পর্যটনমন্ত্রক
ভারতের সভাপতিত্বে জি২০-র দ্বিতীয় পর্যটন সংক্রান্ত কর্মীগোষ্ঠীর বৈঠক পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে আজ সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে
प्रविष्टि तिथि:
03 APR 2023 8:21PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ৩ এপ্রিল, ২০২৩
ভারতের সভাপতিত্বে জি২০-র দ্বিতীয় পর্যটন সংক্রান্ত কর্মীগোষ্ঠীর বৈঠক আজ সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে পয়লা থেকে তেশরা এপ্রিল পর্যন্ত এই বৈঠক আয়োজিত হয়। দুটি ভাগে বৈঠক হয়। একটি ছিল উদ্বোধনী পর্ব, অন্যটি কর্মীগোষ্ঠীর বৈঠক। এছাড়াও বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও দার্জিলিং-এ রাজ্যপালের বাসভবন ও বাতাসিয়া লুপ ঘুড়ে দেখা এবং ডিএইচআরএ প্রমোদ ভবন।
কর্মীগোষ্ঠীর বৈঠকের পাশাপাশি পয়লা এপ্রিল সুসংহত উন্নয়নের লক্ষ্যে রোমাঞ্চকর পর্যটন এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ শীর্ষক এক আলোচনাও আয়োজিত হয়। প্রতিনিধিরা রোমাঞ্চকর পর্যটনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সাফল্যের কাহিনী, সম্ভাবনা ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচন করেন। ব্রিটেন, মেক্সিকো, কানাডা, জার্মানী, জাপান ও ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে যোগ দেন। প্রতিনিধিরা ঘুরে দেখেন চা বাগান, অংশ নেন চাঁদের আলোয় চা-পাতা তোলার কর্মসূচিতে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন, সংস্কৃতি এবং উত্তরপূর্বাঞ্চল বিষয়ক মন্ত্রী শ্রী জি কিষাণ রেড্ডি ও সংখ্যালঘু দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী জন বার্লা।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী জি কিষাণ রেড্ডি স্বাধীনতার শততম বর্ষ ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতের পর্যটন অর্থনীতি এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যের কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, পর্যটন মন্ত্রক ইতিমধ্যেই জাতীয় পর্যটন নীতির খসড়া তৈরি করেছে। পর্যটনের বিভিন্ন দিকে উন্নয়নের পাশাপাশি এর সামগ্রিক বিকাশের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল সহ সব সদস্য দেশগুলির প্রতিনিধিরা তাদের মতামত ও চিন্তা-ভাবনার কথা জানান।
পর্যটন সংক্রান্ত কর্মীগোষ্ঠীর বৈঠকের দ্বিতীয় অধিবেশনটি ছিল মূলত খোলামেলা আলোচনার। ৫টি মূল বিষয় এখানে মত-বিনিময় হয়। তুরস্ক, সৌদি আরব, অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সবুজ পর্যটন, ডিজিটালাইজেশন, দক্ষতা, পর্যটন ক্ষেত্রে এমএমএমই এবং পর্যটন স্থল ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত উপস্থাপনা পেশ করে।
বৈঠকের শেষে ভারতের তরফে জি২০-র সদস্য দেশগুলি, আমন্ত্রিত দেশ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।
কর্মসূচির অন্যদিকে রোমাঞ্চকর পর্যটন নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়। বিভিন্ন গ্রামগুলিকে রোমাঞ্চকর পর্যটনের ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে তা নিয়েও মত-বিনিময় করা হয়।
প্রতিনিধিরা ডিএইচআর-এ করে ঘুম স্টেশন থেকে দার্জিলিং স্টেশন পর্যন্ত প্রমোদ ভ্রমণ করেন। ঘুড়ে দেখেন বাতাসিয়া লুপ এবং যুদ্ধ স্মারক। দেশের সর্বোচ্চ রেল স্টেশন হল ঘুম।
প্রতিনিধিরা রাজভবনে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ডঃ সি ভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সন্ধ্যায় দার্জিলিং-এর চৌরাস্তায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। প্রতিনিধিদের জন্য একটি যোগাসনের অধিবেশনের আয়োজন করা হয়।
পর্যটন মন্ত্রক প্রতিনিধিদের দার্জিলিং ও শিলিগুড়িতে স্থানীয় শিল্পকলার সঙ্গে পরিচিত করায়। দার্জিলিং-এর হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইন্সটিটিউট বৈঠকের সময় মল রোডে তাদের বিভিন্ন সাজ-সরঞ্জামের একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করে। পর্যটন মন্ত্রক প্রতিনিধিদের স্মারক হিসেবে পশ্চিবঙ্গের বিভিন্ন হস্তশিল্প যেমন বর্ধমানের কাঠের পেঁচা, বাঁকুড়ার ডোকরা, কালিম্পং-এর চিতপোর আট্টার-এর মতো সামগ্রী তুলে দেন।
PG/PM/NS
(रिलीज़ आईडी: 1914368)
आगंतुक पटल : 247