PIB Headquarters
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ভারতের যুব শক্তি
ভবিষ্যৎ-এর প্রয়োজনে প্রতিভা বিকাশের ব্যবস্থা নির্মাণ
প্রকাশিত:
19 FEB 2026 9:24AM by PIB Kolkata
মূল বিষয়বস্তু
ভারতের জনসংখ্যাগত সুবিধা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করছে। দেশের ৬৫ শতাংশের বেশি জনসংখ্যা ৩৫ বছরের নিচে। ডিজিটাল ও উদ্ভাবন কৌশলের কেন্দ্রে রয়েছে যুবসমাজ।
বিদ্যালয়, কারিগরি মাধ্যম, উন্নত গবেষণায় ফেলোশিপ প্রদান ও শিল্প অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দক্ষতা উন্নয়ন দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।
ইন্ডিয়াএআই মিশনের আওতায় সাশ্রয়ী পরিকাঠামো ও নীতিগত সহায়তায় কম্পিউটিং ক্ষমতা ও তথ্যের প্রবেশাধিকার মহানগরের বাইরে বিস্তৃত হয়েছে।
যুব নেতৃত্বাধীন উদ্ভাবন পরীক্ষামূলক পর্যায় পেরিয়ে আন্তর্জাতিক প্রভাবের দিকে এগোচ্ছে। দায়িত্বশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবহারে ভারত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসাবে উঠে আসছে।
ভূমিকা
এবছর ১৬ ফেব্রুয়ারি ইন্ডিয়া–এআই ইমপ্যাক্ট সামিট শুরু হয়েছে। দেশের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যাত্রার কেন্দ্রে যুবসমাজকে স্থান দেওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থান ও জীবিকায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ভারত বিশ্বের বৃহত্তম যুব জনসংখ্যার দেশ। পয়তিরিশ বছরের নিচে ৬৫ শতাংশের বেশি নাগরিক রয়েছে। এই জনশক্তি অর্থনৈতিক গতিশীলতার প্রধান ভিত্তি।
শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থানে সংযোগ শক্তিশালী করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও শিল্পের প্রয়োজনের সঙ্গে শিক্ষাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শ্রেণীকক্ষ থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর কর্মজীবনে সেতুবন্ধন গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে।
সামিটে উদ্ভাবন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ, স্টার্টআপ উপস্থাপনা ও সরাসরি সমাধান প্রদর্শনের মাধ্যমে যুব উদ্ভাবকেরা সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন। দক্ষতা ও বাজারের প্রয়োজনের মধ্যে সংযোগ তৈরি হয়েছে। অ্যানিমেশন, ভিজ্যুয়াল এফেক্টস, গেমিং ও কমিকস ক্ষেত্রে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ২০ লাখ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে। যুবশ্রেণীর দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে জনসংখ্যাগত সুবিধাকে কৌশলগত সম্পদে রূপান্তর করা হচ্ছে।
ভারতের প্রতিভা ভাণ্ডারের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি সুযোগ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করছে। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধির পথ প্রসারিত হয়েছে। যুব দক্ষতা ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে প্রযুক্তিকে কার্যকর উপাদান হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দক্ষতার চাহিদা বৃদ্ধি
দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। ২০২৩-এর জানুয়ারি থেকে ২০২৫-এর মার্চ সময়কালে দক্ষিণ এশিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সম্পর্কিত চাকরির বিজ্ঞাপন মোট শূন্যপদের ২.৯ শতাংশ থেকে ৬.৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত দক্ষতার চাহিদা অন্যান্য ক্ষেত্রের তুলনায় ৭৫ শতাংশ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।
যুব দক্ষতার জন্য নীতিগত উদ্যোগ
কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬–২৭-এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দক্ষতা উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অরেঞ্জ ইকোনমিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অ্যানিমেশন, গেমিং, ডিজিটাল বিষয়বস্তু ও ইমার্সিভ মিডিয়া ক্ষেত্র এতে অন্তর্ভুক্ত।
মুম্বই-এর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সমন্বিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব স্থাপনের জন্য সহায়তা বরাদ্দ করা হয়েছে। মোট ১৫,০০০ বিদ্যালয় ও ৫০০ কলেজে এই ল্যাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রায় ২০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিকাঠামোয় সমান প্রবেশাধিকার
