সারওরসায়নমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

সার মজুদ ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অভিযান জোরদার; কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় ৬,৯০০-এরও বেশি লাইসেন্স বাতিল

প্রকাশিত: 27 MAR 2026 4:21PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৭ মার্চ ২০২৬

 

ভারত সরকার সারের মজুদদারি, অপব্যবহার এবং কালোবাজারি রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আজ লোকসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে রসায়ন ও সার প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতি অনুপ্রিয়া এস. প্যাটেল জানান যে, ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের (এসেনশিয়াল কমোডিটি অ্যাক্ট) আওতায় সারকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং ১৯৮৫ সালের সার নিয়ন্ত্রণ আদেশের (ফার্টিলাইজার কন্ট্রোল অর্ডার) অধীনে তা বিজ্ঞাপিত করা হয়েছে; এর ফলে এখন রাজ্য সরকারগুলো অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথোচিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে। কৃষি ও কৃষক কল্যাণ বিভাগ রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গে পরামর্শক্রমে নিয়মিত সাপ্তাহিক ভিত্তিতে এই প্রয়োগমূলক কর্মসূচিগুলো পর্যবেক্ষণ করে এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তৎপর থাকে।

২০২৫ সালের এপ্রিল মাস থেকে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ৪,৬৬,৪১৫টি অভিযান পরিচালনা করেছে, ১৬,২৪৬টি কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে, ৬,৮০২টি লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করেছে এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ৮২১টি এফআইআর দায়ের করেছে। সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মজুতদারি সংক্রান্ত ঘটনায় ২৮টি কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে, ২টি লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করা হয়েছে এবং ২টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলো বিভিন্ন অন্যায্য কার্যকলাপ থেকে কৃষকদের সুরক্ষা প্রদানের বিষয়ে সরকারের দৃঢ় সংকল্পকেই প্রতিফলিত করে।

চলমান রবি মৌসুম ২০২৫-২৬ চলাকালীন দেশে সার—যথা ইউরিয়া, ডিএপি, এমওপি এবং এনপিকেএস —এর জোগান পর্যাপ্ত ছিল।

২০২৫-২৬ রবি মৌসুমে সারের চাহিদা, জোগান ও বিক্রয় (১৮.০৩.২৬ পর্যন্ত)

LMT-তে চিত্র

ক্রমিক নং

 পণ্য সর্বভারতীয়

  প্রয়োজনীয়তা জোগান ডিবিটি বিক্রয়

 ইউরিয়া ১৯১.৭২ ২৪৯.১৭ ১৯৬.৪২

২ ডিএপি ৫২.৭২ ৭৪.৫৫ ৫২.৭৪

৩ এমওপি ১৫.১৭ ১৮.৯৮ ১১.০৩

৪ এনপিকেএস ৮০.৩৪ ১১৪.৬৬ ৬৬.৩৫

সাশ্রয়ী মূল্যে ইউরিয়ার জোগান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, 'ইউরিয়া ভর্তুকি প্রকল্প'-এর আওতায় কৃষকদের কাছে এটি একটি বিধিবদ্ধভাবে বিজ্ঞাপিত 'সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য' (এমআরপি)-তে সরবরাহ করা হয়। ৪৫ কেজির এক বস্তা ইউরিয়ার এমআরপি হলো ২৪২ টাকা (নিম-লেপন বা 'নিম কোটিং'-এর খরচ এবং প্রযোজ্য করসমূহ বাদে)। খামার-প্রান্তে (ফার্ম গেট) ইউরিয়া সরবরাহের প্রকৃত খরচ এবং ইউরিয়া উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোর নিট বাজার-প্রাপ্তির (নেট মার্কেট রিয়ালাইজেশন) মধ্যকার পার্থক্যটুকু ভারত সরকার কর্তৃক ইউরিয়া উৎপাদনকারী বা আমদানিকারকদের ভর্তুকি হিসেবে প্রদান করা হয়।

অধিকন্তু, সরকার ফসফ্যাটিক ও পটাশিক(পি অ্যান্ড কে) সারের জন্য 'পুষ্টি-ভিত্তিক ভর্তুকি' (এনবিএস) প্রকল্প বাস্তবায়ন অব্যাহত রেখেছে; আন্তর্জাতিক মূল্যের ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভর্তুকির হার নির্ধারণের মাধ্যমে সরকার এই সারগুলোর সাশ্রয়ী সরবরাহ নিশ্চিত করছে। সরকার প্রধান প্রধান সার এবং কাঁচামালের আন্তর্জাতিক মূল্য ও তাতে কোনো পরিবর্তন বা ওঠানামা হলে তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে; কৃষকদের কাছে পি অ্যান্ড কে সারের সাশ্রয়ী সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বার্ষিক বা দ্বিবার্ষিক ভিত্তিতে পি অ্যান্ড কে সারের এনবিএস হার নির্ধারণের সময় এই আন্তর্জাতিক মূল্যের পরিবর্তনগুলোকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। তাছাড়া, সারের সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে—২০২৫ সালের খরিফ মরসুম এবং ২০২৫-২৬ সালের রবি মরসুমের জন্য— এনবিএস ভর্তুকির অতিরিক্ত হিসেবে বিশেষ কিছু সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। এই সুবিধাগুলো আমদানিকৃত ও দেশীয় উভয় প্রকারের ডিএপি সার এবং আমদানিকৃত টিএসপি সারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই বিশেষ বিধানগুলোর মধ্যে রয়েছে: 'অন্যান্য খরচ' (আদার কস্টস) বাবদ প্রতি মেট্রিক টনে ৩,৫০০ টাকা প্রদান—যার আওতায় কারখানা-প্রাঙ্গণ থেকে খামার-প্রাঙ্গণ পর্যন্ত পরিবহনাদি বাবদ খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে; আন্তর্জাতিক মূল্যের বৃদ্ধি বা হ্রাসের ফলে সৃষ্ট লাভ বা লোকসানের সমন্বয়; সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (এমআরপি) অন্তর্ভুক্ত জিএসটি-র অংশ বাবদ বিধান; এবং নিট এমআরপি -এর (এমআরপি থেকে জিএসটি বাদ দেওয়ার পর প্রাপ্ত মূল্য) ৪% হারে যুক্তিসঙ্গত মুনাফা নিশ্চিত করার বিধান।

 

SC/SB/NS…

 

 

 

 

 


(রিলিজ আইডি: 2246421) ভিজিটরের কাউন্টার : 7
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English , Marathi , हिन्दी , Gujarati , Telugu