পর্যটনমন্ত্রক

হিমাচল প্রদেশের ধরমশালায় রাজ্যগুলির পর্যটন মন্ত্রীদের তিন দিনের জাতীয় সম্মেলন

Posted On: 18 SEP 2022 7:23PM by PIB Kolkata

চন্ডীগড়, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

হিমাচল প্রদেশের ধরমশালায় রাজ্যগুলির পর্যটন মন্ত্রীদের তিন দিনের জাতীয় সম্মেলন রবিবার শুরু হয়েছে। এই সম্মেলনে অমৃতকালের ২৫ বছরে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে পর্যটন ক্ষেত্রের বিকাশের প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনাই অন্যতম উদ্দেশ্য।

এখানে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সফল প্রকল্প এবং নানা সম্ভাবনার দিক নিয়ে আলোচনা হবে। সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কেন্দ্রীয় পর্যটন, সংস্কৃতি এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলের মন্ত্রী শ্রী জি কিষাণ রেড্ডি বলেছেন, গত ৭৫ বছর ধরে পর্যটন, আধ্যাত্মিকতা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যের সঙ্গে ভারত সমার্থক হয়ে উঠেছে। বিশ্বে পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার ক্ষেত্রে ভারতকে পর্যটন শিল্প সহায়তা করছে। মন্ত্রক পর্যটনের বিকাশে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিমান, রেল এবং সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটানো এবং দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সারা বিশ্বের কাছে উপস্থাপিত করা।

প্রধানমন্ত্রীর “বিকাশ ভি, বিরাসত ভি” অর্থাৎ উন্নয়ন এবং ঐতিহ্যের ওপর গুরুত্ব আরোপের কথা উল্লেখ করে শ্রী রেড্ডি বলেন, জাতীয় পর্যটন নীতি তৈরি করার জন্য এখন আলাপ, আলোচনা চলছে। আগামী বাজেট অধিবেশনের আগেই এই নীতি ঘোষিত হবে। মন্ত্রী জানান, খুব শীঘ্রই ‘আম্বেদকর সার্কিট’-এর সূচনা হবে। এছাড়াও মন্ত্রক হিমালয়ে সার্কিটের মানোন্নয়নের পরিকল্পনা করেছে। ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে স্বদেশ দর্শন প্রকল্পের আওতায় ৩৬টি কর্মসূচি গৃহীত হয়েছে। ২৪টি রাজ্যে প্রসাদ প্রকল্পের মাধ্যমে ৩৯টি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি স্বদেশ দর্শন প্রকল্প ২.০-এর সূচনা হয়েছে।

রাজ্যগুলির পর্যটন মন্ত্রীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় মন্ত্রী জানান, ভারত বর্তমানে জি২০ গোষ্ঠীর সভাপতি। এই সময়কালে ভারতের পর্যটন শিল্পের সম্পর্কে নানা তথ্য সারা বিশ্বের কাছে উপস্থাপিত করা হবে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী এদেশের পর্যটন শিল্পের প্রসারে অনাবাসী ভারতীয়দের যুক্ত করতে চান। কোভিড অতিমারীর কারনে এই শিল্পের যে ক্ষতি হয়েছে তার জন্য আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। দেশের পর্যটন শিল্পের প্রসারে প্রবাসী ভারতীয়রা যাতে কমপক্ষে ৫ জনকে ভারতে আসার জন্য উৎসাহিত করেন সেই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ৯.২ শতাংশ পর্যটন শিল্পের অবদান।

পর্যটন মন্ত্রক সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের মানোন্নয়নে দেশ জুড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করেছে। এই সম্মেলনে যে সব বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হবে সেগুলি হল পর্যটনের পরিকাঠামো গড়ে তোলা, সাংস্কৃতিক পর্যটন, আধ্যাত্মিক ও ঐতিহ্যগত পর্যটন, হিমালয় সন্নিহিত রাজ্যগুলিতে পর্যটন, স্থিতিশীল পর্যটন, পর্যটনের মানোন্নয়নে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ইত্যাদি। সম্মেলনে কেন্দ্রীয় পর্যটন ও প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী শ্রী অজয় ভাট এবং পর্যটন ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রী শ্রীপদ ইয়েসো নায়েক সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

PG/CB/NS



(Release ID: 1860835) Visitor Counter : 117