শিল্পওবাণিজ্যমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

জিইএম ১৮.৪ লক্ষ কোটি টাকা জিএমভি অর্জন করেছে, হয়ে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সরকারি সংগ্রহের প্ল্যাটফর্ম

প্রকাশিত: 06 APR 2026 4:01PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ৬ এপ্রিল, ২০২৬ 

 


গভর্মেন্ট ই মার্কেটপ্লেস (জিইএম) ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১৮.৪ লক্ষ কোটি টাকার পৌনঃপুনিক মোট সংগ্রহ অর্জন করেছে। একই সঙ্গে পেরিয়ে গেছে ৫ লক্ষ কোটি টাকার জিএমভির সীমা। প্ল্যাটফর্মটি একইরকমভাবে স্বচ্ছ, কার্যকর এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সরকারি সংগ্রহ ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করছে। ভারতের সরকারি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে।  

এই মাইলফলক পাবলিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে জিইএম-এর ক্রমবর্ধমান ভূমিকার প্রতিফলন। সব সরকারি সংস্থায় বিশাল পরিমাণে সংগ্রহের সুবিধা হচ্ছে। এতে সংগ্রহের সিদ্ধান্তে সুবিধা হচ্ছে। সরকারি চাহিদা সম্পর্কে জানতে পারছে বিভিন্ন অঞ্চল জুড়ে থাকা সংস্থাগুলি। সরকারি অর্থ খরচ হচ্ছে স্বচ্ছতার সঙ্গে, সুস্থায়ীভাবে এবং অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তির প্রসার ঘটাচ্ছে। 

সংবাদ মাধ্যমকে জিইএম-এর সিইও শ্রী মিহির কুমার জানিয়েছেন, এত বেশি পরিমাণ জিএমভি থেকে বোঝা যায় স্বচ্ছ, প্রযুক্তিচালিত, সংগ্রহ পরিমণ্ডলের প্রতি ক্রেতা-বিক্রেতা এবং প্রতিষ্ঠানের আস্থা।

অণু এবং ক্ষুদ্র সংস্থা, মহিলা উদ্যোগী, এসসি-এসটি সংস্থা এবং স্টার্টআপদের জন্য সুযোগ বাড়াতে জিইএম একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট বরাতের ৬৮ শতাংশ কার্যকর করেছে অণু এবং ক্ষুদ্র সংস্থাগুলি যা মোট জিএমভির ৪৭.১ শতাংশ। 

১১ লক্ষের বেশি অণু ও ক্ষুদ্র সংস্থা প্ল্যাটফর্মে নথিভুক্ত। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের ৫১ লক্ষ বরাত পেয়েছে তারা। পূর্বেকার অর্থ বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি। ২.১ লক্ষের বেশি মহিলা পরিচালিত অণু ও ক্ষুদ্র সংস্থা পোর্টালে নথিভুক্ত। ২৮,০০০ কোটি টাকার বেশি বরাত পেয়েছে। বৃদ্ধির হার ২৮ শতাংশ। এসসি-এসটি অণু ও ক্ষুদ্র সংস্থাগুলি ৬,০০০ কোটি টাকার বেশি বরাত পেয়েছে। এক্ষেত্রেও বৃদ্ধির হার ২৮ শতাংশ। একই সময়কালে ১৯,০০০ কোটি টাকার বেশি বরাত পেয়েছে স্টার্টআপগুলি। বৃদ্ধির হার ৩৬ শতাংশের বেশি। 

জিইএম পরিচালনায় প্রযুক্তি কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেয়। উন্নত অ্যানালিটিক্যাল টুল ব্যবহার করা হয় অস্বাভাবিক মূল্য, বিডিং-এ অসদুপায় ইত্যাদি চিহ্নিত করতে। ক্রেতার সঙ্গে বিক্রেতার দুর্নীতিমূলক আঁতাতের সম্ভাবনাও চিহ্নিত করা যায়। 

কেন্দ্রীয় মন্ত্রকগুলি, দফতরগুলি এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি পুরোমাত্রায় এটিকে গ্রহণ করেছে। এখন দেখা যাচ্ছে রাজ্যগুলি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিও বেশিমাত্রায় অংশ নিচ্ছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে রাজ্যগুলির সংগ্রহ বৃদ্ধির হার ৩৮.৩ শতাংশ।   

 


SC / AP /AG


(রিলিজ আইডি: 2249434) ভিজিটরের কাউন্টার : 8
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: Kannada , English , Urdu , हिन्दी , Marathi