বিজ্ঞানওপ্রযুক্তিমন্ত্রক

গবেষণা ও উন্নয়নের কাজে নিয়ামক ব্যবস্থার সংস্কার ঘটানো প্রয়োজন এবং সিএসআর পদ্ধতিকে এখানে আরও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করতে হবে : অধ্যাপক কে বিজয় রাঘবন

Posted On: 05 JUL 2020 3:15PM by PIB Kolkata

নতুন দিল্লী, ৫ জুলাই, ২০২০

 

 

নতুন বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নীতি (সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন পলিসি-এসটিআইপি) ২০২০-র বিষয়ে সিআইআই-এর সদস্য౼ এরকম ৩০ জন শিল্পপতি দু’দিনের গোলটেবিল বৈঠকে তাঁদের মতামত এবং পরামর্শ জানিয়েছেন। বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার স্থিতিশীল সমাধানের জন্য কিভাবে গবেষণা এবং উন্নয়নের পরিবেশ তৈরি করা যায় তাঁরা এই বিষয় নিয়ে বিশদে আলোচনা করেছেন। শিল্পপতিরা শিল্প সংস্থা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরও যোগাযোগ বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব দেন। তাঁরা মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের একটি নির্দিষ্ট অংশ গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে কিভাবে ব্যয় করা যায়, সে বিষয়েও  আলোচনা করেছেন।   

 

শিল্প সংস্থাগুলি যাতে গবেষণা ও উন্নয়নমূলক কাজ করতে উৎসাহিত হন, তার জন্য তাদের আরও উৎসাহব্যঞ্জক সুযোগ সুবিধে এবং স্বীকৃতি দেওয়া উচিত বলে বৈঠকে স্থির হয়েছে। এক্ষেত্রে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার তহবিলের অর্থ ব্যবহার করা যেতে পারে। বৈঠকে দেশীয় বিভিন্ন প্রযুক্তির উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরতা গড়ে তুলতে শিল্প সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকার যেন কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অর্থ ব্যয় করতে পারে সেই পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়ও আলোচনা হয়েছে। 

 

আলোচনার উদ্বোধনী ভাষণে কেন্দ্রের মুখ্য বিজ্ঞান উপদেষ্টা অধ্যাপক কে বিজয় রাঘবন বলেন, গবেষণা ও উন্নয়নের কাজে নিয়ামক ব্যবস্থার সংস্কার ঘটানো প্রয়োজন ౼যার মাধ্যমে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) পদ্ধতিকে এখানে আরও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। 

 

দু’দিনের এই গোলটেবিল বৈঠকে ফেডারেশন অফ্ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) এবং সায়েন্স পলিসি ফোরামের সহযোগিতায় এসটিআইপি ২০২০ এই অনলাইন বৈঠকের আয়োজন করে। আসন্ন এসটিআইপি ২০২০-তে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির জন্য শিল্পপতিদের কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে। উচ্চ পর্যায়ের শিল্প সংস্থাগুলির সঙ্গে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নীতি নিয়ে আলোচনার জন্য এটি প্রথম বৈঠক। বৈঠকে এই নীতির বিকেন্দ্রীকরণ, কোন্ কোন্ ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং সমাজের কোন্ কোন্ বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়াও বৃহত্তর আর্থ সামাজিক উন্নয়নে গবেষণা ও প্রযুক্তিকে কিভাবে কাজে লাগানো সম্ভব অংশগ্রহণকারীরা সেগুলি নিয়েও মতবিনিময় করেছেন।

 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতরের উপদেষ্টা এবং এসটিআইপি ২০২০-র প্রধান ড. অখিলেশ গুপ্তা এসটিআইপি ২০২০-র কাজকর্মের বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জানান। সরকার শিল্প সংস্থাগুলির কাছ থেকে কি কি আশা করে সেবিষয়েও তিনি উল্লেখ করেন। এসটিআইপি ২০২০-র সচিবালয়টি, মুখ্য বিজ্ঞান উপদেষ্টার দফতর এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতর যৌথভাবে গড়ে তুলেছেন। পুরো এসটিআইপি ২০২০-র নীতিমালা তৈরির প্রক্রিয়ায় সমন্বয় বজায় রাখাই এই দুই দফতরের কাজ। কোভিড-১৯ মহামারীর ফলে ভারত এবং সারা পৃথিবী জুড়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে তার মধ্যেই এসটিআইপি ২০২০-র সূচনা হয়েছিল। ২০১৩ সালের নীতিমালার পরিবর্তে নতুন এই নীতিমালা কার্যকর করা হবে – যেটি এবছরের শেষেই প্রকাশিত হবে। 

 

এসটিআইপি ২০২০-র নীতিমালা চারটি পর্যায়ের মাধ্যমে তৈরি করা হচ্ছে। প্রায় ১৫ হাজার পরামর্শদাতার সঙ্গে আলোচনা করে এই নীতিমালা তৈরি করা হবে। প্রথম পর্যায়ে সায়েন্স পলিসি ফোরামের মাধ্যমে জনসাধারণ এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ করা হবে, তার পর নীতির খসড়া তৈরি করা হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পরামর্শ দেবেন, যার মাধ্যমে নীতির খসড়া তৈরির উপাদান পাওয়া যাবে। এক্ষেত্রে ২১ রকমের বিষয় স্থান পাবে। তৃতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন মন্ত্রক এবং রাজ্যগুলির সঙ্গে ও চতুর্থ পর্যায়ে সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

 

 

 

CG/CB/SKD



(Release ID: 1636735) Visitor Counter : 164