উপ-রাষ্ট্রপতিরসচিবালয়
azadi ka amrit mahotsav

‘বেশি ক্ষমতার অর্থ বেশি দায়িত্ব’ : অষ্টাদশ সিভিল সার্ভিসেস ডে উপলক্ষ্যে সরকারি আধিকারিকদের প্রতি উপ-রাষ্ট্রপতির বার্তা

প্রকাশিত: 21 APR 2026 3:17PM by PIB Kolkata

 নতুন দিল্লি, এপ্রিল ২০২৬


অষ্টাদশ সিভিল সার্ভিসেস ডে উপলক্ষ্যে নতুন দিল্লির বিজ্ঞানভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মূল ভাষণ দিলেন উপ-রাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণণ।

কর্মরত সরকারি আধিকারিকদের পাশাপাশি তিনি অবসরপ্রাপ্তদেরও শুভেচ্ছা জানান। ৭৯ বছর আগে দিল্লিতে শিক্ষানবিশ প্রশাসনিক আধিকারিকদের উদ্দেশে স্বাধীন ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ভাষণের উল্লেখ করেন উপ-রাষ্ট্রপতি- যেখানে এই আধিকারিকদের ভারতের ইস্পাত কাঠামো বলে অভিহিত করেছিলেন লৌহ মানব। বছরের পর বছর ধরে প্রশাসনিক আধিকারিকরা সেই আদর্শে কাজ করে গেছেন বলে উপ-রাষ্ট্রপতির মন্তব্য। 

বিগত দশকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে সংঘটিত বিপুল ইতিবাচক পরিবর্তনের মূল বিষয় হল ‘সকলের সঙ্গে সকলের বিকাশ ও সকলের বিশ্বাস’- এই প্রসঙ্গ তুলে ধরে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, ২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্র সীমার উপরে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে, গরিব মানুষের জন্য তৈরি হয়েছে ৪ কোটিরও বেশি বাড়ি এবং সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি হয়ে উঠেছে আরও প্রাণবন্ত। দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছেন মহিলারা। তৃণমূল স্তরে লাখপতি দিদি এবং নমো ড্রোন দিদি প্রকল্পও এক্ষেত্রে বড় উদাহরণ। উন্নয়নকামী জেলা কর্মসূচি এবং এক জেলা এক পণ্য কর্মসূচি সুষম বিকাশের পালে হাওয়া লাগিয়েছে- বলেন উপ-রাষ্ট্রপতি। 

সরকারের নীতির মূল রূপায়ণকারী হলেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা- একথা উল্লেখ করে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, বিকশিত ভারত @2047-এর স্বপ্ন পূরণে এখনও অনেক পথ পেরোতে হবে। উন্নয়নের সুফল থেকে যাতে একজনও বঞ্চিত না থাকেন, তা নিশ্চিত করতে হবে আধিকারিকদের। 

প্রযুক্তি ক্ষেত্রে দ্রুত বিবর্তনের কথা মনে করিয়ে দেয়ে উপ-রাষ্ট্রপতি বলেন, ভবিষ্যতের চাহিদা মেটানোয় সরকারি আধাকারিকদের প্রস্তত থাকতে হবে। বর্তমান সময়ে বিশেষায়িত দক্ষতার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন দরকার বলে তিনি মনে করেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হয়ে ওঠায় উদ্যোগী হতে তিনি সরকারি কর্মীদের প্রতি আবেদন রেখেছেন। 

জনপরিষেবার সঙ্গে যুক্ত সরকারি আধিকারিকদের মধ্যে মহিলাদের অনুপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন উপ-রাষ্ট্রপতি। এই অনুপাত ২০১৬-র ২১ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৫-এ প্রায় ৩১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে বলে তিনি জানান। 

সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষায় প্রতিবার বসেন ১২ থেকে ১৫ লক্ষ কর্মপ্রার্থী। বেছে নেওয়া হয় এক হাজার জনকে। কাজেই ক্ষমতার বলয়ে এঁরা গুরুত্বপূর্ণ একটি পক্ষ। কিন্তু তারই মধ্যে নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং অন্য কর্মীদের প্রতি সংবেদনশীল থাকা তাঁদের কর্তব্য এবং তেমনটা হলে তবেই সুপ্রশাসনের ধারণা বাস্তবায়িত হবে বলে উপ-রাষ্ট্রপতি মনে করেন।  

তিনি বলেন, সম্প্রতি দেশবাসীর প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে সেবাতীর্থ ও কর্তব্য ভবন। এই উৎসর্গ প্রতিটি মানুষের প্রতি সেবা ও কর্তব্য পরায়ণতার বার্তা দেয়। সরকারি আধিকারিকদের কর্মপন্থায় সমতা, মর্যাদা এবং ন্যায় বিচারের আদর্শ প্রতিফলিত হোক- এই কামনা করেছেন উপ-রাষ্ট্রপতি। 
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং, প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিব ডঃ পি কে মিশ্র এবং শ্রী শক্তিকান্ত দাস, ক্যাবিনেট সচিব ডঃ টি ভি সোমানাথন প্রমুখ। 

 

SC/AC/CS


(রিলিজ আইডি: 2254142) ভিজিটরের কাউন্টার : 12
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Urdu , हिन्दी , Marathi , Gujarati , Telugu