স্বাস্থ্যওপরিবারকল্যাণমন্ত্রক
গ্রামাঞ্চলে পেশাদার চিকিৎসকদের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্যোগ
Posted On:
01 APR 2025 2:08PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ১ এপ্রিল ২০২৫
দেশে বর্তমানে ৭৪,৩০৬টি স্নাতকোত্তর এবং ১,১৮,১৯০টি এমবিবিএস আসন রয়েছে।
ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশনের (এনএমসি) দেওয়া তথ্য অনুসারে দেশে মোট ১৩,৮৬,১৫০ জন নথিভুক্ত অ্যালোপ্যাথিক ডাক্তার রয়েছেন। আয়ুষ মন্ত্রক জানিয়েছে, আয়ুষ চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করেন ৭,৫১,৭৬৮ জন নথিভুক্ত চিকিৎসক। যদি ধরে নেওয়া যায় যে, নথিভুক্ত অ্যালোপ্যাথিক ও আয়ুষ চিকিৎসকদের ৮০ শতাংশ বর্তমানে চিকিৎসা করছেন, তাহলে দেশে চিকিৎসক ও জনসংখ্যার অনুপাত দাঁড়ায় ১:৮১১।
দেশে পেশাদার চিকিৎসকদের সংখ্যা বাড়াতে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তা হল –
• জেলা / রেফারেল হাসপাতালগুলিকে উন্নীত করে নতুন মেডিকেল কলেজ গড়ে তোলা হচ্ছে। এমন ১৫৭টি মেডিকেল কলেজ গড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৩১টি চালু হয়ে গেছে।
• বর্তমান রাজ্য সরকার / কেন্দ্রীয় সরকারের মেডিকেল কলেজগুলিকে উন্নীত করে এমবিবিএস এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আসন সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
• প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য সুরক্ষা যোজনা (পিএমএসএসওয়াই)-এর আওতায় সরকারি মেডিকেল কলেজগুলিতে সুপার স্পেশালিটি ব্লক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই ধরনের ৭৫টি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে ৭১টি কাজ শেষ হয়েছে।
• নতুন এইমস স্থাপনের কেন্দ্রীয় প্রকল্পের আওতায় ২২টি এইমস-এর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৯টিতে স্নাতক স্তরের কোর্স চালু করা হয়েছে।
গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকায় চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়াতে সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে তা হল –
• স্বাস্থ্য পরিষেবাকে গ্রামের মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে এমবিবিএস পাঠ্যসূচিতে পরিবার দত্তক গ্রহণ কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর আওতায় মেডিকেল কলেজগুলি বিভিন্ন গ্রামকে দত্তক নেয়। এমবিবিএস-এর পড়ুয়ারা সেই সব গ্রামের এক একটি পরিবারকে দত্তক নেন।
• জেলা আবাসিক কর্মসূচির আওতায় মেডিকেল কলেজগুলির স্নাতকোত্তর স্তরের দ্বিতীয় / তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়াদের জেলা হাসপাতালগুলিতে নিয়োগ করা হয়।
• গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকায় থেকে চিকিৎসা করার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের হার্ড এরিয়া ভাতা প্রদান করা হয়।
• গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকায় সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও অ্যানাস্থেটিস্টদের অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া হয়।
• সদ্যোজাতদের সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য চিকিৎসক ও নার্সদের বিশেষ উৎসাহ ভাতা দেওয়া হয়। এছাড়া যৌন স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রসারে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
• বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জন্য রাজ্যগুলি নিজেরাই বেতনক্রম ঠিক করতে পারে।
• অর্থ ছাড়াও গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকায় চিকিৎসা করার জন্য স্নাতকোত্তর স্তরে শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
• বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অভাব পূরণে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের আওতায় চিকিৎসকদের বিভিন্ন ধরনের কাজে দক্ষ করে তোলা হয়। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে মানব সম্পদের দক্ষতার ক্রমোন্নয়ন জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অন্যতম প্রধান কৌশল।
রাজ্যসভায় আজ এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতী অনুপ্রিয়া প্যাটেল এই তথ্য জানিয়েছেন।
SC/SD/AS/
(Release ID: 2117403)
Visitor Counter : 10