ইন্ডিয়াএআই মিশনের অধীনে ১০,৩০০ কোটির বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। মোট ৩৮,০০০ গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিটের পাশাপাশি অতিরিক্ত ২০,০০০ উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিট যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কম্পিউটিং ক্ষমতা ও উদ্ভাবনের সুযোগ মহানগরের বাইরে বিস্তৃত হচ্ছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-প্রস্তুত দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে জাতীয় উদ্যোগ
বিদ্যালয় শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, উচ্চশিক্ষা এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের সমন্বিত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সমৃদ্ধ মানবসম্পদ গড়ে তুলছে ভারত সরকার। শিল্পের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রাথমিক, মধ্যবর্তী ও উন্নত স্তরের দক্ষতা তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ে প্রাথমিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সাক্ষরতা
জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০
ডিজিটাল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সাক্ষরতাকে অপরিহার্য দক্ষতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কম্পিউটেশনাল চিন্তন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ধারণা সব স্তরের শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করা হচ্ছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কম্পিউটেশনাল চিন্তন উদ্যোগ
তৃতীয় শ্রেণী থেকে শিক্ষার কাঠামোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। শেখা, ভাবনা ও পাঠদানের পদ্ধতি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ‘জনকল্যাণের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ ধারণার দিকে অগ্রসর হওয়া হয়েছে।
যুবা-আই
বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক ন্যাশনাল ই-গভর্ন্যান্স ডিভিশনের সঙ্গে যৌথভাবে যুবা-আই শুরু করেছে। অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা আটটি বিষয়ভিত্তিক ক্ষেত্রে ব্যবহারিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমাধান তৈরি করছে।
যুবা এআই ফর অল
অসমীয়া, বাংলা, গুজরাটি, হিন্দি, কন্নড়, মালয়ালম, মারাঠি, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, তামিল ও তেলুগু-সহ ১১টি ভাষায় বিনামূল্যের জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সাক্ষরতা কোর্স চালু হয়েছে। দীক্ষা, আইগট কর্মযোগী ও ফিউচারস্কিলস প্রাইম প্ল্যাটফর্মে এই কোর্স উপলব্ধ। মোট ১ কোটি নাগরিককে প্রাথমিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দক্ষতায় সক্ষম করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
কারিগরি ও শিল্প-সমন্বিত প্রশিক্ষণ
স্কিল ইন্ডিয়া মিশন ও সোয়ার উদ্যোগ
দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা মন্ত্রকের নেতৃত্বে স্কিল ইন্ডিয়া মিশনে কারিগরি প্রশিক্ষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সোয়ার উদ্যোগের মাধ্যমে ২০২৫-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত ১.৩৪ লাখ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অংশ নিয়েছেন। মাইক্রোসফট, এইচসিএল টেকনোলজিস এবং ন্যাসকমের সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে উঠেছে।
ফিউচারস্কিলস প্রাইম
বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক এবং ন্যাসকমের যৌথ উদ্যোগে পেশাদারদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ ডেটা, ক্লাউড কম্পিউটিংসহ উদীয়মান প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে।
স্কিল ইন্ডিয়া ডিজিটাল হাব
একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দক্ষতা উন্নয়ন পরিষেবা একত্রিত করা হয়েছে। প্রাথমিক থেকে উন্নত স্তরের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং কোর্স চালু রয়েছে।
উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা- মানবসম্পদ ও গবেষণা পরিবেশ
