নির্বাচনকমিশন
azadi ka amrit mahotsav

সাধারণ নির্বাচন ও উপনির্বাচন ২০২৬

প্রকাশিত: 18 APR 2026 6:07PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ১৮ এপ্রিল ২০২৬  

 

• ভারতের নির্বাচন কমিশন পুনরায় জোর দিয়ে জানাচ্ছে যে, নির্বাচন প্রক্রিয়ার সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভোটকেন্দ্রে সংবাদকর্মীদের প্রবেশ কঠোরভাবে প্রিসাইডিং অফিসারদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে; এই নিয়ন্ত্রণ 'নির্বাচন পরিচালনা বিধি, ১৯৬১'-এর ৩২ নম্বর বিধির বিধান অনুযায়ী কার্যকর হবে।

• তদনুসারে, প্রতিটি সাধারণ নির্বাচন, উপ-নির্বাচন বা দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ঘোষণা প্রকাশের পর, নির্দিষ্ট কিছু অনুমোদক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ জারি করা হয় - যাতে তারা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের জন্য 'অনুমতিপত্র' চেয়ে সংবাদকর্মীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত আবেদনগুলো সংগ্রহ ও নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রেরণ করেন। এই অনুমোদক কর্তৃপক্ষগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো এবং রাজ্য তথ্য ও জনসংযোগ দপ্তরের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকগণ।

• পিআইবি-এর দ্বারা স্বীকৃত সংবাদকর্মীদের ক্ষেত্রে, অনুমতিপত্রগুলো প্রথমে পিআইবি-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়; পিআইবি নিজস্ব স্তরে আবেদনগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করার পরেই কেবল সেই অনুমতিপত্রগুলো ইস্যু করে। পরবর্তীতে, পিআইবি অনুমোদিত সংবাদকর্মীদের একটি তালিকা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেয়, যার মাধ্যমে সমগ্র প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়।

• যেসব সংবাদকর্মী রাজ্য তথ্য ও জনসংযোগ দপ্তরের মাধ্যমে আবেদন করেন, তাঁদের আবেদনগুলো প্রথমে রাজ্য ডিআইপিআর দ্বারা যাচাই-বাছাই করা হয় এবং যাচাই-বাছাই শেষে তাঁদের সুপারিশগুলো সংশ্লিষ্ট মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে প্রেরণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সিইও বা ডিআইপিআর এই মর্মে প্রত্যয়ন করেন যে—তালিকাটি যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছে, আবেদনকারীরা প্রকৃত সংবাদ প্রতিনিধি এবং তাঁরা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকায় নির্ধারিত সমস্ত শর্ত বা মানদণ্ড পূরণ করেছেন।

• সুপারিশকৃত সংবাদকর্মীদের এই সমন্বিত বা চূড়ান্ত তালিকাটি এরপর অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট সিইও কর্তৃক নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রেরণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সিইও, জেলা নির্বাচনী আধিকারিক অথবা কমিশনের কোনো অনুমোদিত আধিকারিক কর্তৃক যথাযথভাবে সত্যায়িত হওয়ার পরেই কেবল 'অনুমতিপত্র'টি ইস্যু করা হয়। নির্বাচন কমিশন কঠোর নির্দেশ জারি করেছে যে, অনুমতিপত্রের স্বকীয়তা ও অখণ্ডতা বজায় রাখার স্বার্থে এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার 'ফ্যাকসিমিলি' বা 'রাবার স্ট্যাম্প' ব্যবহার করা যাবে না।

• এই অনুমতিপত্রগুলোর যেকোনো প্রকার অপব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। ভোটের গোপনীয়তা যাতে লঙ্ঘিত না হয়, সেই লক্ষ্যে ভোটদানের নির্দিষ্ট প্রকোষ্ঠের ভেতরে ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

• নির্বাচন কমিশন পুনরায় জোর দিয়ে জানাচ্ছে যে, এই সুসংগঠিত ও বহু-স্তরের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো - কেবলমাত্র যথাযথভাবে যাচাইকৃত ও অনুমোদিত সংবাদকর্মীরাই যেন ভোটকেন্দ্র এবং ভোটগণনা কেন্দ্রগুলোতে প্রবেশের অনুমতি পান; এর মাধ্যমেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অখণ্ডতা, নিরাপত্তা এবং সুশৃঙ্খল পরিচালনা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

• পুনরায় উল্লেখ করা হচ্ছে যে, নির্বাচনের দিন সংবাদ সংগ্রহের জন্য নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত সংবাদকর্মীদের 'অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা'র আওতাভুক্ত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং তাঁরা 'পোস্টাল ভোটিং সেন্টার'-এ ডাক-ভোট বা পোস্টাল ব্যালট প্রদানের সুবিধা পাওয়ার অধিকারী। 

 

 

SC/SB/AS


(রিলিজ আইডি: 2253473) ভিজিটরের কাউন্টার : 4
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: Malayalam , English , Urdu , हिन्दी , Marathi , Kannada