অর্থমন্ত্রক

প্রত্যক্ষ্য কর ও বেনামী আইনের অধীনে কর সংক্রান্ত বিভিন্ন সময়সীমা বৃদ্ধি

Posted On: 24 JUN 2020 8:48PM by PIB Kolkata

নয়াদিল্লী, ২৪ জুন, ২০২০

 

 


কোভিড-১৯ মহামারীর প্রেক্ষিতে করদাতারা বিধিবদ্ধ ও নিয়ন্ত্রক বিভিন্ন নিয়মাবলী পালন করতে সমস্যার সম্মুখীন হওয়ায় সরকার ৩১শে মার্চ ট্যাক্সেশন অ্যান্ড আদার লজ (রিলাকশেসন অফ সার্টেন প্রোভিসন) অর্ডিন্যান্স ২০২০ জারি করেছিল। এর মাধ্যমে কর সংক্রান্ত  বিভিন্ন  ক্ষেত্রে সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়। করদাতাদের আরও সুবিধা দেওয়ার জন্য সরকার ২৪শে জুন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এই বিজ্ঞপ্তি অনুসারে বলা হয়েছে :


১. ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের জন্য (২০১৯-২০ অর্থবর্ষ অগ্রিম)এর আসল এবং সংশোধিত আয়কর রিটার্ন দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি করে ৩১শে জুলাই করা হয়েছে।


২. ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের (২০২০-২১ অর্থবর্ষের অগ্রিম)এর আয়কর দাখিলের সময়সীমা বৃদ্ধি করে ৩০শে নভেম্বর করা হয়েছে। ৩১শে জুলাই ও ৩১শে অক্টোবরের মধ্যে আয় সংক্রান্ত ফেরত দেবার যে সময়সীমা ধার্য করা হয়েছিল তা বাড়িয়ে ৩১শে নভেম্বর করা হয়েছে। অতএব কর সংক্রান্ত অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩১শে অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।


৩. ক্ষুদ্র ও মাঝারি করদাতাদের সুবিধা দেওয়ার জন্য স্বমূল্যায়িত কর (যাদের ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে) তাঁদের এই কর দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি করে ৩০শে নভেম্বর করা হল। তবে যাদের ১ লক্ষ টাকার ওপর কর জমা দিতে হবে তাঁদের ক্ষেত্রে সময়সীমা বাড়ানো হচ্ছেনা। এক্ষেত্রে স্বমূল্যায়িত কর বাবদ প্রদেয় অর্থ ১৯৬১ সালের আয়কর আইন অনুসারে বিবেচিত হবে এবং দেরিতে কর দিলে আয়কর আইনের ২৩৪এর এ ধারা অনুযায়ী করের ওপর অতিরিক্ত সুদ দিতে হবে।


৪. আয়কর আইনের ৬এর এ-বি অনুচ্ছেদ অনুসারে বিভিন্ন বিনিয়োগ অথবা অনুদানের কারণে কর ছাড়ের সুবিধা সংক্রান্ত দাবি ৩১শে জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এখানে আয়কর ধারার ৮০ সি (এলআইসি, পিপিএফ, এনএসসি ইত্যাদি), ৮০ ডি (মেডিক্লেম), ৮০ জি (অনুদান) বিবেচিত হবে। অর্থাৎ ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের জন্য কর ছাড়ের আবেদন ৩১শে জুলাই পর্যন্ত করা যাবে।


৫. আয়কর আইনের ৫৪ থেকে ৫৪ জিবি ধারা অনুযায়ী মূলধন প্রাপ্তির বিষয়ে বিবেচনা করে বিনিয়োগ, নির্মাণ কাজে ব্যয়, কোনো কিছু কেনা বাবদ কর ছাড় সংক্রান্ত আবেদন ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা যাবে।


৬. বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংস্থাগুলির আয়কর আইনের ১০এর এএ ধারা অনুযায়ী কর ছাড়ের আবেদন ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জানাতে পারবেন। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির প্রয়োজনীয় অনুমতি ৩১শে মার্চের মধ্যে পেতে হবে।


৭. ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের আয় বাবদ করদাতারা তাঁদের রিটার্ন ফেরত সংক্রান্ত টিডিএস ও টিসিএস জমা দেওয়া এবং এগুলির পূর্বশর্ত অনুযায়ী অন্যান্য কাজের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১শে জুলাই ও ১৫ই আগস্ট করা হয়েছে।


৮. প্রত্যক্ষ্য কর ও বেনামী আইন অনুসারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন আদেশনামা মেনে চলার সময়সীমা ৩১শে ডিসেম্বর থেকে বাড়িয়ে ২০২১ সালের ৩১শে মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছে। একইভাবে আধার౼প্যানের সংযুক্তিকরণের সময়সীমা ৩১শে মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।


৯. অর্ডিন্যান্সে নির্দিষ্ট করে দেওয়া কর লেভি ইত্যাদি বাবদ অর্থপ্রদান দেরিতে করা হলে তারজন্য ৯ শতাংশ সুদের পরিবর্তে কম হারে সুদ দেওয়ার সুবিধা ৩০শে জুনের পর প্রযোজ্য হবেনা।


অর্থমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন ‘বিবাদ সে বিশ্বাস’ প্রকল্প অনুযায়ী কর বাবদ জমা দেওয়া অর্থ জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩১শে ডিসেম্বর করা হয়েছে। এরজন্য প্রয়োজনীয় আইনানুগ সংশোধন শীঘ্রই করা হবে। এই সংক্রান্ত ঘোষণায় এই প্রকল্পটির সময়সীমা ৩০শে ডিসেম্বর থেকে বাড়িয়ে ৩১শে ডিসেম্বর করা হয়েছে। এরফলে এ সংক্রান্ত ঘোষণা, নির্দেশনামা ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত করা যাবে।


৮ই মে প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুসারে আয়কর আইনের ১০ (২৩এর সি), ১২ এএ, ৩৫ ও ৮০জি ধারা অনুসারে নির্দিষ্ট বিষয়গুলির অনুমোদন, নিবন্ধীকরণ বা ঘোষণার জন্য সেগুলি বাস্তবায়ণ পিছিয়ে দেওয়ার যে নির্দেশ জারি করা হয়েছে সেগুলি পয়লা জুনের পরিবর্তে পয়লা অক্টোবর থেকে কার্যকর করা হবে। ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুরনো নিয়ম অনুসারেই কাজ করা হবে। সঠিক সময়ে এই সংক্রান্ত আইনানুগ সংশোধনের কাজ করা হবে।


অর্থমন্ত্রী ইতিমধ্যেই যাঁরা বেতনভোগী নন তাঁদের টিডিএস-এর হার কমানোর কথা ঘোষণা করেছেন। ১৩ই মে এ সংক্রান্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনের সংশোধন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে করা হবে।
 

 


CG/CB/NS



(Release ID: 1634208) Visitor Counter : 26