নির্বাচনকমিশন
ব্যাঙ্ক এবং ডাকঘরগুলি ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে ভোটদাতাদের ওয়াকিবহাল করতে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে
প্রকাশিত:
26 FEB 2024 2:21PM by PIB Kolkata
নতুন দিল্লি, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
ভোটদাতাদের ওয়াকিবহাল করতে ভারতীয় নির্বাচন কমিশনকে সাহায্যের লক্ষ্যে এই প্রথম ব্যাঙ্ক এবং ডাকঘরগুলি এগিয়ে এসেছে। ভারতের নির্বাচন কমিশন দুটি প্রথম সারির সংগঠন ভারতীয় ব্যাঙ্কিং সংগঠন এবং ডাকঘর বিভাগের সঙ্গে একটি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর করেছে। যার উদ্দেশ্য হল আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে ভোটদাতাদের ওয়াকিবহাল করে তোলা এবং ভোটদান সংক্রান্ত প্রচারের বিষয়টি তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। দেশজুড়ে ভোটদাতাদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিরলস প্রয়াসের ক্ষেত্রে এটি আরেকটি উদ্যোগ। উল্লেখ করার বিষয় ভারতের নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গেও একটি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর করেছে। এর উদ্দেশ্য হল স্কুল কলেজের শিক্ষা পাঠক্রমে নির্বাচনী শিক্ষা বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার শ্রী রাজীব কুমার এবং নির্বাচন কমিশনার শ্রী অরুণ গোয়েল ছাড়াও ভারতীয় ব্যাঙ্কিং সংগঠন এবং ডাকঘর বিভাগের মধ্যে এই সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক বিভাগের সচিব শ্রী বিনীত পান্ডে, আইবিএ মুখ্য নির্বাহী শ্রী সুনীল মেহেতা ছাড়াও অন্য পদস্থ আধিকারিকরা। সমঝোতাপত্র অনুযায়ী আইবিএ এবং ডাক বিভাগ তাদের সদস্য ও সংগঠনের সহায়তায় ভোটদানের গুরুত্ব নিয়ে ভোটদাতাদের মধ্যে শিক্ষামূলক প্রচার চালাবে। ভোটদানের অধিকার প্রক্রিয়া, ভোটার তালিকায় নাম তোলা এবং ভোটদানের গুরুত্ব প্রচারের মাধ্যমে নাগরিকদের সক্ষম করে তোলাই হল এর উদ্দেশ্য।
সমঝোতাপত্রের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলি হল :
এই দুই সংস্থা তাদের বিভিন্ন শাখা এবং সংগঠনের সাহায্যে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভোটদান সংক্রান্ত শিক্ষা ও প্রচারমূলক বিষয়টিকে তুলে ধরবে। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে এবং গ্রাহক মঞ্চের মধ্যে দিয়ে জনসাধারণ এবং অংশীদারদের ভোটদান সংক্রান্ত সচেতনতা প্রচার করবে। এই দুই সংস্থার অফিস ও নানা শাখা সংগঠনে হোডিং, পোস্টার এবং ফ্লেক্সের মাধ্যমে ভোটদাতাদের সচেতনতা প্রচার চালানো হবে। ভারতীয় ব্যাঙ্কিং সংগঠন এবং ভারতীয় ডাকবিভাগ ভোটার সচেতনতা গড়ে তুলতে গ্রাহক এবং আধিকারিকদের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা প্রক্রিয়া চালাবে। এই দুই সংস্থার কর্মীদের এব্যাপারে উপযুক্ত প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভারতীয় ডাকবিভাগ ডাক মারফত পাঠানো জিনিসপত্রের ওপরে ভোটারদের সচেতনতা সংক্রান্ত একটি বিশেষ ডাকটিকিট লাগানোরও ব্যবস্থা করবে।
ভোটদাতাদের প্রশিক্ষিত এবং সচেতন করার কাজে ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিয়মিত উদ্যোগের ফলে ভোটদাতার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ৯১ কোটি ভোটদাতার মধ্যে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে প্রায় ৩০ লক্ষ ভোটার ভোটদান প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়নি, যা যথেষ্ট উদ্বেগের বিষয়। ৬৭.৪ শতাংশ ভোটদানের হারকে বাড়ানো নির্বাচন কমিশনের কাছে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেয়। ভোটদান প্রক্রিয়ায় ভোটদাতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে উৎসাহ দিতে ভারতের নির্বাচন কমিশন প্রতিবারের মতো এবারও নানা উদ্যোগ নিয়েছে।
PG/ AB/SG
(রিলিজ আইডি: 2009265)
ভিজিটরের কাউন্টার : 225