উপ-রাষ্ট্রপতিরসচিবালয়
azadi ka amrit mahotsav

নতুন দিল্লিতে ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯-তম সমাবর্তনে বক্তব্য রাখলেন উপরাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত: 07 APR 2026 3:28PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ৭ এপ্রিল ২০২৬

 

উপরাষ্ট্রপতি শ্রী সি পি রাধাকৃষ্ণন আজ নতুন দিল্লিতে ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ইগনু-র ৩৯-তম সমাবর্তনে ৩.২ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থীর হাতে তাঁদের ডিগ্রি, ডিপ্লোমা ও শংসাপত্র তুলে দিয়েছেন। 

 

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপান্তরমূলক ভূমিকাকে তুলে ধরে উপরাষ্ট্রপতি একে দেশের উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষা ব্যবস্থার এক প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বর্ণনা করেন। এর অন্তর্ভুক্তিমূলক কার্যক্রমের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ইগনু-তে ১৪ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। এর ৫৬ শতাংশ মহিলা, ৫৮ শতাংশ এসেছেন গ্রামীণ ও অনগ্রসর গোষ্ঠীগুলি থেকে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক দেশের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। শিক্ষাগত সাম্য, সামাজিক গতিশীলতা ও জাতীয় উন্নয়নে এর অবদান অসীম। তিনি শিক্ষার্থীদের আজীবন শিক্ষা গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকতে, মূল্যবোধ জাগ্রত রাখতে এবং দেশ গঠনে অবদান রাখতে উৎসাহিত করেন। 

 

কোভিড-১৯ অতিমারীর উল্লেখ করে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, সেইসময় দূরশিক্ষা মডেলের জন্য ইগনুর ওপর এর কোনও প্রভাব পড়েনি। নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে এই বিশ্ববিদ্যালয় স্বয়ম ও ই-জ্ঞানকোষের মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির কার্যকর ব্যবহার করেছে। এর মধ্য দিয়ে ইগনু প্রযুক্তিসক্ষম শিক্ষার এক অগ্রণী প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে। 

 

জাতীয় শিক্ষা নীতিকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ইগনু একাধিক প্রস্থানের সুবিধা সহ চার বছরের স্নাতক পাঠক্রম চালু করেছে। এটি উচ্চশিক্ষাকে আরও নমনীয় ও শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক করে তুলেছে। আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ভারতীয় জ্ঞানের সমন্বয়ের প্রশংসা করেন উপরাষ্ট্রপতি। 

 

শ্রী রাধাকৃষ্ণণ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো উদীয়মান মাধ্যমের সাহায্য নিলে তা শিক্ষা গ্রহণের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং শিক্ষার্থী সহায়ক হবে। আধুনিক প্রযুক্তিকে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, যখন কম্পিউটার এসেছিল, তখন আশঙ্কা ছিল যে এর ফলে চাকরি চলে যাবে। কিন্তু পরে দেখা গেল তা আরও বেশি চাকরি তৈরি করেছে এবং জাতীয় উন্নয়নে অবদান রেখেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক প্রযুক্তিকেও একইভাবে গ্রহণ করা উচিত।

 

উপরাষ্ট্রপতি বলেন, নৈতিক মূল্যবোধের প্রতি বিশ্বাসই ভারতের সব থেকে বড় শক্তি। আধুনিক উন্নয়নকে অবশ্যই ঐতিহ্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলতে হবে। বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি, নৈতিক মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত। 

 

সম্মিলিত দায়িত্বের ওপর জোর দিয়ে উপরাষ্ট্রপতি বলেন, সবার ব্যক্তিগত প্রয়াস একত্রিত হলে ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গঠনে তা অবদান রাখবে। 

 

উপরাষ্ট্রপতি ন্যাশনাল অ্যাকাডেমিক ডিপোজিটরির অধীনে ডিজি লকারের শংসাপত্র প্রকাশ করেন। তিনি ইগনুর প্রাক্তনীদের একটি পোর্টালের সূচনা করেন। দেশ জুড়ে আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলিতে স্বয়ংপ্রভা স্টুডিওগুলিরও উদ্বোধন করেন তিনি। ত্রিপুরার রাজ্যপাল শ্রী ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু, গোয়ার রাজ্যপাল শ্রী পুস্পপতি অশোক গজপতি রাজু, রাজস্থানের উপমুখ্যমন্ত্রী শ্রী প্রেমচাঁদ বৈরা সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। 

 

 

SC/SD/NS….


(রিলিজ আইডি: 2249810) ভিজিটরের কাউন্টার : 13
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Urdu , हिन्दी , Gujarati , Telugu