প্রতিরক্ষামন্ত্রক
ভারতের বিকশিত(উন্নত) ভারত যাত্রায় তরুণরাই প্রধান চালক : রক্ষামন্ত্রী
प्रविष्टि तिथि:
10 JAN 2026 8:11PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ১০ জানুয়ারি ২০২৬
২০২৬ সালের ১০ই জানুয়ারি দিল্লি ক্যান্টনমেন্টে একটি অনুষ্ঠানে উত্তর প্রদেশের ৭৮ জন তরুণ, উদ্যমী মনের মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী শ্রী রাজনাথ সিং বলেন, “বিকশিত ভারতের পথে জাতির যাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি হলো যুবসমাজ।” উত্তর প্রদেশের এই দলটি সেইসব তরুণদের একটা অংশ, যাঁরা ২০২৬ সালের ১০ থেকে ১২ই জানুয়ারি পর্যন্ত নতুন দিল্লিতে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত ‘বিকশিত ভারত ইয়ং লিডারস ডায়ালগ ২০২৬’-এ অংশগ্রহণ করছেন। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই যুব নেতাদের কৃতিত্বের প্রশংসা করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাঁর আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেন যে, তাঁদের শক্তি, আকাঙ্ক্ষা এবং উদ্ভাবনী ক্ষমতা দেশকে উন্নত ভারতের লক্ষ্য অর্জনে পথ দেখাচ্ছে।
শ্রী রাজনাথ সিং তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান, তাঁরা যেন দ্রুত প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য বহু-বিষয়ক শিক্ষাকে গ্রহণ করেন, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বায়োটেকনোলজি এবং মহাকাশ গবেষণার মতো ক্ষেত্রগুলিতে। তিনি বলেন, “শেখার প্রক্রিয়া কখনও শেষ হয় না। আপনাদেরকে সর্বশেষ পদ্ধতি থেকে, নিজেদের ভুল থেকে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, অন্যদের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে হবে। বড় স্বপ্ন দেখুন, কিন্তু এটিকে কখনও বোঝা হতে দেবেন না।”
চ্যালেঞ্জকে জীবনের ব্যতিক্রম নয় বরং এর একটি স্বাভাবিক অংশ হিসেবে বর্ণনা করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, কঠিন সময়ই একজন ব্যক্তির প্রকৃত ভেতরের সত্তা ও চরিত্রকে প্রকাশ করে। তিনি বলেন, “যখন সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে, তখন শান্ত থাকা সহজ। কিন্তু সমালোচনা এবং ব্যর্থতাই একজন ব্যক্তির সাহস পরীক্ষা করে, যা শেষ পর্যন্ত ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করে। তবে, ভয় না পাওয়ার অর্থ এই নয় যে সমস্যাগুলোকে হালকাভাবে নিতে হবে; এর অর্থ হলো আমাদের সাহস, প্রজ্ঞা এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সেগুলোর মোকাবিলা করা উচিত।”
শ্রী রাজনাথ সিং যুবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যে, তাঁরা যেন কোনও চ্যালেঞ্জকে বোঝা হিসেবে না দেখে বরং একটি সুযোগ হিসেবে দেখে, যা একজনের সক্ষমতাকে স্বীকৃতি দেয় ও উন্নত করে এবং একই সঙ্গে চরিত্রকে শক্তিশালী করে। তিনি বলেন, “সহজ পথ প্রায়ই আমাদের দুর্বল করে তোলে, পক্ষান্তরে কঠিন পথ আমাদের শক্তিশালী, সহনশীল এবং সক্ষম করে তোলে। অভিযোগ করলে সমস্যার সমাধান হয় না, সমাধান খুঁজে বের করলেই তা হয়। আত্মবিশ্বাসই মূল চাবিকাঠি, যা অহংকার থেকে আসে না, বরং কঠোর পরিশ্রম এবং সততা থেকে আসে। একজনকে সর্বদা বিনয়ী থাকা উচিত, কারণ আপনার সাফল্যগুলো কেবল আপনার একার নয়, বরং পরিবার, শিক্ষক এবং বন্ধুদেরও অবদান রয়েছে। বিনয় আপনাকে বাস্তবতার মাটিতে স্থির রাখে।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত যুবকদের তিনি এই কথাগুলো বলেন।
এই মতবিনিময় অনুষ্ঠানে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠি, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং, প্রতিরক্ষা সচিব শ্রী রাজেশ কুমার সিং, প্রতিরক্ষা উৎপাদন সচিব শ্রী সঞ্জীব কুমার, প্রাক্তন সৈনিক কল্যাণ সচিব শ্রীমতি সুকৃতি লিখি এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
SC/SB/AS
(रिलीज़ आईडी: 2213377)
आगंतुक पटल : 12