কর্মী, জন-অভিযোগএবংপেনশনমন্ত্রক
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ জীতেন্দ্র সিং বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতে এমন একটি নতুন কর্মসংস্কৃতির প্রবর্তন করেছেন যেখানে দরিদ্রদের জন্য নির্ধারিত এবং জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিগুলি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে তা পৌঁছতে পারে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ভোট নির্বিশেষে সবচেয়ে দরিদ্র অথবা শেষ পংক্তির শেষ মানুষটি পর্যন্ত
প্রকাশিত:
10 JUL 2022 5:36PM by PIB Kolkata
নয়াদিল্লি, ১০ জুলাই, ২০২২
কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত), ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রকের (স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত) প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, কর্মীবর্গ, জন-অভিযোগ, অবসরভাতা, আণবিক শক্তি এবং মহাকাশ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডঃ জীতেন্দ্র সিং আজ বলেছেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সর্বসময় কৃতিত্ব দিতে হবে ভারতে নতুন এক কর্মসংস্কৃতি প্রচলনের জন্য যেখানে দরিদ্রদের জন্য নির্দিষ্ট এবং জনকল্যাণ মূলক কর্মসূচিগুলির প্রত্যেকটি এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে তা পৌঁছতে পারে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ভোট নির্বিশেষে সবচেয়ে দরিদ্র অথবা শেষ পংক্তির শেষ মানুষটি পর্যন্ত। একইরকমভাবে সমকালীন ভারতের সাম্প্রতিক চিত্র বিবেচনা করে মোদী নিয়মিত স্টার্টআপগুলিকে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন যাতে তারা তাদের নিজস্ব জীবিকা অর্জন করতে সক্ষম হয়।
উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদে আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে ডঃ জীতেন্দ্র সিং বলেন, প্রয়োজন মেটাতে পুরোপুরি বিষয়গত বৈশিষ্ট্যগুলি অনুসরণ করা হচ্ছে যেখানে অতীতে প্রয়োজন মেটানো হয়নি এবং সেখানেই ন্যায় বিচার করা হচ্ছে যেখানে অতীতে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে। তিনি বলেন যে এর সঙ্গে কংগ্রেস এবং তার সঙ্গী সরকারগুলির অতীতের আচরণের দৃশ্যতই অনেকটাই তফাৎ আছে যেখানে ভোট ব্যাঙ্ক রাজনীতি সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে পূর্ব শর্ত হিসেবে কাজ করতো। মোদী সফলভাবে ভোটকে বিবেচনা না করে জন-পরিষেবার মাত্রাটি তুলে ধরেছেন যার ভিত্তি সকলের জন্য সমান নীতি। তারপর তিনি জনগণকে দায়িত্ব দিয়েছেন ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার এবং জনগণও এই নীতিকে সমর্থন জানিয়েছে মোদী সরকারকে দ্বিতীয়বার আগের চেয়েও বেশি ভোটে জিতিয়ে এনে।
একটি উদাহরণ দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, উজ্জ্বলা যোজনা, শৌচালয় ইত্যাদি নাগরিক কেন্দ্রিক কর্মসূচিগুলি পৌঁছেছে এমন সব বাড়িতে যেখানে এই সুযোগ-সুবিধা ছিল না এবং কর্তৃপক্ষ কখনও জিজ্ঞেসও করেনি যে সেই পরিবারের ধর্ম এবং জাত এবং তারা গত নির্বাচনে কাকে ভোট দিয়েছে। তিনি বলেন, এই নতুন কর্মসংস্কৃতি ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন ধারা নিয়ে আসবে এবং জনগণ আশা করে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলই এটিকে অনুসরণ করবে। মাত্র ৮ বছর সময়ে কেন্দ্র অনেক কর্মসূচিরই প্রায় ১০০ শতাংশ রূপায়ণ করে ফেলেছে এবং ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস’ নীতি মেনে যাদের প্রয়োজন তাদেরই দিয়েছে।
