবিকদের কল্যাণকে উচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং তাদের দেশে ফেরার অনুরোধে সহায়তা করছে।
* *ফ্লাইট পরিস্থিতি:*
* সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর (UAE) আকাশপথ খোলা।
* সৌদি আরব এবং ওমান থেকে ভারতের বিভিন্ন গন্তব্যে বিমান চলাচল স্বাভাবিক।
* কাতারের আকাশপথ আংশিক খোলা। এয়ার ইন্ডিয়া, ইন্ডিগো ইত্যাদি বিমান চালাচ্ছে।
* কুয়েত ও বাহরিনের আকাশপথ খোলা।
* ইরাকের আকাশপথ খোলা এবং সীমিত বিমান চলাচল করছে।
* ইরান থেকে ভারতীয় নাগরিকদের স্থলপথ দিয়ে ফিরে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তেহরানের ভারতীয় দূতাবাস এ পর্যন্ত ২,৫২০ জন ভারতীয় নাগরিককে স্থলপথ দিয়ে ইরান থেকে সরাতে সহায়তা করেছে।
* ইজরায়েলের আকাশপথ খোলা এবং সীমিত বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।
SC/PK...
(রিলিজ আইডি: 2258455)
ভিজিটরের কাউন্টার : 5