ইন্ডিয়াএআই ফিউচারস্কিলস
ইন্ডিয়াএআই মিশনের অধীনে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য ফেলোশিপ চালু হয়েছে। ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ৫০০ পিএইচডি গবেষক, ৫,০০০ স্নাতকোত্তর এবং ৮,০০০ স্নাতক শিক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
ইন্ডিয়াএআই ডেটা ও এআই ল্যাব
টিয়ার-২ ও টিয়ার-৩ শহরে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজির মাধ্যমে ২৭টি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। মোট ২৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে আইটিআই ও পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানে আরও ১৭৪টি ল্যাব অনুমোদিত হয়েছে। তথ্য সংগ্রহ, অ্যানোটেশন, পরিশোধন ও প্রয়োগমূলক ডেটা সায়েন্সে জোর দেওয়া হয়েছে।
ইন্ডিয়া–এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এ যুব ক্ষমতায়ন
যুব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দক্ষতা উন্নয়নকে কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ, উদ্ভাবন প্রদর্শনী ও নীতি সংলাপের মাধ্যমে যুব উদ্ভাবক ও নারী উদ্যোক্তাদের ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে।
এআই বাই হার গ্লোবাল ইমপ্যাক্ট চ্যালেঞ্জ
নারী ও যুব উদ্ভাবকদের নেতৃত্বে দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমাধানের উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। স্বাস্থ্য, জলবায়ু সহনশীলতা, শিক্ষা, ফিনটেক, নিরাপত্তা ও ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামো ক্ষেত্রে স্কেলযোগ্য সমাধান-ও উপস্থাপিত হয়েছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক আলাপম-আলোচনা
শ্রমবাজারে পরিবর্তিত কর্মপরিস্থিতি ও নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গ্রহণের প্রেক্ষাপটে কর্মসংস্থানের রূপান্তর বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
এআই ইমপ্যাক্ট স্টার্টআপ বই
ভারত জুড়ে উন্নত ১০০-র বেশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সমাধানের সংকলন প্রকাশিত হয়েছে। যুব উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার।
আন্তর্জাতিক সূচকে ভারতের নেতৃত্ব
২০২৫-এর স্ট্যানফোর্ড গ্লোবাল এআই সূচক প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেশায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দক্ষতার অনুপ্রবেশ আন্তর্জাতিক গড়ের তুলনায় ২.৫ গুণ বেশি।
ন্যাসকমের এআই গ্রহণ সূচক জানিয়েছে, ৮৭ শতাংশ সংস্থা সক্রিয়ভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে।
ডিজিটালভাবে যুব জনসংখ্যা ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করছে।
গিনেস বিশ্ব রেকর্ড
বস্তুত, ২৪ ঘণ্টায় ২.৫ লক্ষের বেশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিশ্রুতি গ্রহণের মাধ্যমে গিনেস বিশ্ব রেকর্ড গড়া হয়েছে। ইন্ডিয়াএআই মিশন ও ইন্টেল ইন্ডিয়ার যৌথ উদ্যোগে শিক্ষার্থী ও নাগরিকদের নৈতিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহারে অঙ্গীকারবদ্ধ করা হয়েছে।
উপসংহার
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ভারতের যুবশক্তি একটি নির্ধারক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। ধারাবাহিক নীতি সহায়তা, বৃহৎ দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি এবং গণতান্ত্রিক ডিজিটাল পরিকাঠামো এই রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করেছে।
ইন্ডিয়া–এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬ যুব উদ্ভাবন, দায়িত্বশীল প্রয়োগ ও শিল্প-সমন্বিত দক্ষতা উন্নয়নের সমন্বিত রূপরেখা তুলে ধরেছে। বিকশিত ভারতের পথে উৎপাদনশীলতা, স্থিতিস্থাপকতা ও আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে যুবসমাজকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সক্ষম করা হবে।
তথ্যসূত্র
Ministry of Electronics and IT
Ministry of Information and Broadcasting
Ministry of Science and Technology
https://www.pib.gov.in/PressReleasePage.aspx?PRID=2217689®=3&lang=1
PIB Headquarters
Click here to see PDF
******
SSS/SS
(রিলিজ আইডি: 2230155)
ভিজিটরের কাউন্টার : 10