বিজ্ঞানওপ্রযুক্তিমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেছেন, ভারতের লক্ষ্য ২০৩০-এর মধ্যে জৈব-অর্থনীতির পরিমাণ ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার করা

प्रविष्टि तिथि: 28 JUL 2022 12:50PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৮ জুলাই, ২০২২

কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ও ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, কর্মীবর্গ, জন-অভিযোগ, অবসরভাতা, পারমাণবিক শক্তি এবং মহাকাশ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেছেন, ভারতের লক্ষ্য ২০৩০-এর মধ্যে জৈব-অর্থনীতির পরিমাণ ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার করা।

রাজ্যসভায় আজ এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেন, ভারতে জৈব-অর্থনীতি  ২০১৯-এর ৪৪ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ২০২১-এ বেড়ে হয়েছে ৮০.১ বিলিয়ন ডলার।

জৈব-অর্থনীতি হল জৈব সম্পদের উৎপাদন, ব্যবহার এবং সংরক্ষণ যার মধ্যে আছে এই সংক্রান্ত জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন। এর লক্ষ্য সমস্ত অর্থনৈতিক ক্ষেত্রকে তথ্য, উৎপাদন, প্রক্রিয়া এবং পরিষেবা যোগানো। ভারতের বায়োটেক শিল্প প্রায় পাঁচটি প্রধান ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত। সেগুলি হল – বায়োফার্মা, বায়ো-এগ্রিকালচার, বায়ো-ইন্ডাস্ট্রিয়াল, বায়ো-এনার্জি এবং বায়ো-আইটি, সিআরও এবং গবেষণা পরিষেবা সমৃদ্ধ বায়ো-সার্ভিসেস।

জৈব-অর্থনীতিকে সামাজিক পরিবর্তনের মোকাবিলার হাতিয়ার হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ, শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বায়োমাস অথবা পুনর্নবীকরণযোগ্য সম্পদের ব্যবহার, দূষণহীন রাসায়নিক এবং দ্রব্যের ব্যবহার; জৈব-সার, বর্জ্য হ্রাস ইত্যাদি যেগুলি কার্বন নিঃসরণ সংক্রান্ত দূষণের মোকাবিলা করে। সেইসঙ্গে খাদ্য ও পুষ্টি, স্বাস্থ্য, শক্তিক্ষেত্রে স্বয়ম্ভরতা এবং দীর্ঘস্থায়ী পরিবেশের ওপর প্রভাব ফেলে। বায়োটেক শিল্প, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং ক্রমবর্ধমান বায়োটেক স্টার্ট-আপগুলির কাছ থেকে নতুন ধরনের উদ্ভাবনী সমাধান আশা করা হচ্ছে।

PG/AP/DM


(रिलीज़ आईडी: 1845818) आगंतुक पटल : 154
इस विज्ञप्ति को इन भाषाओं में पढ़ें: English , Urdu , हिन्दी , Marathi , Punjabi