ডঃ জীতেন্দ্র সিং বলেন যে, গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা, জনধন, উজ্জ্বলা, শৌচালয়, পিএম আবাস, হর ঘর জল, হর ঘর বিজলী এবং আয়ুষ্মানের মতো বদল আনার উদ্যোগী কর্মসূচিগুলির কারণে দেশের মানুষ কেন্দ্রে এবং বেশিরভাগ রাজ্যে বার বার মোদী সরকারের ওপর আস্থা স্থাপন করেছে। তিনি বলেন, মানুষ কোনো বৈষম্য ছাড়াই কল্যাণমূলক কর্মসূচির সুবিধা পাচ্ছে যা আগে হতো না, যখন তোষণ নীতিরই প্রাধান্য ছিল। মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে এইসব কল্যাণমূলক পদক্ষেপ কোটি কোটি মানুষকে দারিদ্রের কবলমুক্ত করে সম্মানজনক জীবন দিয়েছে।
উত্তর পূর্বাঞ্চলের উদাহরণ দিয়ে ডঃ জীতেন্দ্র সিং বলেন, ২০১৪ সালের আগে এই অঞ্চল অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকতো আগেকার সব কেন্দ্রীয় সরকারের দূরদৃষ্টির অভাবে। কিন্তু ২০১৪য় মোদী সরকার আসার পরেই প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দেন যে উত্তর পূর্বাঞ্চলকে দেশের সর্বোন্নত অঞ্চলগুলির সঙ্গে একাসনে বসাতে প্রয়াস নিতে হবে। তিনি বলেন, গত ৮ বছরে সফলভাবে উন্নয়নের ফাঁকগুলি ভরাট করা গেছে তাই নয় উত্তর পূর্বাঞ্চল মানসিকভাবেও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, সড়ক, রেল এবং আকাশপথে সংযোগের মতো উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন ওই অঞ্চলেই নয় সারা দেশেই পণ্য পরিবহন ও ব্যক্তি যাতায়াতে সুবিধা এনে দিয়েছে।
ডঃ জীতেন্দ্র সিং সাংবাদিকদের কাছে মিজোরামেরও উদাহরণ দেন যে রাজ্য সবসময় বিজেপি বিরোধী ছিল। কিন্তু মোদী সরকার কোনো বৈষম্য ছাড়াই সেখানে ইজরায়েলী প্রযুক্তির সাহায্যে লেবুর ‘উৎকর্ষ কেন্দ্র’ স্থাপনে সাহায্য করেছে। তিনি বলেন, সাইট্রাস ফ্রুট সেন্টার ভারতে অভিনব একটি প্রতিষ্ঠান। মিজোরামে অবস্থিত হলেও এটি সমগ্র উত্তরপূর্বাঞ্চল বা সমগ্র দেশকেই পরিষেবা দেবে।
ডঃ জীতেন্দ্র সিং বলেন যে ২০১৫য় লাল কেল্লার প্রাঙ্গণ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘স্টার্টআপ ইন্ডিয়া, স্ট্যান্ডআপ ইন্ডিয়া’ আহ্বানের মাধ্যমে যে উৎসাহ দিয়েছিলেন, তাতে ভারতে স্টার্টআপের সংখ্যা তিনশো-চারশো থেকে বেড়ে ৭০ হাজার হয়েছে যাতে উত্তর প্রদেশের যুব সমাজ খুশিই হবে যারা বিভিন্ন স্টার্টআপ-এ কর্মজীবন শুরু করতে চায়। ভারতে ১০০র বেশি ইউনিকর্ন আছে এবং বায়োটেক স্টার্টআপ-এর সংখ্যও বাড়ছে।
মন্ত্রী বলেন, স্টার্টআপের অনাবিষ্কৃত বিশাল ভবিষ্যৎ এবং প্রযুক্তির পাশাপাশি স্টার্টআপের জন্য সরকারের দেওয়া আর্থিক সহায়তা সম্পর্কে সকলের মধ্যে বিশেষ করে যুব সমাজের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলা উচিত।
ডঃ জীতেন্দ্র সিং এও বলেন যে মোদী সরকারের ৮ বছর দেশের ‘যুবশক্তি’ এবং ‘নারীশক্তি’র সামনে নতুন ভোর এবং দিক নির্দেশ এনেছে তাদের প্রত্যাশা, উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্যকে প্রাধান্য দিয়ে।
PG/AP/NS
(রিলিজ আইডি: 1840736)
ভিজিটরের কাউন্টার : 204